1. admin@kagojerbarta.com : admin :
  2. amirsadeky88@gmail.com : amirsadeky :
  3. faysalajony@gmail.com : FAYSAL AHMED :
  4. kamrul304076@gmail.com : Kamrul :
  5. jamalpurbakshiganj@gmail.com : Kamrulbk :
  6. mdsaimkhanbd7@gmail.com : mdsaimkhan123 :
  7. motin.imran07051986@gmail.com : motin.imran07051986@gmail.com :
  8. seyam2858@gmail.com : seyam :
ঢাকা ০৮:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তানোরে ৪ বছরের শিশু কন্যাকে ধর্ষণ চেষ্টা রামেকে ভর্তি

বকুল হোসেন রাজশাহী (তানোর) প্রতিনিধি
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
৪

রাজশাহীর তানোরে ৪ বছরের শিশু কন্যাকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
বুধবার সকালে ওই শিশু কন্যাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওসিসিতে ভর্তি করা হয়েছে।
এঘটনায় মঙ্গলবার সকালে ওই শিশু কন্যার মা বাদি হয়ে ৩জনকে আসামী করে তানোর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযোগ, পুলিশ ও এলাকাবাসী সুত্রে জানা গেছে, গত রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রামদেবপুর গুচ্ছ গ্রামের সেলিম রেজার পুত্র সবুজ ৬ষ্ঠ শ্রেনীর শিক্ষার্থী (১২) একই এলাকার জনৈক ব্যক্তির শিশু কন্যাকে (৪) খাবারের লোভ দেখিয়ে ঘরে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। এসময় শিশুর মা জানালা দিয়ে এমন দৃশ্য দেখে চিৎকার ও চেচামেচি শুরু করলে দরজা খুলে দিয়ে পালিয়ে যায় ধর্সক সবুজ।

এসময় ধর্ষকের মা ও দাদি শিশু কন্যার চিকিৎসার করার খরচ দেয়ার আশ্বাষ দিয়ে বিষয়টি কাউকে না জানানোর জন্য শিশু কন্যার মাকে বলেন। এদিকে ওই শিশু বাড়িতে এসে অসুস্থ হয়ে পড়ে। এসময় ওই শিশুকে এলাকার প্রাথমিক চিকিৎসা দেযা হয়। তবে, ধর্ষকের মা ও দাদি চিকিৎসা বিষয়ে কোন ধরনের খোঁজ খবর না নিয়ে ধর্ষককে অন্যত্র সরিয়ে দেয়।

মঙ্গলবার সকালে শিশু কন্যার মা তানোর থানায় এসে ধর্ষক সবুজ ও তার মা ও দাদিসহ ৩জনকে আসামী করে তানোর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের প্রেক্ষিকে মুন্ডমালা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এসআই শফিকুল ইসলাম মঙ্গলবার বিকালে ঘটনাস্থলে যান। প্রাথমিক তদন্তে ঘটনার সত্যতা পেলেও তিনি শিশুর মাকে বিষয়টি আপোষ করে নিতে বলে চলে আসেন।

ওই শিশুর অবস্থা বেগতিক দেখে শিশু কন্যাকে বুধবার সকালে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওসিসিতে ভর্তি করেন তার মা। এবিষয়ে অভিযোগ তদন্তকারী অফিসার মুন্ডমালা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এসআই শফিকুল ইসলাম বলেন, প্রাথমিক তদন্তে ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে। বিষয়টি তিনি তানোর থানার অফিসার ইনচার্জ ওসিকে জানিয়েছেন জানিয়ে আপোষ করে নিতে বলার কথা অস্বীকার করেন তিনি।

এবিষয়ে মুঠো ফোনে যোগাযোগ করা হলে অভিযুক্ত ধর্ষক সবুজের পিতা সেলিম রেজা বলেন, আমিসহ মেযের বাবা ও চাচা ফরিদপুরে রাজমিস্ত্রীর কাজে এসেছি। বিষয়টি শুনেছি মেয়ের বাবা বাড়িতে গেলো আমিও যাওযার চেস্টা করছি। আমার ছেলে নানার বাড়িতে থাকে আমার বাড়িতে বেড়াতে এসে এমন ঘটনা ঘটিয়েছে বলে শুনেছি। সত্য মিথ্যে জানিনা বলেও জানান তিনি।

