1. admin@kagojerbarta.com : admin :
ঢাকা ০১:১৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঋণের চাপে মানসিক অবসাদ, টুঙ্গিপাড়ায় প্রধান শিক্ষকের আত্মহত্যা

ছাইম খান গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি:
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় ঋণের বোঝা সইতে না পেরে বিদ্যুৎ কান্তি রায় (৫৮) নামে এক প্রধান শিক্ষক আত্মহত্যা করেছেন বলে জানা গেছে। তিনি উপজেলার পাটগাতী মুন্সীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

রোববার (২১ জুন) ভোর ৪টার দিকে উপজেলার পাটগাতী ইউনিয়নের দারিয়ারকুল গ্রামে নিজ বাড়ির বাইরে তাকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়।

টুঙ্গিপাড়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মোসলেম আলী জানান, পরিবার ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, বিদ্যুৎ কান্তি রায় দীর্ঘদিন ধরে ঋণের চাপে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ছিলেন। এ কারণে তিনি আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়ে থাকতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সকালে স্থানীয়রা বাড়ির বাইরে একটি গাছে তার মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।

পুলিশ জানায়, এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করা হয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। সহকর্মী, শিক্ষার্থী ও স্থানীয় বাসিন্দারা প্রধান শিক্ষকের আকস্মিক মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ১০:৪৩:১৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬ ৫ বার পড়া হয়েছে

ঋণের চাপে মানসিক অবসাদ, টুঙ্গিপাড়ায় প্রধান শিক্ষকের আত্মহত্যা

আপডেট সময় : ১০:৪৩:১৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬

গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় ঋণের বোঝা সইতে না পেরে বিদ্যুৎ কান্তি রায় (৫৮) নামে এক প্রধান শিক্ষক আত্মহত্যা করেছেন বলে জানা গেছে। তিনি উপজেলার পাটগাতী মুন্সীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

রোববার (২১ জুন) ভোর ৪টার দিকে উপজেলার পাটগাতী ইউনিয়নের দারিয়ারকুল গ্রামে নিজ বাড়ির বাইরে তাকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়।

টুঙ্গিপাড়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মোসলেম আলী জানান, পরিবার ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, বিদ্যুৎ কান্তি রায় দীর্ঘদিন ধরে ঋণের চাপে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ছিলেন। এ কারণে তিনি আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়ে থাকতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সকালে স্থানীয়রা বাড়ির বাইরে একটি গাছে তার মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।

পুলিশ জানায়, এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করা হয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। সহকর্মী, শিক্ষার্থী ও স্থানীয় বাসিন্দারা প্রধান শিক্ষকের আকস্মিক মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।