এক টাকাও দেশের বাইরে পাওয়া গেলে রাজনীতি ছেড়ে দেব: আসিফ মাহমুদ
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, দেশের বাইরে তার এক টাকা পাওয়া গেলেও তিনি রাজনীতি ছেড়ে দেবেন।
সম্প্রতি তার বিরুদ্ধে ওঠা বিভিন্ন অভিযোগের বিষয়ে সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ থেকে লাইভে এসে এ কথা বলেন তিনি।
আসিফ মাহমুদ বলেন, ‘এখানে যেই কথা বলা আছে যে চার দেশে ১১ হাজার কোটি টাকা—এক টাকাও যদি দেশের বাইরে কোথাও পাওয়া যায়, আমি ওইদিনই রাজনীতি ছেড়ে দেব। আপনারা জাস্ট প্রমাণ করে দেখান যে এক টাকা আসিফ মাহমুদ দেশের বাইরে কোথাও বিনিয়োগ করেছে বা একটা ধূলিকণা দেশের বাইরে সে কিনেছে।’
নিজের জাতীয়তাবোধের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘আমার মাইন্ডসেটটা ওয়ার্ক করে, কেউ যদি আমাকে বলে যে তুমি ১০ বছর জেল খাটবা নাকি দেশের বাইরে চলে গিয়ে আরামে জীবনযাপন করবা, আমি তখন ১০ বছর জেল খাটাটাকে চুজ করবো। কারণ আমার ন্যাশনালিজমের পাওয়ারটা এতটাই স্ট্রং।’
তিনি আরও বলেন, ‘ন্যারেটিভ উৎপাদন এবং ভিলিফিকেশনের জন্য তো আসলে প্রমাণ লাগে না। ওনারা এটাই করতে চাচ্ছেন এবং এটাই করছেন।’
সরকারকে প্রশ্নের বাইরে রাখার সুযোগ নেই উল্লেখ করে এনসিপির এই নেতা বলেন, ‘আপনারা একটু সজাগ দৃষ্টি রাখবেন এবং একটু ক্রিটিক্যাল মাইন্ডসেটে দেখবেন। যাদের হাতে ক্ষমতা, তাদেরকে কখনো আনকোয়েশ্চন্ডভাবে বিলিভ করার আসলে সুযোগ নাই। এবং দুঃখজনকভাবে আমাদের মিডিয়াকেও ক্রিটিক্যালি না দেখে এখন আর উপায় নাই।’
তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগে পরিবারের সদস্যদের জড়ানোর প্রসঙ্গেও ক্ষোভ প্রকাশ করেন আসিফ মাহমুদ।
তিনি বলেন, ‘একটা অভিযোগে বলা হইছে যে এই পাচারের সাথে আমার দুই ভগ্নিপতি এবং ভাগ্নে জড়িত। তো আমার আসলে ভগ্নিপতি দুইজন নাই, আমার বড় বোনই শুধুমাত্র বিবাহিত, একজন ভগ্নিপতি আছেন। এবং আমার যেই ভাগ্নে আছে, তার বয়স হচ্ছে আড়াই থেকে তিন বছর।’
তিনি বলেন, ‘একটা আড়াই থেকে তিন বছর বয়সের বাচ্চা, যে মাত্র হাঁটা শিখেছে, আপনারা তাকে পর্যন্ত এটার মধ্যে টেনে আনলেন! এটা কতটা লজ্জাজনক। আমার ফ্যামিলির সদস্যরাও এটার ভিকটিম হচ্ছেন। একটা আড়াই থেকে তিন বছরের বাচ্চাকে আপনারা এলিগেশন দিচ্ছেন মানি লন্ডারিংয়ের। এটা খুবই দুঃখজনক।’
অভিযোগগুলোর বিষয়ে প্রমাণ উপস্থাপনের আহ্বান জানিয়ে আসিফ মাহমুদ বলেন, তার বিরুদ্ধে দেশের বাইরে সম্পদ বা বিনিয়োগ থাকার দাবি প্রমাণ করা হলে তিনি রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়াবেন।
























