1. admin@kagojerbarta.com : admin :
  2. amirsadeky88@gmail.com : amirsadeky :
  3. faysalajony@gmail.com : FAYSAL AHMED :
  4. kamrul304076@gmail.com : Kamrul :
  5. jamalpurbakshiganj@gmail.com : Kamrulbk :
  6. mdsaimkhanbd7@gmail.com : mdsaimkhan123 :
  7. motin.imran07051986@gmail.com : motin.imran07051986@gmail.com :
  8. seyam2858@gmail.com : seyam :
ঢাকা ১০:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বোদা পঞ্চগড়ের নগরকুমারী হাটে অতিরিক্ত টাকা আদায়: ইজারাদারকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা

আব্দুল্লাহ্ আল মামুন বোদা (পঞ্চগড়) প্রতিনিধি
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলার ঐতিহ্যবাহী নগরকুমারী পশুর হাটে ক্রেতা-বিক্রেতাদের কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা আদায়ের অভিযোগে ইজারাদারকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে বোদা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. রবিউল ইসলামের নেতৃত্বে এই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হয়।আদালত সূত্রে জানা যায়, নগরকুমারী পশুর হাটে পশু কেনাবেচায় সরকারি নিয়ম অমান্য করে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে এ অভিযান চালানো হয়। অভিযানে দেখা যায়, ক্রেতাদের দেওয়া আদায়কৃত রশিদে হাসিলের কোনো পরিমাণ উল্লেখ করা হচ্ছিল না।

সরকারি ভাবে প্রতি গরুর জন্য ৪০০ টাকা নির্ধারিত থাকলেও ক্রেতা ও বিক্রেতাদের কাছ থেকে প্রতি গরুতে অতিরিক্ত ১০০ টাকা করে আদায় করা হচ্ছিল। এছাড়াও ছাগলের হাসিল বাবদ ১৫০ টাকা নেওয়ার নিয়ম থাকলেও ক্রেতাদের কাছ থেকে ১৮০ থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত হাতিয়ে নিচ্ছিল ইজারাদারের লোকজন। পরে অভিযোগের সত্যতা পেয়ে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ও সংশ্লিষ্ট ধারায় ইজারাদারকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে ৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড করা হয়।

হাটে গরু বিক্রি করতে আসা স্থানীয় খামারি করিমুল হক বলেন, “আমরা কষ্ট করে গরু পালি। হাটে নিয়ে আসলে ইজারাদারের লোকজনের দাপটে কথা বলা যায় না। রশিদে টাকার অঙ্ক না লিখে ৪০০ টাকার জায়গায় ৫০০ টাকা দাবি করে। প্রতিবাদ করলে গরু হাট থেকে বের করে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়। আজকের এই জরিমানায় আমরা সাধারণ বিক্রেতারা কিছুটা স্বস্তি পেয়েছি।

পঞ্চগড় থেকে মিলাদের জন্য ছাগল কিনতে আসা সোহেল রানা জানান, এই হাটে দুইটি ছাগল কিনেছি কিন্তু আমার কাছে ২০০ টাকা হারে মোট ৪০০ টাকা মাশুল নিয়েছে। কিন্তু রশীদে এই টাকার উল্লেখ না থাকায় লেখাইকারীর কাছে জানতে চাইলে তারা হাট ইজারাদার এর সাথে।যোগাযোগ করতে বলেন। লেখাই স্থানে কোন মূল্য তালিকাও ছিলনা।

পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতে শুনি ১৫০ টাকা হারে মাশুল আদায়ের নিয়ম।
“দিনাজপুর থেকে গরু কিনতে আসা পাইকারি ব্যবসায়ী আলতাফ হোসেন বলেন, “প্রতিটা গরুতে ১০০ টাকা বেশি নেওয়া মানে আমাদের জন্য বড় লোকসান। তার ওপর রশিদে কোনো টাকার পরিমাণ লেখা থাকে না। প্রশাসনকে ধন্যবাদ যে তারা হাতেনাতে ধরে জরিমানা করেছে। তবে এই নজরদারি যেন নিয়মিত থাকে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রবিউল ইসলাম জানান, সরকারি নির্ধারিত ফি-র চেয়ে এক টাকাও বেশি নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। রশিদে টাকার পরিমাণ না লিখে অতিরিক্ত টাকা আদায় করা স্পষ্ট অপরাধ। জনস্বার্থে এবং বাজার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রশাসনের এই ধরণের ঝটিকা অভিযান ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ০৩:৩১:৪০ অপরাহ্ণ, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২ বার পড়া হয়েছে

