1. admin@kagojerbarta.com : admin :
  2. amirsadeky88@gmail.com : amirsadeky :
  3. faysalajony@gmail.com : FAYSAL AHMED :
  4. kamrul304076@gmail.com : Kamrul :
  5. jamalpurbakshiganj@gmail.com : Kamrulbk :
  6. mdsaimkhanbd7@gmail.com : mdsaimkhan123 :
  7. motin.imran07051986@gmail.com : motin.imran07051986@gmail.com :
  8. seyam2858@gmail.com : seyam :
ঢাকা ০৮:৩১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চরভদ্রাসনে চাহিদামতো সার পাচ্ছে না অধিক মূল্য সার বিক্রি কৃত্রিম সংকটের আশঙ্কা

ফরিদপুর জেলা প্রতিনিধি: আব্দুস সালাম মোল্লা
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
২২

মৌসুমের শুরুতেই চাহিদামতো সার না পেয়ে ফরিদপুরের চরভদ্রাসনে রবিশস্য উৎপাদন নিয়ে হতাশ হয়ে পড়েছেন কৃষকেরা।
মঙ্গলবার উপজেলার চরহাজীগঞ্জ বাজারে সার কিনতে গিয়ে কৃষকদের এমন অভিযোগের কথা জানা গেছে।

কৃষকদের অভিযোগ, চর হরিরামপুর ইউনিয়ন ও ৪নং গাজীরটেক ইউনিয়নের কৃষকেরা সরিষা, পেঁয়াজ ও আগাম ভুট্টাসহ বিভিন্ন রবিশস্য চাষের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এ জন্য প্রয়োজনীয় সার কিনতে স্থানীয় ডিলারদের কাছে গেলে চাহিদা অনুযায়ী সার না দিয়ে অনেক ক্ষেত্রে এক-দুই বস্তা করে সার দেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে দুই থেকে তিন হাজার টাকার কীটনাশক বা অন্যান্য কৃষি উপকরণ কিনতে চাপ দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেছেন কয়েকজন কৃষক।

কৃষকদের ভাষ্য, মৌসুমের শুরুতেই সার নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দেওয়ায় অনেকে বাড়তি টাকা দিয়ে সার সংগ্রহ করতে বাধ্য হচ্ছেন। কেউ কেউ ডিলারদের নির্ধারিত দামের চেয়ে বস্তাপ্রতি দুই-তিনশ টাকা বেশি দিয়ে সার নিচ্ছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।

কৃষকেরা বলছেন, রবিশস্যের আবাদ শুরুর গুরুত্বপূর্ণ সময়ে প্রয়োজনীয় সার না পেলে চাষাবাদ ব্যাহত হতে পারে। এতে উৎপাদন খরচ বাড়ার পাশাপাশি সময়মতো জমিতে সার প্রয়োগ করতে না পারায় ফলনও কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

স্থানীয় কৃষকদের অভিযোগ, বাজারে কৃত্রিমভাবে সারের সংকট তৈরি করে বাড়তি দামে সার বিক্রির সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। এ বিষয়ে স্থানীয় কৃষি বিভাগের তদারকি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তারা। কৃষকদের অভিযোগ, সার সরবরাহ ও বিতরণ ব্যবস্থায় যথাযথ নজরদারি না থাকায় কিছু ডিলার অনিয়মের সুযোগ পাচ্ছেন।

তবে কৃষি বিভাগের কোনো কর্মকর্তা বা সংশ্লিষ্ট ডিলারদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন কৃষকেরা। তাদের দাবি, দ্রুত বাজারে পর্যাপ্ত সার সরবরাহ নিশ্চিত করা, নির্ধারিত মূল্যে সার বিক্রি হচ্ছে কি না তাৃ তদারকি করা এবং অনিয়মের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হোক।
এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ইমরান হোসেন বলেন, “মৌসুমের শুরুতে কৃষকেরা প্রয়োজনের তুলনায় বেশি সার কিনে মজুত করলে পুরো মৌসুমে সারের সংকট দেখা দিতে পারে। এ কারণে কৃষকদের মধ্যে সুষমভাবে সার বিতরণের জন্য প্রয়োজন অনুযায়ী কম পরিমাণে সার দেওয়া হচ্ছে। তবে কৃষকের চাহিদা অনুযায়ী সার সরবরাহ নিশ্চিত করার বিষয়টি আমরা তদারকি করছি।”

