1. admin@kagojerbarta.com : admin :
ঢাকা ০১:২০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আলিপুরে দৃষ্টিনন্দন ‘পীরে কেবলা মাহবুব আলম চিশতি’ মসজিদ, প্রতিদিন ভিড় করছে দর্শনার্থীরা

মোঃ হারুন অর রশিদ মহাদেবপুর (নওগাঁ) প্রতিনিধি:
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলার প্রত্যন্ত গ্রাম চান্দা আলিপুরে নির্মিত দৃষ্টিনন্দন ‘পীরে কেবলা মাহবুব আলম চিশতি’ মসজিদ এখন স্থানীয়দের গর্বের প্রতীক। আধুনিক স্থাপত্যশৈলী, নান্দনিক নকশা এবং উন্নত সুযোগ-সুবিধার কারণে প্রতিদিনই জেলা ও জেলার বাইরে থেকে শত শত ধর্মপ্রাণ মুসল্লি ও দর্শনার্থী মসজিদটি দেখতে এবং নামাজ আদায় করতে ছুটে আসছেন।

সবুজে ঘেরা শান্ত গ্রামীণ পরিবেশের মাঝে শ্বেতশুভ্র এই মসজিদ দূর থেকেই সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করে। স্থানীয় একজন বুজুর্গ পীরের নামে নামকরণ করা হয়েছে মসজিদটির।
মসজিদের ইতিহাস ও নির্মাণ

স্থানীয় প্রবীণ বাসিন্দা ও মসজিদ পরিচালনা কমিটি সূত্রে জানা যায়, আলিপুর গ্রামে আগে একটি পুরোনো ও জরাজীর্ণ মসজিদ ছিল। স্থান সংকুলান ও আধুনিক সুবিধার অভাবের কারণে নতুন একটি দৃষ্টিনন্দন ও স্থায়ী মসজিদ নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়।

স্থানীয়দের উদ্যোগে ২০২০ সালে সাবেক সংসদ সদস্য সলিম উদ্দিন তরফদারের সহযোগিতায় নির্মাণকাজ শুরু হয়। কয়েক বছরের নিরলস প্রচেষ্টায় মসজিদটি বর্তমান আধুনিক রূপ লাভ করে। স্থানীয়দের ভাষ্য, এটি শুধু একটি মসজিদ নয়; বরং এলাকার ধর্মীয় চর্চা, সামাজিক ঐক্য এবং সৌন্দর্যের এক অনন্য নিদর্শন।

নান্দনিক স্থাপত্য ও আধুনিক সুযোগ-সুবিধা
সরেজমিনে দেখা যায়, মসজিদটির সমসাময়িক (Contemporary) ও মিনিমালিস্টিক স্থাপত্যশৈলী দর্শনার্থীদের মুগ্ধ করছে। প্রথাগত নকশার বাইরে আধুনিক জ্যামিতিক কারুকাজ ব্যবহার করা হয়েছে, যা আলো-বাতাস চলাচলেও সহায়ক। বিশাল মিনার ও শ্বেতশুভ্র গম্বুজ মসজিদটির সৌন্দর্য আরও বাড়িয়ে তুলেছে।

মসজিদের বর্তমান পরিচালনাকারী আবুল কালাম আজাদ বলেন, “মসজিদটির নান্দনিক সৌন্দর্য দেখতে প্রতিদিন অনেক মানুষ আসেন। এতে এলাকার মানুষ গর্ববোধ করেন।”
মসজিদের ভেতরে ও বাইরে উচ্চমানের মার্বেল পাথর ও আধুনিক টাইলস ব্যবহার করা হয়েছে। মুসল্লিদের সুবিধার্থে রয়েছে সুপরিসর অজুখানা, শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ (এসি) ব্যবস্থা, ডিজিটাল সাউন্ড সিস্টেম, পর্যাপ্ত আলো-বাতাসের জন্য বিশেষ ভেন্টিলেশন এবং রাতের বেলায় দৃষ্টিনন্দন আলোকসজ্জা।

দর্শনার্থীদের আগ্রহ বাড়ছে
মসজিদটির ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই এর জনপ্রিয়তা বাড়তে থাকে।

বিশেষ করে জুমার দিন ও বিকেলে বিভিন্ন জেলা থেকে মানুষ ব্যক্তিগত গাড়ি ও মোটরসাইকেলে করে এখানে আসছেন।

নামাজ আদায় করতে আসা এক দর্শনার্থী বলেন, “ফেসবুকে মসজিদটির ছবি দেখে এখানে আসার ইচ্ছা হয়েছিল। আজ এসে নামাজ আদায় করলাম।

গ্রামীণ পরিবেশে এত সুন্দর, আধুনিক ও শান্ত পরিবেশের একটি মসজিদ সত্যিই প্রশংসার

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ০১:৪২:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬ ৬ বার পড়া হয়েছে

