1. admin@kagojerbarta.com : admin :
  2. amirsadeky88@gmail.com : amirsadeky :
  3. faysalajony@gmail.com : FAYSAL AHMED :
  4. kamrul304076@gmail.com : Kamrul :
  5. jamalpurbakshiganj@gmail.com : Kamrulbk :
  6. mdsaimkhanbd7@gmail.com : mdsaimkhan123 :
  7. motin.imran07051986@gmail.com : motin.imran07051986@gmail.com :
  8. seyam2858@gmail.com : seyam :
ঢাকা ০৫:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মহেশখালীতে দেশীয় বন্দুক ও এলজিসহ গ্রেপ্তার ১

বিশেষ প্রতিনিধি:
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
১৬

হোয়ানকের রাজুয়ার ঘোনায় পুলিশের অভিযান, অস্ত্রের উৎস ও সংশ্লিষ্টদের শনাক্তে তদন্ত।
কক্সবাজারের মহেশখালীতে পুলিশের বিশেষ অভিযানে দেশীয় তৈরি একটি বন্দুক ও একটি এলজিসহ আব্দুল মালেক (৪৫) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার হোয়ানক ইউনিয়নের রাজুয়ার ঘোনা এলাকায় সড়কের একটি কালভার্টের কাছ থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত এ অভিযানে দুটি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। তবে অস্ত্র দুটি কোথা থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে, কী উদ্দেশ্যে বহন করা হচ্ছিল এবং এর সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
মহেশখালী থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুস সুলতানের নেতৃত্বে পিএসআই মোহাম্মদ ইকবাল, এএসআই হারুন মিয়াসহ পুলিশের একটি দল অভিযানটি পরিচালনা করে। অভিযানের সময় আব্দুল মালেকের কাছ থেকে দেশীয় তৈরি একটি বন্দুক ও একটি এলজি উদ্ধার করা হয়।
গ্রেপ্তার আব্দুল মালেক বড় মহেশখালী ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের বড় ডেইল গ্রামের শফিউল আলমের ছেলে।
এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। গ্রেপ্তার ব্যক্তিকে আইনানুগ প্রক্রিয়া শেষে আদালতে সোপর্দ করার কথা রয়েছে।
অস্ত্রের উৎস ও নেপথ্যের তথ্য নিয়ে প্রশ্ন
অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্রের বিস্তার জননিরাপত্তার জন্য উদ্বেগজনক। মহেশখালীর মতো গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় এক ব্যক্তির কাছ থেকে দুটি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় অস্ত্রের উৎস, সরবরাহকারী এবং সম্ভাব্য সহযোগীদের শনাক্তের বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে।
তবে উদ্ধার করা অস্ত্র কোনো অপরাধে ব্যবহৃত হয়েছে কি না, কিংবা এর সঙ্গে কোনো সংঘবদ্ধ চক্রের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কি না, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। তদন্তের মাধ্যমে এসব প্রশ্নের উত্তর বেরিয়ে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।
পুলিশের এ অভিযানকে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হলেও অস্ত্রের প্রকৃত উৎস ও সংশ্লিষ্টদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার বিষয়টিই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ০২:০৫:৩৬ অপরাহ্ণ, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬ ১৩ বার পড়া হয়েছে

মহেশখালীতে দেশীয় বন্দুক ও এলজিসহ গ্রেপ্তার ১

আপডেট সময় : ০২:০৫:৩৬ অপরাহ্ণ, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬
১৬

হোয়ানকের রাজুয়ার ঘোনায় পুলিশের অভিযান, অস্ত্রের উৎস ও সংশ্লিষ্টদের শনাক্তে তদন্ত।
কক্সবাজারের মহেশখালীতে পুলিশের বিশেষ অভিযানে দেশীয় তৈরি একটি বন্দুক ও একটি এলজিসহ আব্দুল মালেক (৪৫) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার হোয়ানক ইউনিয়নের রাজুয়ার ঘোনা এলাকায় সড়কের একটি কালভার্টের কাছ থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত এ অভিযানে দুটি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। তবে অস্ত্র দুটি কোথা থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে, কী উদ্দেশ্যে বহন করা হচ্ছিল এবং এর সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
মহেশখালী থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুস সুলতানের নেতৃত্বে পিএসআই মোহাম্মদ ইকবাল, এএসআই হারুন মিয়াসহ পুলিশের একটি দল অভিযানটি পরিচালনা করে। অভিযানের সময় আব্দুল মালেকের কাছ থেকে দেশীয় তৈরি একটি বন্দুক ও একটি এলজি উদ্ধার করা হয়।
গ্রেপ্তার আব্দুল মালেক বড় মহেশখালী ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের বড় ডেইল গ্রামের শফিউল আলমের ছেলে।
এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। গ্রেপ্তার ব্যক্তিকে আইনানুগ প্রক্রিয়া শেষে আদালতে সোপর্দ করার কথা রয়েছে।
অস্ত্রের উৎস ও নেপথ্যের তথ্য নিয়ে প্রশ্ন
অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্রের বিস্তার জননিরাপত্তার জন্য উদ্বেগজনক। মহেশখালীর মতো গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় এক ব্যক্তির কাছ থেকে দুটি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় অস্ত্রের উৎস, সরবরাহকারী এবং সম্ভাব্য সহযোগীদের শনাক্তের বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে।
তবে উদ্ধার করা অস্ত্র কোনো অপরাধে ব্যবহৃত হয়েছে কি না, কিংবা এর সঙ্গে কোনো সংঘবদ্ধ চক্রের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কি না, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। তদন্তের মাধ্যমে এসব প্রশ্নের উত্তর বেরিয়ে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।
পুলিশের এ অভিযানকে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হলেও অস্ত্রের প্রকৃত উৎস ও সংশ্লিষ্টদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার বিষয়টিই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।