1. admin@kagojerbarta.com : admin :
ঢাকা ১২:০১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দুই দফা দাবিতে কুড়িগ্রামে ডাক বিভাগের অনির্দিষ্ঠকালের জন্য ধর্মঘট

মো: কাজল ইসলাম, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি।
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বেতন-ভাতা বৃদ্ধি এবং বিভাগীয় কর্মচারী হিসেবে স্বীকৃতির দাবিতে কুড়িগ্রামে অনির্দিষ্টকালের পূর্ণ ধর্মঘট ও কর্মবিরতি শুরু করেছেন বাংলাদেশ ডাক বিভাগের শাখা ডাকঘরের এক্সট্রা ডিপার্টমেন্টাল (ইডি) কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। একই সাথে তারা কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট দুই দফা দাবি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে স্মারকলিপিও প্রদান করেছেন।

কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে বাংলাদেশ ডাক কর্মচারী ইউনিয়ন, বাংলাদেশ শাখা ডাকঘর কর্মচারী সমিতি এবং বাংলাদেশ শাখা ডাকঘর কর্মচারী ঐক্য পরিষদের যৌথ ব্যানারে সোমবার (৬ জুলাই) থেকে কুড়িগ্রাম প্রধান ডাকঘরের সামনে অবস্থান কর্মসূচি ও কর্মবিরতি পালন করছেন আন্দোলনরত কর্মচারীরা। এ সময় তারা বিভিন্ন দাবিসংবলিত স্লোগান দেন এবং দাবি বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত কর্মসূচি অব্যাহত রাখার ঘোষণা দেন।

আন্দোলনকারীদের দুই দফা দাবির মধ্যে রয়েছে—বর্তমান বাজারদরের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এক্সট্রা ডিপার্টমেন্টাল (ইডি) কর্মচারীদের বেতন-ভাতা তিনগুণ বৃদ্ধি এবং শাখা ডাকঘরের সকল ইডি কর্মচারীকে সরকারি বা বিভাগীয় কর্মচারী হিসেবে পূর্ণ স্বীকৃতি প্রদান।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে ইডি কর্মচারীরা নামমাত্র সম্মানীতে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের দোরগোড়ায় ডাক ও আর্থিক সেবা পৌঁছে দিয়ে আসছেন। বর্তমানে তারা দৈনিক গড়ে প্রায় ১৫০ টাকা, অর্থাৎ মাসিক মাত্র ৪ থেকে ৫ হাজার টাকা ভাতা পান। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির এ সময়ে এই আয়ে পরিবার নিয়ে জীবনযাপন করা অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে। রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করলেও এখনো তাদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত হয়নি বলেও অভিযোগ করেন তারা।

নেতৃবৃন্দ জানান, সারাদেশে প্রায় ৮ হাজার ৫০০টি শাখা ডাকঘরে কর্মরত ২৩ হাজারের বেশি ইডি কর্মচারী একই দাবিতে একযোগে আন্দোলনে অংশ নিয়েছেন। দ্রুত দাবি বাস্তবায়ন করে প্রজ্ঞাপন জারির আহ্বান জানিয়ে তারা বলেন, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট ও কর্মবিরতি অব্যাহত থাকবে।

কর্মসূচির অংশ হিসেবে পরে আন্দোলনরত কর্মচারীরা কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে তাদের দুই দফা দাবি বাস্তবায়নের দাবিতে একটি স্মারকলিপি জমা দেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ০১:৪০:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬ ১ বার পড়া হয়েছে

দুই দফা দাবিতে কুড়িগ্রামে ডাক বিভাগের অনির্দিষ্ঠকালের জন্য ধর্মঘট

আপডেট সময় : ০১:৪০:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬

বেতন-ভাতা বৃদ্ধি এবং বিভাগীয় কর্মচারী হিসেবে স্বীকৃতির দাবিতে কুড়িগ্রামে অনির্দিষ্টকালের পূর্ণ ধর্মঘট ও কর্মবিরতি শুরু করেছেন বাংলাদেশ ডাক বিভাগের শাখা ডাকঘরের এক্সট্রা ডিপার্টমেন্টাল (ইডি) কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। একই সাথে তারা কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট দুই দফা দাবি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে স্মারকলিপিও প্রদান করেছেন।

কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে বাংলাদেশ ডাক কর্মচারী ইউনিয়ন, বাংলাদেশ শাখা ডাকঘর কর্মচারী সমিতি এবং বাংলাদেশ শাখা ডাকঘর কর্মচারী ঐক্য পরিষদের যৌথ ব্যানারে সোমবার (৬ জুলাই) থেকে কুড়িগ্রাম প্রধান ডাকঘরের সামনে অবস্থান কর্মসূচি ও কর্মবিরতি পালন করছেন আন্দোলনরত কর্মচারীরা। এ সময় তারা বিভিন্ন দাবিসংবলিত স্লোগান দেন এবং দাবি বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত কর্মসূচি অব্যাহত রাখার ঘোষণা দেন।

আন্দোলনকারীদের দুই দফা দাবির মধ্যে রয়েছে—বর্তমান বাজারদরের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এক্সট্রা ডিপার্টমেন্টাল (ইডি) কর্মচারীদের বেতন-ভাতা তিনগুণ বৃদ্ধি এবং শাখা ডাকঘরের সকল ইডি কর্মচারীকে সরকারি বা বিভাগীয় কর্মচারী হিসেবে পূর্ণ স্বীকৃতি প্রদান।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে ইডি কর্মচারীরা নামমাত্র সম্মানীতে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের দোরগোড়ায় ডাক ও আর্থিক সেবা পৌঁছে দিয়ে আসছেন। বর্তমানে তারা দৈনিক গড়ে প্রায় ১৫০ টাকা, অর্থাৎ মাসিক মাত্র ৪ থেকে ৫ হাজার টাকা ভাতা পান। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির এ সময়ে এই আয়ে পরিবার নিয়ে জীবনযাপন করা অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে। রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করলেও এখনো তাদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত হয়নি বলেও অভিযোগ করেন তারা।

নেতৃবৃন্দ জানান, সারাদেশে প্রায় ৮ হাজার ৫০০টি শাখা ডাকঘরে কর্মরত ২৩ হাজারের বেশি ইডি কর্মচারী একই দাবিতে একযোগে আন্দোলনে অংশ নিয়েছেন। দ্রুত দাবি বাস্তবায়ন করে প্রজ্ঞাপন জারির আহ্বান জানিয়ে তারা বলেন, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট ও কর্মবিরতি অব্যাহত থাকবে।

কর্মসূচির অংশ হিসেবে পরে আন্দোলনরত কর্মচারীরা কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে তাদের দুই দফা দাবি বাস্তবায়নের দাবিতে একটি স্মারকলিপি জমা দেন।