বোদা পঞ্চগড়ের নগরকুমারী হাটে অতিরিক্ত টাকা আদায়: ইজারাদারকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা

আপডেট সময় : ০৩:৩১:৪০ অপরাহ্ণ, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলার ঐতিহ্যবাহী নগরকুমারী পশুর হাটে ক্রেতা-বিক্রেতাদের কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা আদায়ের অভিযোগে ইজারাদারকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে বোদা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. রবিউল ইসলামের নেতৃত্বে এই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হয়।আদালত সূত্রে জানা যায়, নগরকুমারী পশুর হাটে পশু কেনাবেচায় সরকারি নিয়ম অমান্য করে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে এ অভিযান চালানো হয়। অভিযানে দেখা যায়, ক্রেতাদের দেওয়া আদায়কৃত রশিদে হাসিলের কোনো পরিমাণ উল্লেখ করা হচ্ছিল না।

সরকারি ভাবে প্রতি গরুর জন্য ৪০০ টাকা নির্ধারিত থাকলেও ক্রেতা ও বিক্রেতাদের কাছ থেকে প্রতি গরুতে অতিরিক্ত ১০০ টাকা করে আদায় করা হচ্ছিল। এছাড়াও ছাগলের হাসিল বাবদ ১৫০ টাকা নেওয়ার নিয়ম থাকলেও ক্রেতাদের কাছ থেকে ১৮০ থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত হাতিয়ে নিচ্ছিল ইজারাদারের লোকজন। পরে অভিযোগের সত্যতা পেয়ে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ও সংশ্লিষ্ট ধারায় ইজারাদারকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে ৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড করা হয়।

হাটে গরু বিক্রি করতে আসা স্থানীয় খামারি করিমুল হক বলেন, “আমরা কষ্ট করে গরু পালি। হাটে নিয়ে আসলে ইজারাদারের লোকজনের দাপটে কথা বলা যায় না। রশিদে টাকার অঙ্ক না লিখে ৪০০ টাকার জায়গায় ৫০০ টাকা দাবি করে। প্রতিবাদ করলে গরু হাট থেকে বের করে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়। আজকের এই জরিমানায় আমরা সাধারণ বিক্রেতারা কিছুটা স্বস্তি পেয়েছি।

পঞ্চগড় থেকে মিলাদের জন্য ছাগল কিনতে আসা সোহেল রানা জানান, এই হাটে দুইটি ছাগল কিনেছি কিন্তু আমার কাছে ২০০ টাকা হারে মোট ৪০০ টাকা মাশুল নিয়েছে। কিন্তু রশীদে এই টাকার উল্লেখ না থাকায় লেখাইকারীর কাছে জানতে চাইলে তারা হাট ইজারাদার এর সাথে।যোগাযোগ করতে বলেন। লেখাই স্থানে কোন মূল্য তালিকাও ছিলনা।

পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতে শুনি ১৫০ টাকা হারে মাশুল আদায়ের নিয়ম।
“দিনাজপুর থেকে গরু কিনতে আসা পাইকারি ব্যবসায়ী আলতাফ হোসেন বলেন, “প্রতিটা গরুতে ১০০ টাকা বেশি নেওয়া মানে আমাদের জন্য বড় লোকসান। তার ওপর রশিদে কোনো টাকার পরিমাণ লেখা থাকে না। প্রশাসনকে ধন্যবাদ যে তারা হাতেনাতে ধরে জরিমানা করেছে। তবে এই নজরদারি যেন নিয়মিত থাকে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রবিউল ইসলাম জানান, সরকারি নির্ধারিত ফি-র চেয়ে এক টাকাও বেশি নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। রশিদে টাকার পরিমাণ না লিখে অতিরিক্ত টাকা আদায় করা স্পষ্ট অপরাধ। জনস্বার্থে এবং বাজার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রশাসনের এই ধরণের ঝটিকা অভিযান ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।