1. admin@kagojerbarta.com : admin :
  2. amirsadeky88@gmail.com : amirsadeky :
  3. faysalajony@gmail.com : FAYSAL AHMED :
  4. kamrul304076@gmail.com : Kamrul :
  5. jamalpurbakshiganj@gmail.com : Kamrulbk :
  6. mdsaimkhanbd7@gmail.com : mdsaimkhan123 :
  7. motin.imran07051986@gmail.com : motin.imran07051986@gmail.com :
  8. seyam2858@gmail.com : seyam :
ঢাকা ০৩:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

খুটাখালীর কৃতী সন্তান সাংবাদিক ও গবেষক আহমেদ গিয়াস আর নেই

বিশেষ প্রতিনিধি:
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
৬

কক্সবাজারের সাংবাদিকতা ও পরিবেশবিষয়ক গবেষণায় তাঁর অবদান স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
কক্সবাজারের খুটাখালীর কৃতী সন্তান, সাহসী সাংবাদিক ও গবেষক আহমেদ গিয়াসের ইন্তেকলের খবরে শোকের আবহ তৈরি হয়েছে। তাঁর মৃত্যুতে কক্সবাজারের সাংবাদিকতা অঙ্গনসহ সহকর্মী, শুভানুধ্যায়ী ও পরিচিতজনদের মধ্যে শোকের অনুভূতি ছড়িয়ে পড়েছে।
ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।
আহমেদ গিয়াস দীর্ঘদিন ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। নব্বইয়ের দশক থেকে সাংবাদিকতায় সাহসী ভূমিকা রাখার জন্য তিনি পরিচিত ছিলেন বলে তাঁর শুভানুধ্যায়ীরা উল্লেখ করেছেন। জাতীয় ও আঞ্চলিক সংবাদমাধ্যমে কক্সবাজারের বিভিন্ন সমস্যা, জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় এবং পরিবেশ-প্রকৃতির নানা দিক তুলে ধরার ক্ষেত্রে তাঁর ভূমিকার কথা স্মরণ করছেন সংশ্লিষ্টরা।
তিনি চট্টগ্রাম থেকে প্রকাশিত আঞ্চলিক দৈনিক আজাদী পত্রিকার কক্সবাজার প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০২২ সালে মানবিক সাংবাদিকতা বিষয়ে রিপোর্টিং প্রতিযোগিতায় পুরস্কারপ্রাপ্ত পাঁচ সাংবাদিকের তালিকায়ও তাঁর নাম ছিল।
সাংবাদিকতার পাশাপাশি পরিবেশ ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে তাঁর আগ্রহের বিষয়টিও বিভিন্ন সংবাদে উঠে এসেছে। ২০২৩ সালের মে মাসে কক্সবাজারের দরিয়ানগর এলাকায় পাখি শিকারে বাধা দিতে গিয়ে তিনি হামলার শিকার হন। ওই ঘটনায় তাঁর মাথায় আঘাত লাগে এবং তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। ঘটনাটি পরিবেশ ও বন্যপ্রাণী রক্ষায় তাঁর সক্রিয়তার একটি উল্লেখযোগ্য দৃষ্টান্ত।
খুটাখালীর সন্তান হিসেবে আহমেদ গিয়াসের কর্মজীবন ও অবদান স্থানীয় মানুষের কাছেও গুরুত্বপূর্ণ। তাঁর সাংবাদিকতা, গবেষণামুখী চিন্তা এবং জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে কাজের স্মৃতি সহকর্মী ও শুভানুধ্যায়ীদের কাছে অনুপ্রেরণার বিষয় হয়ে থাকবে।
তাঁর ইন্তেকলে শোক প্রকাশের পাশাপাশি মরহুমের কর্মময় জীবনের অবদান স্মরণ করছেন তাঁর পরিচিতজনেরা। মহান আল্লাহ তাআলা তাঁকে ক্ষমা করে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করুন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারকে এই শোক সহ্য করার শক্তি দান করুন। আমিন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ০৮:০৫:২০ পূর্বাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬ ৪ বার পড়া হয়েছে

খুটাখালীর কৃতী সন্তান সাংবাদিক ও গবেষক আহমেদ গিয়াস আর নেই

আপডেট সময় : ০৮:০৫:২০ পূর্বাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬
৬

কক্সবাজারের সাংবাদিকতা ও পরিবেশবিষয়ক গবেষণায় তাঁর অবদান স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
কক্সবাজারের খুটাখালীর কৃতী সন্তান, সাহসী সাংবাদিক ও গবেষক আহমেদ গিয়াসের ইন্তেকলের খবরে শোকের আবহ তৈরি হয়েছে। তাঁর মৃত্যুতে কক্সবাজারের সাংবাদিকতা অঙ্গনসহ সহকর্মী, শুভানুধ্যায়ী ও পরিচিতজনদের মধ্যে শোকের অনুভূতি ছড়িয়ে পড়েছে।
ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।
আহমেদ গিয়াস দীর্ঘদিন ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। নব্বইয়ের দশক থেকে সাংবাদিকতায় সাহসী ভূমিকা রাখার জন্য তিনি পরিচিত ছিলেন বলে তাঁর শুভানুধ্যায়ীরা উল্লেখ করেছেন। জাতীয় ও আঞ্চলিক সংবাদমাধ্যমে কক্সবাজারের বিভিন্ন সমস্যা, জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় এবং পরিবেশ-প্রকৃতির নানা দিক তুলে ধরার ক্ষেত্রে তাঁর ভূমিকার কথা স্মরণ করছেন সংশ্লিষ্টরা।
তিনি চট্টগ্রাম থেকে প্রকাশিত আঞ্চলিক দৈনিক আজাদী পত্রিকার কক্সবাজার প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০২২ সালে মানবিক সাংবাদিকতা বিষয়ে রিপোর্টিং প্রতিযোগিতায় পুরস্কারপ্রাপ্ত পাঁচ সাংবাদিকের তালিকায়ও তাঁর নাম ছিল।
সাংবাদিকতার পাশাপাশি পরিবেশ ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে তাঁর আগ্রহের বিষয়টিও বিভিন্ন সংবাদে উঠে এসেছে। ২০২৩ সালের মে মাসে কক্সবাজারের দরিয়ানগর এলাকায় পাখি শিকারে বাধা দিতে গিয়ে তিনি হামলার শিকার হন। ওই ঘটনায় তাঁর মাথায় আঘাত লাগে এবং তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। ঘটনাটি পরিবেশ ও বন্যপ্রাণী রক্ষায় তাঁর সক্রিয়তার একটি উল্লেখযোগ্য দৃষ্টান্ত।
খুটাখালীর সন্তান হিসেবে আহমেদ গিয়াসের কর্মজীবন ও অবদান স্থানীয় মানুষের কাছেও গুরুত্বপূর্ণ। তাঁর সাংবাদিকতা, গবেষণামুখী চিন্তা এবং জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে কাজের স্মৃতি সহকর্মী ও শুভানুধ্যায়ীদের কাছে অনুপ্রেরণার বিষয় হয়ে থাকবে।
তাঁর ইন্তেকলে শোক প্রকাশের পাশাপাশি মরহুমের কর্মময় জীবনের অবদান স্মরণ করছেন তাঁর পরিচিতজনেরা। মহান আল্লাহ তাআলা তাঁকে ক্ষমা করে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করুন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারকে এই শোক সহ্য করার শক্তি দান করুন। আমিন।