1. admin@kagojerbarta.com : admin :
ঢাকা ১২:১৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তীরনই নদীতে অবৈধ জালের বিরুদ্ধে অভিযান, জব্দ ২১টি জাল পুড়িয়ে ধ্বংস

আবু সুফিয়ান বাবু, ঠাকুরগাঁও:
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলায় মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণ এবং নদীর প্রাকৃতিক পরিবেশ রক্ষায় ভোররাতে যৌথ অভিযান পরিচালনা করেছে উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা মৎস্য বিভাগ। অভিযানে মাছ আহরণে ব্যবহৃত বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ জাল জব্দ করে ধ্বংস করা হয়েছে।
রবিবার (২১ জুন) ভোর ৪টার দিকে উপজেলার বুনিয়াডাঙ্গী-কাশীপুর এলাকার তীরনই নদীর পানি নিয়ন্ত্রণ সেতুর পরবর্তী অংশে এ অভিযান পরিচালিত হয়। এ সময় নদীর বিভিন্ন স্থান থেকে ১২টি রিংজাল, ৪টি ঘুপসি জাল এবং ৫টি কারেন্ট জাল উদ্ধার করা হয়।
পরে জব্দ করা জালগুলো উপজেলা পরিষদ চত্বরে নিয়ে প্রশাসনের উপস্থিতিতে আগুনে পুড়িয়ে সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস করা হয়, যাতে এগুলো পুনরায় ব্যবহার করা না যায়।
অভিযানে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি), উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা এবং মৎস্য বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, অবৈধ জালের ব্যবহার দেশীয় মাছের প্রজনন ব্যাহত করে এবং নদীর জীববৈচিত্র্যের জন্য হুমকি সৃষ্টি করে। তাই মৎস্যসম্পদ রক্ষা, নদীর পরিবেশ সংরক্ষণ এবং আইন বাস্তবায়নের লক্ষ্যে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও নিয়মিত পরিচালনা করা হবে। পাশাপাশি অবৈধ জাল ব্যবহারকারীদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এই অভিযানকে নদীভিত্তিক মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণে প্রশাসনের চলমান উদ্যোগের অংশ হিসেবে উল্লেখ করেছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ০১:১৩:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬ ১ বার পড়া হয়েছে

তীরনই নদীতে অবৈধ জালের বিরুদ্ধে অভিযান, জব্দ ২১টি জাল পুড়িয়ে ধ্বংস

আপডেট সময় : ০১:১৩:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬

ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলায় মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণ এবং নদীর প্রাকৃতিক পরিবেশ রক্ষায় ভোররাতে যৌথ অভিযান পরিচালনা করেছে উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা মৎস্য বিভাগ। অভিযানে মাছ আহরণে ব্যবহৃত বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ জাল জব্দ করে ধ্বংস করা হয়েছে।
রবিবার (২১ জুন) ভোর ৪টার দিকে উপজেলার বুনিয়াডাঙ্গী-কাশীপুর এলাকার তীরনই নদীর পানি নিয়ন্ত্রণ সেতুর পরবর্তী অংশে এ অভিযান পরিচালিত হয়। এ সময় নদীর বিভিন্ন স্থান থেকে ১২টি রিংজাল, ৪টি ঘুপসি জাল এবং ৫টি কারেন্ট জাল উদ্ধার করা হয়।
পরে জব্দ করা জালগুলো উপজেলা পরিষদ চত্বরে নিয়ে প্রশাসনের উপস্থিতিতে আগুনে পুড়িয়ে সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস করা হয়, যাতে এগুলো পুনরায় ব্যবহার করা না যায়।
অভিযানে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি), উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা এবং মৎস্য বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, অবৈধ জালের ব্যবহার দেশীয় মাছের প্রজনন ব্যাহত করে এবং নদীর জীববৈচিত্র্যের জন্য হুমকি সৃষ্টি করে। তাই মৎস্যসম্পদ রক্ষা, নদীর পরিবেশ সংরক্ষণ এবং আইন বাস্তবায়নের লক্ষ্যে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও নিয়মিত পরিচালনা করা হবে। পাশাপাশি অবৈধ জাল ব্যবহারকারীদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এই অভিযানকে নদীভিত্তিক মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণে প্রশাসনের চলমান উদ্যোগের অংশ হিসেবে উল্লেখ করেছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।