হরিপুরে রুমা বেগমের নেতৃত্বে মা ও শিশুর পুষ্টি ও নারীর ক্ষমতায়নে কাজ করছে ওয়ার্ল্ড ভিশন
ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর উপজেলায় মা ও শিশুর পুষ্টি নিশ্চিতকরণ, জেন্ডার সমতা, নারীর ক্ষমতায়ন ও শিশু সুরক্ষায় নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ। সংস্থাটির ‘রিয়্যাক্টস-ইন’ প্রকল্পের আওতায় প্রজেক্ট অফিসার রুমা বেগমের নেতৃত্বে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় এসব কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।
স্থানীয় পর্যায়ে ১৯ জন কমিউনিটি ফ্যাসিলিটেটর (সিএফ)কে সঙ্গে নিয়ে মাঠপর্যায়ে কাজ করছেন রুমা বেগম। বিশেষ করে মা ও শিশুর পুষ্টি, নারীর স্বাস্থ্য, বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ, নারী ও কিশোরীদের সচেতনতা বৃদ্ধি এবং নারীদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করে তুলতে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ একটি খ্রিষ্টান মানবিক উন্নয়ন, ত্রাণ, অ্যাডভোকেসি, সচেতনতা ও অধিকারভিত্তিক সংস্থা। দেশের সুবিধাবঞ্চিত শিশু, পরিবার ও সমাজের জীবনমান উন্নয়নে সংস্থাটি বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।
সংস্থাটির কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে—শিশু সুরক্ষায় বাল্যবিবাহ, শিশুশ্রম ও শিশুদের ওপর সহিংসতা প্রতিরোধ; সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের শিক্ষার সুযোগ তৈরি; মা ও শিশুর স্বাস্থ্য ও পুষ্টি নিশ্চিতকরণ; নিরাপদ পানি ও স্যানিটেশন ব্যবস্থার উন্নয়ন; দরিদ্র পরিবারের জীবিকা ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ; জলবায়ু পরিবর্তন ও দুর্যোগ মোকাবিলায় সহায়তা এবং সমাজে লিঙ্গ সমতা প্রতিষ্ঠায় সচেতনতামূলক কর্মসূচি পরিচালনা।
এ ছাড়া বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে কিশোরীদের সচেতনতা বৃদ্ধি এবং তাদের অধিকার সম্পর্কে জানাতে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
হরিপুর উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে নারীদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করে তুলতেও কাজ করছে সংস্থাটি। নারীদের সবজি চাষ, কৃষিকাজ, হাঁস-মুরগি পালনসহ বিভিন্ন আয়বর্ধক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ ও দিকনির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে।
প্রজেক্ট অফিসার রুমা বেগম বলেন, মা ও শিশুর স্বাস্থ্য ও পুষ্টি নিশ্চিত করার পাশাপাশি নারীদের পিছিয়ে না রেখে তাদের দক্ষতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমে স্বাবলম্বী করে তোলাই এ কার্যক্রমের অন্যতম লক্ষ্য। সমাজের প্রতিটি পরিবারে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে কাজ করা হচ্ছে।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, হরিপুরে এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকলে নারীর ক্ষমতায়ন, মা ও শিশুর স্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং আগামী প্রজন্মের সুস্থ বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।


























