1. admin@kagojerbarta.com : admin :
  2. motalebsenbag1@gmail.com : Md.Abdul Motaleb :
  3. vision3zero@gmail.com : Shahidul islam sharif :
  4. zonebd62@gmail.com : staffreporter202527 :
ঢাকা ০২:২৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

টুঙ্গিপাড়ায় পুনঃখননকৃত বারখাল পরিদর্শন

ছাইম খান,গোপালগঞ্জ, প্রতিনিধি:
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া উপজেলার ডুমুরিয়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে পুনঃখনন করা বারখাল পরিদর্শন করেছেন জেলা প্রশাসক মো. আরিফ উজ জামান। ১৯ জুন শুক্রবার বিকেলে নৌকাযোগে তিনি খালের পুরো অংশ ঘুরে দেখেন এবং প্রকল্পের অগ্রগতি ও সম্ভাব্য সুফল নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন।

পরিদর্শন শেষে জেলা প্রশাসক বলেন, সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী দেশের বিভিন্ন খাল পুনরুদ্ধার ও দখলমুক্ত করার কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এর অংশ হিসেবে টুঙ্গিপাড়ার বিভিন্ন দখলকৃত খালও ধাপে ধাপে উন্মুক্ত করা হবে। তিনি জানান, খাল পুনঃখননের মাধ্যমে দেশীয় মাছের উৎপাদন ও সংরক্ষণ বাড়বে এবং কৃষকরা নৌপথ ব্যবহার করে সহজে কৃষিপণ্য পরিবহন করতে পারবেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন টুঙ্গিপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জহিরুল আলম। তিনি বলেন, পরিকল্পনা অনুযায়ী খাল খননের কাজ সম্পন্ন হয়েছে এবং কিছু স্থানে নির্ধারিত গভীরতার চেয়েও বেশি খনন করা হয়েছে। এর ফলে কৃষক, মৎস্যজীবী ও সাধারণ মানুষ সরাসরি উপকৃত হবেন। বিশেষ করে কৃষিপণ্য পরিবহন সহজ হওয়ায় উৎপাদন খরচ কমবে এবং যোগাযোগব্যবস্থা উন্নত হবে।

নৌকায় করে খাল পরিদর্শনের অভিজ্ঞতা জানিয়ে জেলা প্রশাসক বলেন, গ্রামীণ পরিবেশের সঙ্গে তার দীর্ঘদিনের সম্পর্ক রয়েছে। তাই নৌপথে খাল ঘুরে দেখার অভিজ্ঞতা তার কাছে আনন্দদায়ক বলে মনে হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পাকুড়তিয়া বাজার জামে মসজিদ এলাকা থেকে পারঝনঝনিয়া খাল পর্যন্ত প্রায় ১ হাজার ৮০০ মিটার দীর্ঘ বারখাল পুনঃখনন করা হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে নাব্যতা হারানো ও ভরাট হয়ে যাওয়ায় খালটি কৃষক ও মৎস্যজীবীদের জন্য নানা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছিল। পুনঃখননের ফলে পানি ধারণক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়েছে এবং নৌযান চলাচলের সুযোগও তৈরি হয়েছে।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, প্রধানমন্ত্রীর অগ্রাধিকারভিত্তিক কর্মসূচির আওতায় ইজিপিপি (EGPP) প্রকল্পের মাধ্যমে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসের তত্ত্বাবধানে এ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা আশা করছেন, এই উদ্যোগ কৃষি, মৎস্য ও গ্রামীণ পরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

এদিকে স্থানীয় বাসিন্দারা খাল পুনঃখনন কার্যক্রমকে স্বাগত জানিয়েছেন। তাদের মতে, দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হওয়ায় কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, মাছ আহরণের সুযোগ সম্প্রসারণ এবং গ্রামীণ যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ০৬:০৫:০৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬ ২ বার পড়া হয়েছে

টুঙ্গিপাড়ায় পুনঃখননকৃত বারখাল পরিদর্শন

আপডেট সময় : ০৬:০৫:০৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬

গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া উপজেলার ডুমুরিয়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে পুনঃখনন করা বারখাল পরিদর্শন করেছেন জেলা প্রশাসক মো. আরিফ উজ জামান। ১৯ জুন শুক্রবার বিকেলে নৌকাযোগে তিনি খালের পুরো অংশ ঘুরে দেখেন এবং প্রকল্পের অগ্রগতি ও সম্ভাব্য সুফল নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন।

পরিদর্শন শেষে জেলা প্রশাসক বলেন, সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী দেশের বিভিন্ন খাল পুনরুদ্ধার ও দখলমুক্ত করার কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এর অংশ হিসেবে টুঙ্গিপাড়ার বিভিন্ন দখলকৃত খালও ধাপে ধাপে উন্মুক্ত করা হবে। তিনি জানান, খাল পুনঃখননের মাধ্যমে দেশীয় মাছের উৎপাদন ও সংরক্ষণ বাড়বে এবং কৃষকরা নৌপথ ব্যবহার করে সহজে কৃষিপণ্য পরিবহন করতে পারবেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন টুঙ্গিপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জহিরুল আলম। তিনি বলেন, পরিকল্পনা অনুযায়ী খাল খননের কাজ সম্পন্ন হয়েছে এবং কিছু স্থানে নির্ধারিত গভীরতার চেয়েও বেশি খনন করা হয়েছে। এর ফলে কৃষক, মৎস্যজীবী ও সাধারণ মানুষ সরাসরি উপকৃত হবেন। বিশেষ করে কৃষিপণ্য পরিবহন সহজ হওয়ায় উৎপাদন খরচ কমবে এবং যোগাযোগব্যবস্থা উন্নত হবে।

নৌকায় করে খাল পরিদর্শনের অভিজ্ঞতা জানিয়ে জেলা প্রশাসক বলেন, গ্রামীণ পরিবেশের সঙ্গে তার দীর্ঘদিনের সম্পর্ক রয়েছে। তাই নৌপথে খাল ঘুরে দেখার অভিজ্ঞতা তার কাছে আনন্দদায়ক বলে মনে হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পাকুড়তিয়া বাজার জামে মসজিদ এলাকা থেকে পারঝনঝনিয়া খাল পর্যন্ত প্রায় ১ হাজার ৮০০ মিটার দীর্ঘ বারখাল পুনঃখনন করা হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে নাব্যতা হারানো ও ভরাট হয়ে যাওয়ায় খালটি কৃষক ও মৎস্যজীবীদের জন্য নানা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছিল। পুনঃখননের ফলে পানি ধারণক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়েছে এবং নৌযান চলাচলের সুযোগও তৈরি হয়েছে।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, প্রধানমন্ত্রীর অগ্রাধিকারভিত্তিক কর্মসূচির আওতায় ইজিপিপি (EGPP) প্রকল্পের মাধ্যমে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসের তত্ত্বাবধানে এ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা আশা করছেন, এই উদ্যোগ কৃষি, মৎস্য ও গ্রামীণ পরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

এদিকে স্থানীয় বাসিন্দারা খাল পুনঃখনন কার্যক্রমকে স্বাগত জানিয়েছেন। তাদের মতে, দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হওয়ায় কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, মাছ আহরণের সুযোগ সম্প্রসারণ এবং গ্রামীণ যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়েছে।