কুড়িগ্রামে সুপারি বাগানে গোপনে গাঁজার চাষ, পুলিশের অভিযান উদ্ধার গাঁজার গাছ
কুড়িগ্রামের ভুরুঙ্গামারী উপজেলায় সুপারির বাগানের নেপথ্যে সন্ধান মিললো গাঁজা চাষের। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করেন পুলিশ।
বুধবার ১ জুলাই কুড়িগ্রাম ভুরুঙ্গামারী উপজেলার তিলাই ইউনিয়নের পশ্চিম ছাটগোপালপুর গ্রামে দুপুরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করেন ভুরুঙ্গামারী থানার পুলিশ। জানা যায়, ওই গ্রামের মো: শবেদ আলীর ছেলে মো: মাজেদুল ইসলাম মঞ্জুর পৃথক দুটি সুপারির বাগান থেকে কিছু সংখ্যক গাঁজার গাছ উদ্ধার করে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভূরুঙ্গামারী পুলিশ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন মুন এবং ভূরুঙ্গামারী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আজিম উদ্দিন-এর নেতৃত্বে মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে মাদক ব্যবসায়ী হিসেবে অভিযুক্ত মো: মাজেদুল ইসলাম মঞ্জু- এর দুটি পৃথক সুপারি বাগান থেকে প্রায় ১২ ফুট উচ্চতার দুটি এবং প্রায় ২ ফুট উচ্চতার আরও দুটি গাঁজা গাছ জব্দ করা হয়। তবে অভিযুক্ত ব্যক্তি বাড়িতে না থাকায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন অনুযায়ী মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানা যায় পুলিশ সূত্রে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, মাজেদুল ইসলাম মঞ্জু দীর্ঘদিন ধরে গোপনে গাঁজা চাষ করে আসছিলেন। তিনি এলাকায় একজন মাদকাসক্ত ও মাদকসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত।
ভূরুঙ্গামারী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো: আজিম উদ্দিন বলেন, মাদক ব্যবসায়ী ও মাদকাসক্তদের বিরুদ্ধে পুলিশের নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে। মাদকের সঙ্গে জড়িত কাউকেই কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না।
ভূরুঙ্গামারী পুলিশ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন মুন বলেন, ভারতীয় সীমান্তসংলগ্ন এলাকায় বিস্তীর্ণ সুপারি বাগান থাকায় কিছু মাদক কারবারি এসব বাগানকে আড়াল হিসেবে ব্যবহার করে গাঁজার চাষ করছে। তাদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে নিয়মিত গোয়েন্দা নজরদারি ও অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের জিরো টলারেন্স অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।


