তানোর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহমুদুল হাসান বলেন, অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও জানান তিনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ০২:৫২:০৩ অপরাহ্ণ, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২ বার পড়া হয়েছে

তানোরে ৪ বছরের শিশু কন্যাকে ধর্ষণ চেষ্টা রামেকে ভর্তি

আপডেট সময় : ০২:৫২:০৩ অপরাহ্ণ, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
৪

রাজশাহীর তানোরে ৪ বছরের শিশু কন্যাকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
বুধবার সকালে ওই শিশু কন্যাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওসিসিতে ভর্তি করা হয়েছে।
এঘটনায় মঙ্গলবার সকালে ওই শিশু কন্যার মা বাদি হয়ে ৩জনকে আসামী করে তানোর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযোগ, পুলিশ ও এলাকাবাসী সুত্রে জানা গেছে, গত রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রামদেবপুর গুচ্ছ গ্রামের সেলিম রেজার পুত্র সবুজ ৬ষ্ঠ শ্রেনীর শিক্ষার্থী (১২) একই এলাকার জনৈক ব্যক্তির শিশু কন্যাকে (৪) খাবারের লোভ দেখিয়ে ঘরে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। এসময় শিশুর মা জানালা দিয়ে এমন দৃশ্য দেখে চিৎকার ও চেচামেচি শুরু করলে দরজা খুলে দিয়ে পালিয়ে যায় ধর্সক সবুজ।

এসময় ধর্ষকের মা ও দাদি শিশু কন্যার চিকিৎসার করার খরচ দেয়ার আশ্বাষ দিয়ে বিষয়টি কাউকে না জানানোর জন্য শিশু কন্যার মাকে বলেন। এদিকে ওই শিশু বাড়িতে এসে অসুস্থ হয়ে পড়ে। এসময় ওই শিশুকে এলাকার প্রাথমিক চিকিৎসা দেযা হয়। তবে, ধর্ষকের মা ও দাদি চিকিৎসা বিষয়ে কোন ধরনের খোঁজ খবর না নিয়ে ধর্ষককে অন্যত্র সরিয়ে দেয়।

মঙ্গলবার সকালে শিশু কন্যার মা তানোর থানায় এসে ধর্ষক সবুজ ও তার মা ও দাদিসহ ৩জনকে আসামী করে তানোর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের প্রেক্ষিকে মুন্ডমালা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এসআই শফিকুল ইসলাম মঙ্গলবার বিকালে ঘটনাস্থলে যান। প্রাথমিক তদন্তে ঘটনার সত্যতা পেলেও তিনি শিশুর মাকে বিষয়টি আপোষ করে নিতে বলে চলে আসেন।

ওই শিশুর অবস্থা বেগতিক দেখে শিশু কন্যাকে বুধবার সকালে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওসিসিতে ভর্তি করেন তার মা। এবিষয়ে অভিযোগ তদন্তকারী অফিসার মুন্ডমালা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এসআই শফিকুল ইসলাম বলেন, প্রাথমিক তদন্তে ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে। বিষয়টি তিনি তানোর থানার অফিসার ইনচার্জ ওসিকে জানিয়েছেন জানিয়ে আপোষ করে নিতে বলার কথা অস্বীকার করেন তিনি।

এবিষয়ে মুঠো ফোনে যোগাযোগ করা হলে অভিযুক্ত ধর্ষক সবুজের পিতা সেলিম রেজা বলেন, আমিসহ মেযের বাবা ও চাচা ফরিদপুরে রাজমিস্ত্রীর কাজে এসেছি। বিষয়টি শুনেছি মেয়ের বাবা বাড়িতে গেলো আমিও যাওযার চেস্টা করছি। আমার ছেলে নানার বাড়িতে থাকে আমার বাড়িতে বেড়াতে এসে এমন ঘটনা ঘটিয়েছে বলে শুনেছি। সত্য মিথ্যে জানিনা বলেও জানান তিনি।

তানোর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহমুদুল হাসান বলেন, অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও জানান তিনি।