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ০৪:৪৩:৪৯ পূর্বাহ্ণ, বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬ ১৭ বার পড়া হয়েছে

চরভদ্রাসনে চাহিদামতো সার পাচ্ছে না অধিক মূল্য সার বিক্রি কৃত্রিম সংকটের আশঙ্কা

আপডেট সময় : ০৪:৪৩:৪৯ পূর্বাহ্ণ, বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬
২২

মৌসুমের শুরুতেই চাহিদামতো সার না পেয়ে ফরিদপুরের চরভদ্রাসনে রবিশস্য উৎপাদন নিয়ে হতাশ হয়ে পড়েছেন কৃষকেরা।
মঙ্গলবার উপজেলার চরহাজীগঞ্জ বাজারে সার কিনতে গিয়ে কৃষকদের এমন অভিযোগের কথা জানা গেছে।

কৃষকদের অভিযোগ, চর হরিরামপুর ইউনিয়ন ও ৪নং গাজীরটেক ইউনিয়নের কৃষকেরা সরিষা, পেঁয়াজ ও আগাম ভুট্টাসহ বিভিন্ন রবিশস্য চাষের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এ জন্য প্রয়োজনীয় সার কিনতে স্থানীয় ডিলারদের কাছে গেলে চাহিদা অনুযায়ী সার না দিয়ে অনেক ক্ষেত্রে এক-দুই বস্তা করে সার দেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে দুই থেকে তিন হাজার টাকার কীটনাশক বা অন্যান্য কৃষি উপকরণ কিনতে চাপ দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেছেন কয়েকজন কৃষক।

কৃষকদের ভাষ্য, মৌসুমের শুরুতেই সার নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দেওয়ায় অনেকে বাড়তি টাকা দিয়ে সার সংগ্রহ করতে বাধ্য হচ্ছেন। কেউ কেউ ডিলারদের নির্ধারিত দামের চেয়ে বস্তাপ্রতি দুই-তিনশ টাকা বেশি দিয়ে সার নিচ্ছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।

কৃষকেরা বলছেন, রবিশস্যের আবাদ শুরুর গুরুত্বপূর্ণ সময়ে প্রয়োজনীয় সার না পেলে চাষাবাদ ব্যাহত হতে পারে। এতে উৎপাদন খরচ বাড়ার পাশাপাশি সময়মতো জমিতে সার প্রয়োগ করতে না পারায় ফলনও কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

স্থানীয় কৃষকদের অভিযোগ, বাজারে কৃত্রিমভাবে সারের সংকট তৈরি করে বাড়তি দামে সার বিক্রির সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। এ বিষয়ে স্থানীয় কৃষি বিভাগের তদারকি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তারা। কৃষকদের অভিযোগ, সার সরবরাহ ও বিতরণ ব্যবস্থায় যথাযথ নজরদারি না থাকায় কিছু ডিলার অনিয়মের সুযোগ পাচ্ছেন।

তবে কৃষি বিভাগের কোনো কর্মকর্তা বা সংশ্লিষ্ট ডিলারদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন কৃষকেরা। তাদের দাবি, দ্রুত বাজারে পর্যাপ্ত সার সরবরাহ নিশ্চিত করা, নির্ধারিত মূল্যে সার বিক্রি হচ্ছে কি না তাৃ তদারকি করা এবং অনিয়মের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হোক।
এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ইমরান হোসেন বলেন, “মৌসুমের শুরুতে কৃষকেরা প্রয়োজনের তুলনায় বেশি সার কিনে মজুত করলে পুরো মৌসুমে সারের সংকট দেখা দিতে পারে। এ কারণে কৃষকদের মধ্যে সুষমভাবে সার বিতরণের জন্য প্রয়োজন অনুযায়ী কম পরিমাণে সার দেওয়া হচ্ছে। তবে কৃষকের চাহিদা অনুযায়ী সার সরবরাহ নিশ্চিত করার বিষয়টি আমরা তদারকি করছি।”