আলিপুরে দৃষ্টিনন্দন ‘পীরে কেবলা মাহবুব আলম চিশতি’ মসজিদ, প্রতিদিন ভিড় করছে দর্শনার্থীরা

আপডেট সময় : ০১:৪২:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬

নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলার প্রত্যন্ত গ্রাম চান্দা আলিপুরে নির্মিত দৃষ্টিনন্দন ‘পীরে কেবলা মাহবুব আলম চিশতি’ মসজিদ এখন স্থানীয়দের গর্বের প্রতীক। আধুনিক স্থাপত্যশৈলী, নান্দনিক নকশা এবং উন্নত সুযোগ-সুবিধার কারণে প্রতিদিনই জেলা ও জেলার বাইরে থেকে শত শত ধর্মপ্রাণ মুসল্লি ও দর্শনার্থী মসজিদটি দেখতে এবং নামাজ আদায় করতে ছুটে আসছেন।

সবুজে ঘেরা শান্ত গ্রামীণ পরিবেশের মাঝে শ্বেতশুভ্র এই মসজিদ দূর থেকেই সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করে। স্থানীয় একজন বুজুর্গ পীরের নামে নামকরণ করা হয়েছে মসজিদটির।
মসজিদের ইতিহাস ও নির্মাণ

স্থানীয় প্রবীণ বাসিন্দা ও মসজিদ পরিচালনা কমিটি সূত্রে জানা যায়, আলিপুর গ্রামে আগে একটি পুরোনো ও জরাজীর্ণ মসজিদ ছিল। স্থান সংকুলান ও আধুনিক সুবিধার অভাবের কারণে নতুন একটি দৃষ্টিনন্দন ও স্থায়ী মসজিদ নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়।

স্থানীয়দের উদ্যোগে ২০২০ সালে সাবেক সংসদ সদস্য সলিম উদ্দিন তরফদারের সহযোগিতায় নির্মাণকাজ শুরু হয়। কয়েক বছরের নিরলস প্রচেষ্টায় মসজিদটি বর্তমান আধুনিক রূপ লাভ করে। স্থানীয়দের ভাষ্য, এটি শুধু একটি মসজিদ নয়; বরং এলাকার ধর্মীয় চর্চা, সামাজিক ঐক্য এবং সৌন্দর্যের এক অনন্য নিদর্শন।

নান্দনিক স্থাপত্য ও আধুনিক সুযোগ-সুবিধা
সরেজমিনে দেখা যায়, মসজিদটির সমসাময়িক (Contemporary) ও মিনিমালিস্টিক স্থাপত্যশৈলী দর্শনার্থীদের মুগ্ধ করছে। প্রথাগত নকশার বাইরে আধুনিক জ্যামিতিক কারুকাজ ব্যবহার করা হয়েছে, যা আলো-বাতাস চলাচলেও সহায়ক। বিশাল মিনার ও শ্বেতশুভ্র গম্বুজ মসজিদটির সৌন্দর্য আরও বাড়িয়ে তুলেছে।

মসজিদের বর্তমান পরিচালনাকারী আবুল কালাম আজাদ বলেন, “মসজিদটির নান্দনিক সৌন্দর্য দেখতে প্রতিদিন অনেক মানুষ আসেন। এতে এলাকার মানুষ গর্ববোধ করেন।”
মসজিদের ভেতরে ও বাইরে উচ্চমানের মার্বেল পাথর ও আধুনিক টাইলস ব্যবহার করা হয়েছে। মুসল্লিদের সুবিধার্থে রয়েছে সুপরিসর অজুখানা, শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ (এসি) ব্যবস্থা, ডিজিটাল সাউন্ড সিস্টেম, পর্যাপ্ত আলো-বাতাসের জন্য বিশেষ ভেন্টিলেশন এবং রাতের বেলায় দৃষ্টিনন্দন আলোকসজ্জা।

দর্শনার্থীদের আগ্রহ বাড়ছে
মসজিদটির ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই এর জনপ্রিয়তা বাড়তে থাকে।

বিশেষ করে জুমার দিন ও বিকেলে বিভিন্ন জেলা থেকে মানুষ ব্যক্তিগত গাড়ি ও মোটরসাইকেলে করে এখানে আসছেন।

নামাজ আদায় করতে আসা এক দর্শনার্থী বলেন, “ফেসবুকে মসজিদটির ছবি দেখে এখানে আসার ইচ্ছা হয়েছিল। আজ এসে নামাজ আদায় করলাম।

গ্রামীণ পরিবেশে এত সুন্দর, আধুনিক ও শান্ত পরিবেশের একটি মসজিদ সত্যিই প্রশংসার