1. admin@kagojerbarta.com : admin :
  2. amirsadeky88@gmail.com : amirsadeky :
  3. faysalajony@gmail.com : FAYSAL AHMED :
  4. kamrul304076@gmail.com : Kamrul :
  5. jamalpurbakshiganj@gmail.com : Kamrulbk :
  6. mdsaimkhanbd7@gmail.com : mdsaimkhan123 :
  7. motin.imran07051986@gmail.com : motin.imran07051986@gmail.com :
  8. seyam2858@gmail.com : seyam :
ঢাকা ১২:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফরিদপুরে সওজের জমি ও মেডিকেল কলেজ এলাকায় উচ্ছেদ অভিযান

এস এম সাহান, ফরিদপুর বিশেষ প্রতিনিধি
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
৩৯

ফরিদপুরে সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের সরকারি জমিতে অবৈধ দখল ও স্থাপনা এবং মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এলাকায় গড়ে ওঠা অস্থায়ী দোকানপাট উচ্ছেদে অভিযান চালানো হয়েছে। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে প্রশাসনের নেতৃত্বে পরিচালিত এ অভিযানে সরকারি জায়গা দখল করে নির্মিত বিভিন্ন স্থাপনা ও অস্থায়ী দোকানপাট সরিয়ে দেওয়া হয়।

মঙ্গলবার সকাল ১০টা ১৫ মিনিটে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজের সামনে থেকে এ অভিযান শুরু হয়। পরে সওজের আওতাধীন বিভিন্ন স্থানে সরকারি জমিতে অবৈধ দখল ও স্থাপনা এবং হাসপাতাল এলাকার অস্থায়ী দোকানপাট উচ্ছেদ করা হয়।

জেলা প্রশাসনের এনডিসি শাকিব রহমান আকাশের নেতৃত্বে এবং ফরিদপুর সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. শফিকুল ইসলামের সমন্বয়ে অভিযানটি পরিচালিত হয়। অভিযানে র‍্যাব, পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও আনসার সদস্যরা আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় দায়িত্ব পালন করেন।

অভিযান চলাকালে মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল চত্বরের বিভিন্ন স্থানে গড়ে ওঠা অস্থায়ী দোকানপাট উচ্ছেদ করা হয়। পাশাপাশি সওজের সরকারি জমি দখল করে নির্মিত অবৈধ স্থাপনা ও বিভিন্ন ধরনের কাঠামো সরিয়ে দেওয়া হয়। উচ্ছেদকাজে প্রয়োজন অনুযায়ী প্রশাসনের পক্ষ থেকে সরঞ্জাম ব্যবহার করা হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, হাসপাতাল ও সড়কের আশপাশের সরকারি জায়গা দখল করে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন ধরনের অস্থায়ী দোকানপাট ও স্থাপনা গড়ে উঠেছিল। এসব দোকান ও স্থাপনার কারণে হাসপাতাল এলাকায় রোগী, রোগীর স্বজন, চিকিৎসক, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং সাধারণ মানুষের চলাচলে বিভিন্ন সময় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হচ্ছিল। একই সঙ্গে সড়কের পাশে জায়গা সংকুচিত হওয়ায় যানবাহন চলাচলেও বিঘ্ন ঘটছিল বলে অভিযোগ ছিল।

বিশেষ করে মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে ও আশপাশে অস্থায়ী দোকান বসায় হাসপাতালের প্রবেশ ও বের হওয়ার পথের আশপাশে ভিড় তৈরি হতো। এতে জরুরি প্রয়োজনে রোগী বহনকারী অ্যাম্বুলেন্সসহ অন্যান্য যানবাহন চলাচলে সমস্যার সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা ছিল। সরকারি জায়গা দখল করে স্থাপনা নির্মাণের বিষয়টিও প্রশাসনের নজরে আসে।

উচ্ছেদ অভিযানের ফলে হাসপাতাল চত্বর ও সড়কের পাশের বেশ কিছু জায়গা দখলমুক্ত করা হয়েছে। এতে রোগী ও স্বজনদের চলাচলের পথ প্রশস্ত হওয়ার পাশাপাশি সড়কসংলগ্ন এলাকায় যানবাহন চলাচলও স্বাভাবিক হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।

অভিযান পরিচালনাকারী প্রশাসনের কর্মকর্তারা জানান, সরকারি সম্পত্তি অবৈধভাবে দখল করে কোনো ধরনের স্থাপনা বা দোকানপাট স্থাপনের সুযোগ নেই। জনসাধারণের চলাচল ও সরকারি সম্পত্তির সুরক্ষার স্বার্থে অবৈধ দখল উচ্ছেদে প্রশাসনের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

সংশ্লিষ্টরা আরও জানান, উচ্ছেদ করা জায়গাগুলোতে যাতে পুনরায় দোকানপাট বা অবৈধ স্থাপনা গড়ে উঠতে না পারে, সে বিষয়ে নজরদারি করা হবে। কেউ সরকারি জায়গা পুনরায় দখলের চেষ্টা করলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিকে উচ্ছেদ অভিযানে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দা, রোগী ও তাদের স্বজনরা। তাদের মতে, হাসপাতাল এলাকায় অস্থায়ী দোকানপাট ও অবৈধ স্থাপনা থাকায় চলাচলে যে ভোগান্তি তৈরি হচ্ছিল, অভিযানটির মাধ্যমে তা অনেকটাই কমবে। একই সঙ্গে সড়কের পাশের সরকারি জায়গা দখলমুক্ত থাকলে যানবাহন ও পথচারীদের চলাচল আরও নিরাপদ ও স্বাভাবিক হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ১০:১৩:০৪ পূর্বাহ্ণ, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৩৩ বার পড়া হয়েছে

