হাইকোর্টে সরওয়ার আলমগীরের রিটের শুনানি শেষ, ৯ জুলাই চূড়ান্ত রায়ের অপেক্ষায় ফটিকছড়িবাসী
চট্টগ্রাম–২ (ফটিকছড়ি) সংসদীয় আসনের নির্বাচনী প্রক্রিয়া ঘিরে চলমান আইনি জটিলতায় গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হয়েছে। মহামান্য হাইকোর্টে দায়ের করা রিট পিটিশনের শুনানি শেষ হয়েছে। আদালত আগামী ৯ জুলাই ২০২৬ রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেছেন। ফলে ফটিকছড়ির রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা ও আগ্রহের সৃষ্টি হয়েছে।
এর আগে দেশের সর্বোচ্চ আদালত আপিল বিভাগের প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে জামায়াত-সমর্থিত প্রার্থী নুরুল আমিনের করা আপিল নিষ্পত্তি করে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা দেন। আদালত নির্দেশ দেন, আপিল বিভাগের আদেশ কমিউনিকেট হওয়ার পরবর্তী দুই সপ্তাহের মধ্যে মহামান্য হাইকোর্ট বিভাগে বিএনপি থেকে নির্বাচিত প্রার্থী আলহাজ্ব সরওয়ার আলমগীরের দায়ের করা রিটের পেন্ডিং রুল শুনানি করে নিষ্পত্তি করতে হবে।
আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী, হাইকোর্টের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত সরওয়ার আলমগীরের মনোনয়ন বৈধ অবস্থায় বহাল থাকবে এবং নির্বাচন কমিশনের মনোনয়ন বাতিলের আদেশের ওপর পূর্বে জারি করা স্থগিতাদেশ (স্টে) কার্যকর থাকবে।
উল্লেখ্য, নির্বাচন কমিশনের মনোনয়ন বাতিলের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে সরওয়ার আলমগীর হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন। ওই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্ট একটি রুল জারি করেন এবং নির্বাচন কমিশনের আদেশ কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, সে বিষয়ে ব্যাখ্যা তলব করেন।
আপিল বিভাগের নির্দেশনার আলোকে হাইকোর্টে রিটের চূড়ান্ত শুনানি সম্পন্ন হওয়ার পর আদালত আগামী ৯ জুলাই ২০২৬ রায় ঘোষণার জন্য দিন ধার্য করেন। এখন ওই রায়ের দিকেই তাকিয়ে রয়েছে ফটিকছড়ির রাজনৈতিক অঙ্গন।
রায়কে ঘিরে বিএনপির নেতাকর্মী, সরওয়ার আলমগীরের সমর্থক, সাধারণ ভোটার এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ বিরাজ করছে। তবে মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি সম্পূর্ণভাবে মহামান্য হাইকোর্টের রায়ের ওপর নির্ভর করবে।
এখন ফটিকছড়িবাসীর অপেক্ষা— ৯ জুলাইয়ের রায়ে চট্টগ্রাম–২ (ফটিকছড়ি) আসনের রাজনৈতিক সমীকরণ কোন দিকে মোড় নেয়।

























