শেরপুরের গর্ব সেন্টু কুমার হাজং, গবেষণায় উদ্ভাবন করেছেন ২৫ জাতের ধান
নীরবে-নিভৃতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন তিনি। গবেষণা, উদ্ভাবন ও দেশীয় কৃষি ঐতিহ্য সংরক্ষণে তাঁর অবদান শেরপুরের জন্য গর্বের। তিনি সেন্টু কুমার হাজং। নিজের গবেষণাকর্মের মাধ্যমে ২৫টি ধানের জাত উদ্ভাবনের পাশাপাশি শেরপুরের হাজার বছরের ঐতিহ্যবাহী দেশীয় ধানের জাত সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছেন তিনি।
কৃষি গবেষণা ও দেশীয় ধানের বৈচিত্র্য রক্ষায় তাঁর এই উদ্যোগ স্থানীয় কৃষি ঐতিহ্য সংরক্ষণে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। দেশীয় ধানের জাত শুধু কৃষকের খাদ্যনিরাপত্তার অংশ নয়, বরং এটি একটি অঞ্চলের ইতিহাস, সংস্কৃতি ও কৃষিভিত্তিক জীবনযাত্রারও গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন।
সেন্টু কুমার হাজংয়ের গবেষণা ও সংরক্ষণ কার্যক্রমের ফলে দেশীয় ধানের জাতগুলো সম্পর্কে নতুন করে জানার এবং সেগুলো ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য টিকিয়ে রাখার সুযোগ তৈরি হচ্ছে।
নীরবে কাজ করে যাওয়া এই মানুষটির অবদান যথাযথভাবে তুলে ধরা প্রয়োজন। তাঁর গবেষণা, উদ্ভাবন ও ঐতিহ্য সংরক্ষণের প্রচেষ্টা শেরপুরের কৃষি খাতের জন্য সম্ভাবনার নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে পারে।
সেন্টু কুমার হাজংয়ের মতো নিবেদিতপ্রাণ গবেষকদের কাজের স্বীকৃতি ও তাঁদের উদ্যোগে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা নিশ্চিত করা গেলে দেশীয় কৃষি ঐতিহ্য সংরক্ষণ এবং কৃষির উন্নয়নে আরও ইতিবাচক ভূমিকা রাখা সম্ভব হবে।



























