1. admin@kagojerbarta.com : admin :
ঢাকা ১২:০২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভোরের বৃষ্টিতে দোহারে পানি জট : পরীক্ষা স্থগিত, ভোগান্তিতে মানুষ

শহীদুল ইসলাম শরীফ, স্টাফ রিপোর্টার
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ঢাকার দোহার উপজেলায় বিরূপ আবহাওয়া ও ভারী প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। আজ রোববার (১২ জুলাই, ২০২৬) ভোর থেকে শুরু হওয়া টানা মুষলধারে বৃষ্টির ফলে উপজেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাঘাট এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রাঙ্গণ প্লাবিত হয়ে তীব্র জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। আকস্মিক এই পরিস্থিতির কারণে উপজেলার বিভিন্ন স্কুল ও মাদ্রাসার চলমান পরীক্ষা স্থগিত করতে বাধ্য হয়েছে কর্তৃপক্ষ।
স্থানীয় সূত্র জানায়, ভোরে হঠাৎ করেই আকাশ মেঘাচ্ছন্ন হয়ে পড়ে এবং ধেয়ে আসে তীব্র ঝড়ো হাওয়াসহ প্রবল বৃষ্টিপাত। মাত্র কয়েক ঘণ্টার টানা বর্ষণেই দোহারের প্রধান প্রধান সড়কসহ বিভিন্ন গ্রামীণ রাস্তাঘাট পানির নিচে তলিয়ে যায়। ড্রেনেজ ব্যবস্থার অপ্রতুলতার কারণে পানি নিষ্কাশন বাধাগ্রস্ত হওয়ায় মুহূর্তের মধ্যেই বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মাঠে ও বারান্দায় হাঁটু সমান পানি জমে যায়।
প্রাকৃতিক এই দুর্যোগ ও জলাবদ্ধতার কারণে শিক্ষার্থীদের পক্ষে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যাতায়াত করা অসম্ভব হয়ে পড়ে। ফলস্বরূপ, ছাত্র-ছাত্রী ও অভিভাবকদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে জরুরি ভিত্তিতে বিভিন্ন স্কুল ও মাদ্রাসার আজকের (রোববার) নির্ধারিত পরীক্ষা স্থগিতের ঘোষণা দেওয়া হয়। পরীক্ষা কেবল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানই নয়, এই জলাবদ্ধতার প্রভাব পড়েছে সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রাতেও। রাস্তাঘাট তলিয়ে যাওয়ায় সকাল থেকে যাতায়াতে চরম বিঘ্ন ঘটছে। জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হওয়া অফিসগামী মানুষ ও সাধারণ পথচারীরা পড়েছেন চরম বিপাকে। যান চলাচল সীমিত হয়ে পড়ায় অনেককে দীর্ঘক্ষণ রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে। নিচু এলাকার বেশ কিছু বাসাবাড়ি ও ব্যাবসা প্রতিষ্ঠানেও পানি ঢুকে পড়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে। স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করে বলেন, “অল্প বৃষ্টিতেই দোহারের বিভিন্ন এলাকায় পানি জমে যায়। আজ ভোর থেকে যে পরিমাণ মুষলধারে বৃষ্টি হয়েছে, তাতে ড্রেনগুলো দিয়ে পানি সরতে পারছে না। দ্রুত এই পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না করা হলে দুর্ভোগ আরও বাড়বে।”
উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। আবহাওয়া স্বাভাবিক হলে এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে পানি নেমে গেলে পুনরায় পরীক্ষার নতুন সময়সূচি ঘোষণা করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ০১:৩৬:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬ ০ বার পড়া হয়েছে

ভোরের বৃষ্টিতে দোহারে পানি জট : পরীক্ষা স্থগিত, ভোগান্তিতে মানুষ

আপডেট সময় : ০১:৩৬:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬

ঢাকার দোহার উপজেলায় বিরূপ আবহাওয়া ও ভারী প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। আজ রোববার (১২ জুলাই, ২০২৬) ভোর থেকে শুরু হওয়া টানা মুষলধারে বৃষ্টির ফলে উপজেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাঘাট এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রাঙ্গণ প্লাবিত হয়ে তীব্র জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। আকস্মিক এই পরিস্থিতির কারণে উপজেলার বিভিন্ন স্কুল ও মাদ্রাসার চলমান পরীক্ষা স্থগিত করতে বাধ্য হয়েছে কর্তৃপক্ষ।
স্থানীয় সূত্র জানায়, ভোরে হঠাৎ করেই আকাশ মেঘাচ্ছন্ন হয়ে পড়ে এবং ধেয়ে আসে তীব্র ঝড়ো হাওয়াসহ প্রবল বৃষ্টিপাত। মাত্র কয়েক ঘণ্টার টানা বর্ষণেই দোহারের প্রধান প্রধান সড়কসহ বিভিন্ন গ্রামীণ রাস্তাঘাট পানির নিচে তলিয়ে যায়। ড্রেনেজ ব্যবস্থার অপ্রতুলতার কারণে পানি নিষ্কাশন বাধাগ্রস্ত হওয়ায় মুহূর্তের মধ্যেই বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মাঠে ও বারান্দায় হাঁটু সমান পানি জমে যায়।
প্রাকৃতিক এই দুর্যোগ ও জলাবদ্ধতার কারণে শিক্ষার্থীদের পক্ষে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যাতায়াত করা অসম্ভব হয়ে পড়ে। ফলস্বরূপ, ছাত্র-ছাত্রী ও অভিভাবকদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে জরুরি ভিত্তিতে বিভিন্ন স্কুল ও মাদ্রাসার আজকের (রোববার) নির্ধারিত পরীক্ষা স্থগিতের ঘোষণা দেওয়া হয়। পরীক্ষা কেবল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানই নয়, এই জলাবদ্ধতার প্রভাব পড়েছে সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রাতেও। রাস্তাঘাট তলিয়ে যাওয়ায় সকাল থেকে যাতায়াতে চরম বিঘ্ন ঘটছে। জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হওয়া অফিসগামী মানুষ ও সাধারণ পথচারীরা পড়েছেন চরম বিপাকে। যান চলাচল সীমিত হয়ে পড়ায় অনেককে দীর্ঘক্ষণ রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে। নিচু এলাকার বেশ কিছু বাসাবাড়ি ও ব্যাবসা প্রতিষ্ঠানেও পানি ঢুকে পড়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে। স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করে বলেন, “অল্প বৃষ্টিতেই দোহারের বিভিন্ন এলাকায় পানি জমে যায়। আজ ভোর থেকে যে পরিমাণ মুষলধারে বৃষ্টি হয়েছে, তাতে ড্রেনগুলো দিয়ে পানি সরতে পারছে না। দ্রুত এই পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না করা হলে দুর্ভোগ আরও বাড়বে।”
উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। আবহাওয়া স্বাভাবিক হলে এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে পানি নেমে গেলে পুনরায় পরীক্ষার নতুন সময়সূচি ঘোষণা করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।