জনগনের আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরনের লড়াই সংগ্রাম অব্যাহত রেখেছেন চৌদ্দগ্রামের কামরুল হুদা
ক্ষমতার চেয়ে জনগণের কল্যাণ ও অধিকারকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে- নিজের দূরদর্শিতা, সততা এবং কার্যকর যোগাযোগের মাধ্যমে সমাজকে ইতিবাচক পরিবর্তনের দিকে এগিয়ে নেয়া এবং রাজনীতিকে জনসেবার মাধ্যম হিসেবে বিবেচনা করে, দীর্ঘ দিন সাধারণ মানুষের সাথে নিবিড় সংযোগ স্থাপনের মধ্যদিয়ে, জনগনের আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরনের জন্য লড়াই সংগ্রাম অব্যাহত রেখেছেন চৌদ্দগ্রামের কামরুল হুদা।
জানা গেছে, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম- সিনিয়র সাধারন সম্পাদক ও চৌদ্দগ্রাম উপজেলা বিএনপির সভাপতি কারাবরণকারী নেতা, স্বৈরাচার হাসিনা হটাও আন্দোলনের একজন সফল রাজনীতিবিদ মোঃ কামরুল হুদা। বিএনপির দুঃসময়ে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা বিএনপিকে নির্ভয়ে পথ চলতে শিখিয়েছিলেন তিনি। মোঃ কামরুল হুদা চৌদ্দগ্রাম উপজেলা বিএনপিকে সুসংগঠিত করে বিএনপির সকল দলীয় প্রোগ্রাম এবং স্বৈরাচার হাসিনা হটাও আন্দোলন সংগ্রামে অক্ষুণ্ণ রেখেছেন। সমাজসেবক ও রাজনীতিবিদ মোঃ কামরুল হুদার জন্ম কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার উজিরপুর ইউনিয়ন প্রতাপপুর গ্রামে। ছাত্রজীবন শেষে শহীদ জিয়াউর রহমানের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে বিএনপির রাজনীতির পাশাপাশি ব্যবসা বাণিজ্য শুরু করেন তিনি। ধীরে ধীরে শিল্পকারখানা স্থাপন করে দেশ বিদেশে অর্জন করেন ব্যাপক সুনাম। শিল্পপতি মোঃ কামরুল হুদা সম্প্রতিসময়ে চৌদ্দগ্রামের রাজনীতিতে পদপদবী ছাড়াই দীর্ঘসময় দলের হাল ধরে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করে। দলকে সাংগঠনিকভাবে শক্তিশালী করে তোলার পর তিনি উপজেলা বিএনপির আহবায়ক দায়িত্ব গ্রহন করেন। সে সময় থেকেই বহু চড়াই উতরাই পার করে তিনি চৌদ্দগ্রাম উপজেলা বিএনপিকে সামনের দিকে এগিয়ে নেয়ার অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখেন। এরপর তিনি চৌদ্দগ্রাম উপজেলা বিএনপির সভাপতি পদে ভূঁষিত হন। ব্যক্তিগতভাবে কামরুল হুদা একজন পরোপকারী মনের মানুষ। কোন স্বার্থ ছাড়াই অসহায় গরীভ শ্রেনীর মানুষের প্রতি সমাজ সেবার হাত প্রসারিত করে অর্জন করেছেন ব্যাপক গ্রহনযোগ্যতা। তখন থেকেই জনপ্রিয়তার দৌড়ে দাঁপিয়ে বেড়াচ্ছেন বিএনপির নেতা কামরুল হুদা। পাশাপাশি তিনি দলীয় নেতাকর্মীদের আগলে রেখে বিএনপিকে সুসংগঠিত করে পুরোদমে দলটিকে চাঙ্গা করে তুলেছেন।
স্থানীয় এবং দলীয় সূত্র জানায়, কুমিল্লার রাজনীতিতে সৎ, আদর্শবান অনেক নেতা রয়েছেন, যারা দেশের সম্পদ আর ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য অনুকরণীয়। যেসব রাজনীতিবীদরা নিজেদের সর্বস্ব বিলিয়ে দিয়ে কেবল মানুষের স্বার্থের রাজনীতি করেন। তাদের মধ্যে অন্যতম একজন মোঃ কামরুল হুদা। লোভ, প্রতিহিংসা, ক্ষমতার দাপটের পরিবর্তে সততা, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ আর সেবার মানসিকতা কামরুল হুদার মধ্যে বিরাজমান। তিনি ব্যক্তিস্বার্থের উর্ধ্বে নিজেকে রেখেছেন রাজনীতিকে। তবে সততা বজায় রাখতে গিয়ে পদে পদে তাদের প্রতিবন্ধকতা ও বঞ্চনার শিকার হতে হয়েছে। তারপরও নিজ আদর্শে অটল ও অবিচল। সমাজ সেবক কামরুল হুদা সর্বদা হাস্যোজ্জ্বল, ব্যক্তিত্বে অমায়িক, কথাবার্তায় বিনয়ী, চলাফেরায় নম্র ও দরাজ কণ্ঠের অধিকারী সফল রাজনীতিবিদ ও আলোকিত মানুষ। চৌদ্দগ্রাম বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে নিজের আগামনী বার্তাটা পৌঁছে দেন সকলের মাঝে। তিনি রাজনীতিতেও প্রজ্ঞা ও মেধার বিকাশ ঘটিয়ে এগিয়ে গেছেন বীরদর্পে। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানে অত্যন্ত বিশ্বস্ত এবং আস্থাভাজন মোঃ কামরুল হুদা বিএনপির রাজনীতির সংগ্রামী আদর্শ তৃনমুল থেকে রাজনীতির সর্বোচ্চ পর্যায়ে বিচরণ করছেন। চৌদ্দগ্রাম যেনো তার অস্তিত্ব ও হৃদয়জুড়ে। তার মননে, মগজে একাকার হয়ে আছে কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা তথা চৌদ্দগ্রামের মাটি ও মানুষ। যেকোনো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে কথা বলার সময়ও অবধারিতভাবেই তার মুখ থেকে বের হয়ে গেছে, চৌদ্দগ্রামের উন্নয়ন এবং অসহায় মানুষের জীবন পরিবর্তন কথা। শেকড়ের প্রতি, এলাকার প্রতি, এলাকাবাসীর প্রতি এমন দরদ, মমতা, আবেগ আর অকৃত্রিম ভালোবাসা একজন রাজনীতিবিদের থাকতে পারে, এটা কামরুল হুদাকে না দেখলে বিশ্বাস করা কঠিন। কী করলে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা সারা দেশের মধ্যে রোলমডেল হবে, কী করলে চৌদ্দগ্রামবাসী স্বস্তি ও শান্তিতে বসবাস করতে পারবে, কী করলে চৌদ্দগ্রামের মানুষ সম্মানিত হবে, কী করলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম চৌদ্দগ্রামকে মনপ্রাণ দিয়ে আগলে রাখবে- সেসব চিন্তা-চেতনা, ভাবনা সারাক্ষণ কামরুল হুদাকে বিভোর করে রাখে। যার ফলে চৌদ্দগ্রামবাসী তাঁকে একান্ত আপনজন করে নিয়েছেন। তাদের সুখ-দুঃখে, বিপদ-আপদে সর্বাগ্রে প্রিয় নেতা মোঃ কামরুল হুদার সান্নিধ্য কামনা করেন তারা।
সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, চৌদ্দগ্রামের বর্ণাঢ্য পরিবারের সন্তান মোঃ কামরুল হুদা সকল শ্রেনী পেশার মানুষের কাছে একজন রাজনীতিবিদ ও সমাজসেবক হিসেবে এলাকায় ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন। চৌদ্দগ্রামের ক্লান্ত- শ্রান্ত- ঘর্মাক্ত কৃষক- শ্রমিক ও আপামর জনতা কামরুল হুদাকে আস্থাভাজন ব্যক্তি হিসেবে আপন করে নিয়েছেন।
উপজেলার মুন্সীরহাট ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সাধারন সম্পাদক সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী মীর আলমগীর হোসেন এ প্রতিবেদককে জানান, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শে বিশ্বাসী এবং এই আদর্শকে বুকে ধারণ করে, দীর্ঘ ২ যুগ ধরে দলের জন্য জেল ঝুলুম সহ সবধরনের ত্যাগ স্বীকার করার পরও- কামরুল হুদা ভাই নিজেকে দলের একজন সাধারণ কর্মী হিসেবে মনে করে দায়িত্ব পালন করে আসছে। তিনি নিজেকে সবসময় খুব ছোট করে দেখেন। যার মধ্যে কোন অহংকার নেই। চৌদ্দগ্রাম উপজেলা বিএনপির সকল নেতাকর্মীর সাথে তার হৃদয় ছোঁয়া সম্পর্ক রয়েছে। ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারের আমলে দলের দুর্দিনে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা বিএনপির সকল নেতাকর্মীদের তিনি আগলে রেখেছিলেন। নেতাকর্মীরা যখন বিভিন্ন মিথ্যা মামলা হামলার স্বীকার হয়েছেন- কামরুল হুদা ভাই তাদের খোঁজ খবর নিতেন এবং সর্বোচ্চ সহযোগিতা করতেন। আমরা চৌদ্দগ্রামবাসী কামরুল হুদা ভাইেয়র মত এমন একজন নির্ভীক জিয়ার আদর্শের সৈনিক পেয়ে গর্বিত। বিএনপি তথা চৌদ্দগ্রামবাসীর প্রতি কামরুল হুদা ভাইয়ের অবদানের কথা বললে সারাদিনেও শেষ হবে না, শুধু এইটুকুই বলবো কামরুল হুদা ভাইয়ের যে জনপ্রিয়তা সৃষ্টি হয়েছে- চৌদ্দগ্রামের রাজনৈতিক অঙ্গনে অতীতের সকল রেকর্ড ভেঙে অবিস্মরণীয় রেকর্ড সৃষ্টি করেছেন তিনি।



























