মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবায় গোপালগঞ্জকে এগিয়ে নিতে চান ডা. কে এম বাবর
গোপালগঞ্জে উন্নত ও মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে আধুনিক বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন গোপালগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য ও চিকিৎসক ডা. কে এম বাবর। তিনি বলেন, জেলার মানুষকে উন্নত চিকিৎসার জন্য এখনো ঢাকাসহ দূরবর্তী শহরে ছুটতে হয়, যা রোগী ও তাদের পরিবারের জন্য বাড়তি ভোগান্তি ও আর্থিক চাপের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
শনিবার (২০ জুন) বাংলাদেশ প্রাইভেট হসপিটাল, ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক অ্যাসোসিয়েশন (বিপিএইচসিডিএ) গোপালগঞ্জ জেলা শাখার বার্ষিক সাধারণ সভা ও দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন-২০২৬-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ডা. কে এম বাবর বলেন, আধুনিক অবকাঠামো, দক্ষ চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মী এবং উন্নত প্রযুক্তির সমন্বয় ঘটাতে পারলে গোপালগঞ্জেই উন্নত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা সম্ভব। এ লক্ষ্যে বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা খাতকে আরও কার্যকর, যুগোপযোগী ও জনবান্ধব হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।
জেলা শাখার সভাপতি ডা. বি. এম. মনিরুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডা. মো. মুরসাদ্দেক হোসেন বিশ্বাস (ডাম্বেল), গোপালগঞ্জের পুলিশ সুপার মো. হাবীবুল্লাহ এবং অধ্যাপক ডা. হুমায়ুন কবির। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ডা. গৌতম কুমার বাগচী।
সম্মেলনের দ্বিতীয় অধিবেশনে সর্বসম্মতিক্রমে ২৯ সদস্যবিশিষ্ট নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি ঘোষণা করা হয়। এতে ডা. কে এম বাবর সভাপতি এবং ময়েনুর রহমান হিটু সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন।
নবগঠিত কমিটির অন্যান্য সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন সহসভাপতি ডা. বি. এম. মনিরুজ্জামান, ডা. গৌতম কুমার বাগচী ও কাজী শাহিনুর রশিদ শাহিন; যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ এনামুল হক মুনীর; কোষাধ্যক্ষ মো. আব্দুল আলিম; সাংগঠনিক সম্পাদক মিন্টু শিকদার; দপ্তর সম্পাদক ডিএইচএম তোফাজ্জল হুসাইন; সমাজকল্যাণ সম্পাদক আবু ওবায়েত মোল্লা এবং প্রচার সম্পাদক তন্ময় কুমার বালা মিহির।
সম্মেলনে জেলার বিভিন্ন হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মালিক, চিকিৎসক, উদ্যোক্তা এবং স্বাস্থ্যসেবা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা অংশ নেন। এছাড়া বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতারাও উপস্থিত ছিলেন।
বক্তারা বলেন, দেশের স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়নে সরকারি ও বেসরকারি খাতের সমন্বিত উদ্যোগের কোনো বিকল্প নেই। সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে সকল পক্ষকে একযোগে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তারা।

























