1. admin@kagojerbarta.com : admin :
ঢাকা ১২:১৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মিরসরাইয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ, শিক্ষা কার্যক্রমে ব্যাঘাতের দাবি

নুর নবী রাসেল, মিরসরাই (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলার বামনসুন্দর ফকির আহম্মদ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নাজমুল কবিরের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ, অনিয়মিত উপস্থিতি এবং বিদ্যালয়ের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত করার অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয় সূত্র ও বিদ্যালয় সংশ্লিষ্টদের দাবি, প্রধান শিক্ষক দীর্ঘদিন ধরে নিয়মিত বিদ্যালয়ে উপস্থিত হন না। ফলে সহকারী শিক্ষকদের মাধ্যমে বিদ্যালয়ের কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

সরেজমিনে বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাবের কম্পিউটারগুলো অযত্নে পড়ে রয়েছে। স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত অভিযোগও করেন।

বিদ্যালয়ের এক সহকারী শিক্ষিকা বলেন, “প্রধান শিক্ষক দীর্ঘদিন ধরে নিয়মিত বিদ্যালয়ে আসছেন না। তাঁর অনুপস্থিতিতে বিদ্যালয়ের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।”

একজন সহকারী শিক্ষক দাবি করেন, প্রধান শিক্ষক নিয়মিত বিদ্যালয়ে উপস্থিত থাকেন না এবং তাঁর কাছে বিভিন্ন ব্যক্তির পাওনা অর্থ রয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, প্রধান শিক্ষক নিয়মিত বিদ্যালয়ে না আসায় পাঠদান কার্যক্রমে সমস্যা হচ্ছে। এছাড়া ডিজিটাল ল্যাব থাকলেও তারা কম্পিউটার ব্যবহারের সুযোগ পাচ্ছে না বলে দাবি করে।

এদিকে, এক ভুক্তভোগী জানান, ২০০১ সালের পর থেকে বিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত উন্নয়ন খুব একটা হয়নি। টেবিল-চেয়ার, সিলিং ফ্যান ও শৌচাগারসহ বিভিন্ন সুবিধা সংস্কারের দাবি জানান তিনি।

তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে প্রধান শিক্ষক নাজমুল কবিরের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তাঁর মন্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তীতে প্রকাশ করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ০১:৩০:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬ ৩৩ বার পড়া হয়েছে

মিরসরাইয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ, শিক্ষা কার্যক্রমে ব্যাঘাতের দাবি

আপডেট সময় : ০১:৩০:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬

চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলার বামনসুন্দর ফকির আহম্মদ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নাজমুল কবিরের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ, অনিয়মিত উপস্থিতি এবং বিদ্যালয়ের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত করার অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয় সূত্র ও বিদ্যালয় সংশ্লিষ্টদের দাবি, প্রধান শিক্ষক দীর্ঘদিন ধরে নিয়মিত বিদ্যালয়ে উপস্থিত হন না। ফলে সহকারী শিক্ষকদের মাধ্যমে বিদ্যালয়ের কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

সরেজমিনে বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাবের কম্পিউটারগুলো অযত্নে পড়ে রয়েছে। স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত অভিযোগও করেন।

বিদ্যালয়ের এক সহকারী শিক্ষিকা বলেন, “প্রধান শিক্ষক দীর্ঘদিন ধরে নিয়মিত বিদ্যালয়ে আসছেন না। তাঁর অনুপস্থিতিতে বিদ্যালয়ের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।”

একজন সহকারী শিক্ষক দাবি করেন, প্রধান শিক্ষক নিয়মিত বিদ্যালয়ে উপস্থিত থাকেন না এবং তাঁর কাছে বিভিন্ন ব্যক্তির পাওনা অর্থ রয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, প্রধান শিক্ষক নিয়মিত বিদ্যালয়ে না আসায় পাঠদান কার্যক্রমে সমস্যা হচ্ছে। এছাড়া ডিজিটাল ল্যাব থাকলেও তারা কম্পিউটার ব্যবহারের সুযোগ পাচ্ছে না বলে দাবি করে।

এদিকে, এক ভুক্তভোগী জানান, ২০০১ সালের পর থেকে বিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত উন্নয়ন খুব একটা হয়নি। টেবিল-চেয়ার, সিলিং ফ্যান ও শৌচাগারসহ বিভিন্ন সুবিধা সংস্কারের দাবি জানান তিনি।

তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে প্রধান শিক্ষক নাজমুল কবিরের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তাঁর মন্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তীতে প্রকাশ করা হবে।