ফরিদপুরে সওজের জমি ও মেডিকেল কলেজ এলাকায় উচ্ছেদ অভিযান

আপডেট সময় : ১০:১৩:০৪ পূর্বাহ্ণ, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
৩৯

ফরিদপুরে সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের সরকারি জমিতে অবৈধ দখল ও স্থাপনা এবং মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এলাকায় গড়ে ওঠা অস্থায়ী দোকানপাট উচ্ছেদে অভিযান চালানো হয়েছে। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে প্রশাসনের নেতৃত্বে পরিচালিত এ অভিযানে সরকারি জায়গা দখল করে নির্মিত বিভিন্ন স্থাপনা ও অস্থায়ী দোকানপাট সরিয়ে দেওয়া হয়।

মঙ্গলবার সকাল ১০টা ১৫ মিনিটে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজের সামনে থেকে এ অভিযান শুরু হয়। পরে সওজের আওতাধীন বিভিন্ন স্থানে সরকারি জমিতে অবৈধ দখল ও স্থাপনা এবং হাসপাতাল এলাকার অস্থায়ী দোকানপাট উচ্ছেদ করা হয়।

জেলা প্রশাসনের এনডিসি শাকিব রহমান আকাশের নেতৃত্বে এবং ফরিদপুর সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. শফিকুল ইসলামের সমন্বয়ে অভিযানটি পরিচালিত হয়। অভিযানে র‍্যাব, পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও আনসার সদস্যরা আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় দায়িত্ব পালন করেন।

অভিযান চলাকালে মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল চত্বরের বিভিন্ন স্থানে গড়ে ওঠা অস্থায়ী দোকানপাট উচ্ছেদ করা হয়। পাশাপাশি সওজের সরকারি জমি দখল করে নির্মিত অবৈধ স্থাপনা ও বিভিন্ন ধরনের কাঠামো সরিয়ে দেওয়া হয়। উচ্ছেদকাজে প্রয়োজন অনুযায়ী প্রশাসনের পক্ষ থেকে সরঞ্জাম ব্যবহার করা হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, হাসপাতাল ও সড়কের আশপাশের সরকারি জায়গা দখল করে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন ধরনের অস্থায়ী দোকানপাট ও স্থাপনা গড়ে উঠেছিল। এসব দোকান ও স্থাপনার কারণে হাসপাতাল এলাকায় রোগী, রোগীর স্বজন, চিকিৎসক, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং সাধারণ মানুষের চলাচলে বিভিন্ন সময় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হচ্ছিল। একই সঙ্গে সড়কের পাশে জায়গা সংকুচিত হওয়ায় যানবাহন চলাচলেও বিঘ্ন ঘটছিল বলে অভিযোগ ছিল।

বিশেষ করে মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে ও আশপাশে অস্থায়ী দোকান বসায় হাসপাতালের প্রবেশ ও বের হওয়ার পথের আশপাশে ভিড় তৈরি হতো। এতে জরুরি প্রয়োজনে রোগী বহনকারী অ্যাম্বুলেন্সসহ অন্যান্য যানবাহন চলাচলে সমস্যার সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা ছিল। সরকারি জায়গা দখল করে স্থাপনা নির্মাণের বিষয়টিও প্রশাসনের নজরে আসে।

উচ্ছেদ অভিযানের ফলে হাসপাতাল চত্বর ও সড়কের পাশের বেশ কিছু জায়গা দখলমুক্ত করা হয়েছে। এতে রোগী ও স্বজনদের চলাচলের পথ প্রশস্ত হওয়ার পাশাপাশি সড়কসংলগ্ন এলাকায় যানবাহন চলাচলও স্বাভাবিক হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।

অভিযান পরিচালনাকারী প্রশাসনের কর্মকর্তারা জানান, সরকারি সম্পত্তি অবৈধভাবে দখল করে কোনো ধরনের স্থাপনা বা দোকানপাট স্থাপনের সুযোগ নেই। জনসাধারণের চলাচল ও সরকারি সম্পত্তির সুরক্ষার স্বার্থে অবৈধ দখল উচ্ছেদে প্রশাসনের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

সংশ্লিষ্টরা আরও জানান, উচ্ছেদ করা জায়গাগুলোতে যাতে পুনরায় দোকানপাট বা অবৈধ স্থাপনা গড়ে উঠতে না পারে, সে বিষয়ে নজরদারি করা হবে। কেউ সরকারি জায়গা পুনরায় দখলের চেষ্টা করলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিকে উচ্ছেদ অভিযানে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দা, রোগী ও তাদের স্বজনরা। তাদের মতে, হাসপাতাল এলাকায় অস্থায়ী দোকানপাট ও অবৈধ স্থাপনা থাকায় চলাচলে যে ভোগান্তি তৈরি হচ্ছিল, অভিযানটির মাধ্যমে তা অনেকটাই কমবে। একই সঙ্গে সড়কের পাশের সরকারি জায়গা দখলমুক্ত থাকলে যানবাহন ও পথচারীদের চলাচল আরও নিরাপদ ও স্বাভাবিক হবে।