1. admin@kagojerbarta.com : admin :
  2. motalebsenbag1@gmail.com : Md.Abdul Motaleb :
  3. vision3zero@gmail.com : Shahidul islam sharif :
  4. zonebd62@gmail.com : staffreporter202527 :
ঢাকা ০১:১৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করে সুষ্ঠু বিচার দাবি ভুক্তভোগী সাংবাদিকদের

মাদারীপুর প্রতিনিধিঃ বেলায়েত হাওলাদার
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মাদারীপুরের”ডাসার উপজেলা রিপোর্টার্স ইউনিটির”সভাপতি ও দৈনিক বাংলাদেশের আলো পত্রিকার জেলা ও এশিয়ান টেলিভিশনের উপজেলা প্রতিনিধি সাংবাদিক হেমায়েত হোসেন খান এর বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার ও মানহানী করার অভিযোগে সদ্য বহিষ্কারকৃত রিপোর্টার্স ইউনিটির সাংগঠনিক সম্পাদক নাজমুল হাসানের শাস্তির দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে।

বুধবার (১৭ জুন) দুপুরে উপজেলার পাথুরিয়ারপাড় এলাকায় অবস্থিত ডাসার উপজেলা রিপোর্টার্স ইউনিটির কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে সুষ্ঠু বিচারের দাবি করেন ভুক্তভোগী সাংবাদিকরা।

জানা’যায়-ডাসার উপজেলা রিপোর্টার্স ইউনিটির বহিষ্কৃত নাজমুল হাসান পূর্বে ডাসার উপজেলা প্রেসক্লাবের কোষাধ্যক্ষের দায়িত্বে ছিলেন, কিন্তু সে গত-৫ এপ্রিল-২০২৬ ইং তারিখে ডাসার উপজেলা প্রেসক্লাব থেকে অব্যাহতি নিয়ে-১৮ এপ্রিল- ডাসার উপজেলা রিপোর্টার্স ইউনিটির সংগঠনে, আনুষ্ঠানিক ভাবে সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে যোগদান করেন।

এরপর থেকে বহিষ্কৃত নাজমুল হাসান সংগঠনের সহকর্মী সাংবাদিকদের মধ্যে জামাত শিবিরের রাজনৈতিক শিকড় লাগানোর চেষ্টা করে বলে অভিযোগ পাওয়া যায়।

এছাড়াও তিনি ডাসার উপজেলা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে বহাল থাকা অবস্থায়,ডাসার উপজেলা মডেল প্রেসক্লাব নামে একটি whatsapp গুরুপ খুলে রিপোর্টার্স ইউনিটির তথ্য ওই গ্রুপে পাচার করেন বলে অভিযোগ পাওয়া যায়।

এরই প্রেক্ষিতে গত-৬ জুন- সংগঠনের গঠনতন্ত্রের নিয়ম শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে নাজমুল হাসানকে (৭-কার্যদিবসের মধ্যে) কারন দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়,তিনি সাত কার্যদিবসের মধ্যে সন্তোষজনক জবাব দিতে না পারায়, তাকে ১৩ জুন- ডাসার উপজেলা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাংগঠনিক সম্পাদক পদ হইতে স্থায়ী ভাবে বহিষ্কার করা হয়,

বহিষ্কারের পর গত-১৩ জুন শনিবার,১৪ জুন রবিবার .১৬ জুন সোমবার নাজমুল হাসান রিপোর্টার্স ইউনিটির লোগো এবং সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এর ছবি ব্যাবহার করে এ আই এবং অনলাইন পত্রিকায় মিথ্যা নিউজ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম তার Nazmul Hasan নামে ভেরিফাই ফেসবুক আইডি সহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এবং একটি পত্রিকার অনলাইনে”কৃষক লীগ নেতার দখলে সভাপতির পদ,রিপোর্টার্স ইউনিটির ৯ সদস্যের একযোগে পদত্যাগ এই শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ করে যা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট বলে দাবি করেছেন সাংবাদিক হেমায়েত হোসেন খান।

এবিষয়ে সাংবাদিক হেমায়েত হোসেন খান বলেন,আমি দীর্ঘদিন যাবত সুনামের সাথে সাংবাদিকতা করে আসছি আমার এই সুনাম নষ্ট করার জন্য আমার রিপোর্টার্স ইউনিটি থেকে সদ্য বহিষ্কারকৃত সাংগঠনিক সম্পাদক নাজমুল হাসান আমার বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ দৈনিক পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ করে যা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট।

আমি আমার নীতি-নৈতিকতা নিয়ে সামনে এগিয়ে যাবো আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার করে কোন লাভ হবেনা কারণ সত্য লিখতে আমি কখনো ভয় করিনা। পাশাপাশি এই ঘটনার পরে সাংবাদিক ও সুশীল সমাজের অনেকের সাথে আলাপ আলোচনা করেছি তারা আমাকে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ০২:৪৬:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬ ৩ বার পড়া হয়েছে

অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করে সুষ্ঠু বিচার দাবি ভুক্তভোগী সাংবাদিকদের

আপডেট সময় : ০২:৪৬:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬

মাদারীপুরের”ডাসার উপজেলা রিপোর্টার্স ইউনিটির”সভাপতি ও দৈনিক বাংলাদেশের আলো পত্রিকার জেলা ও এশিয়ান টেলিভিশনের উপজেলা প্রতিনিধি সাংবাদিক হেমায়েত হোসেন খান এর বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার ও মানহানী করার অভিযোগে সদ্য বহিষ্কারকৃত রিপোর্টার্স ইউনিটির সাংগঠনিক সম্পাদক নাজমুল হাসানের শাস্তির দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে।

বুধবার (১৭ জুন) দুপুরে উপজেলার পাথুরিয়ারপাড় এলাকায় অবস্থিত ডাসার উপজেলা রিপোর্টার্স ইউনিটির কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে সুষ্ঠু বিচারের দাবি করেন ভুক্তভোগী সাংবাদিকরা।

জানা’যায়-ডাসার উপজেলা রিপোর্টার্স ইউনিটির বহিষ্কৃত নাজমুল হাসান পূর্বে ডাসার উপজেলা প্রেসক্লাবের কোষাধ্যক্ষের দায়িত্বে ছিলেন, কিন্তু সে গত-৫ এপ্রিল-২০২৬ ইং তারিখে ডাসার উপজেলা প্রেসক্লাব থেকে অব্যাহতি নিয়ে-১৮ এপ্রিল- ডাসার উপজেলা রিপোর্টার্স ইউনিটির সংগঠনে, আনুষ্ঠানিক ভাবে সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে যোগদান করেন।

এরপর থেকে বহিষ্কৃত নাজমুল হাসান সংগঠনের সহকর্মী সাংবাদিকদের মধ্যে জামাত শিবিরের রাজনৈতিক শিকড় লাগানোর চেষ্টা করে বলে অভিযোগ পাওয়া যায়।

এছাড়াও তিনি ডাসার উপজেলা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে বহাল থাকা অবস্থায়,ডাসার উপজেলা মডেল প্রেসক্লাব নামে একটি whatsapp গুরুপ খুলে রিপোর্টার্স ইউনিটির তথ্য ওই গ্রুপে পাচার করেন বলে অভিযোগ পাওয়া যায়।

এরই প্রেক্ষিতে গত-৬ জুন- সংগঠনের গঠনতন্ত্রের নিয়ম শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে নাজমুল হাসানকে (৭-কার্যদিবসের মধ্যে) কারন দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়,তিনি সাত কার্যদিবসের মধ্যে সন্তোষজনক জবাব দিতে না পারায়, তাকে ১৩ জুন- ডাসার উপজেলা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাংগঠনিক সম্পাদক পদ হইতে স্থায়ী ভাবে বহিষ্কার করা হয়,

বহিষ্কারের পর গত-১৩ জুন শনিবার,১৪ জুন রবিবার .১৬ জুন সোমবার নাজমুল হাসান রিপোর্টার্স ইউনিটির লোগো এবং সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এর ছবি ব্যাবহার করে এ আই এবং অনলাইন পত্রিকায় মিথ্যা নিউজ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম তার Nazmul Hasan নামে ভেরিফাই ফেসবুক আইডি সহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এবং একটি পত্রিকার অনলাইনে”কৃষক লীগ নেতার দখলে সভাপতির পদ,রিপোর্টার্স ইউনিটির ৯ সদস্যের একযোগে পদত্যাগ এই শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ করে যা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট বলে দাবি করেছেন সাংবাদিক হেমায়েত হোসেন খান।

এবিষয়ে সাংবাদিক হেমায়েত হোসেন খান বলেন,আমি দীর্ঘদিন যাবত সুনামের সাথে সাংবাদিকতা করে আসছি আমার এই সুনাম নষ্ট করার জন্য আমার রিপোর্টার্স ইউনিটি থেকে সদ্য বহিষ্কারকৃত সাংগঠনিক সম্পাদক নাজমুল হাসান আমার বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ দৈনিক পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ করে যা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট।

আমি আমার নীতি-নৈতিকতা নিয়ে সামনে এগিয়ে যাবো আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার করে কোন লাভ হবেনা কারণ সত্য লিখতে আমি কখনো ভয় করিনা। পাশাপাশি এই ঘটনার পরে সাংবাদিক ও সুশীল সমাজের অনেকের সাথে আলাপ আলোচনা করেছি তারা আমাকে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।