1. admin@kagojerbarta.com : admin :
ঢাকা ১১:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬, ২৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বান্দরবানে পৃথক দুই পাহাড়ধসে শিশুসহ নিহত ৫, টানা বৃষ্টিতে বাড়ছে ঝুঁকি

বান্দরবান প্রতিনিধি:
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

টানা ভারী বর্ষণের মধ্যে বান্দরবানের লামা উপজেলায় পৃথক দুই পাহাড়ধসের ঘটনায় শিশুসহ পাঁচজন নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) ভোরে উপজেলার আজিজনগর ইউনিয়নের মিশনপাড়া (পাগলির ঝিরি) এলাকায় এ দুটি দুর্ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোর রাত আনুমানিক ৪টার দিকে প্রথম পাহাড়ধসে একটি বসতঘরের ওপর পাহাড়ের মাটি ধসে পড়ে। এতে ঘুমন্ত অবস্থায় একই পরিবারের মো. ইউনুস (৪০), তার স্ত্রী রানু আক্তার (৩৫) এবং তাদের পাঁচ বছর বয়সী ছেলে মো. সোলেমান মাটিচাপা পড়ে ঘটনাস্থলেই নিহত হন।

এর প্রায় দেড় ঘণ্টা পর, ভোর সাড়ে ৫টার দিকে একই এলাকায় আরেকটি পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটে। এতে একতলা পাকা ঘরের দেয়াল ও মাটির নিচে চাপা পড়ে স্বামী-স্ত্রী মো. জুয়েল (৩৪) ও কুলছুমা আক্তার (২৫) নিহত হন।

দুর্ঘটনার পর স্থানীয়দের সহায়তায় ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ উদ্ধার অভিযান চালিয়ে পাঁচজনের মরদেহ উদ্ধার করে।

বান্দরবানের পুলিশ সুপার মো. ওহাবুল ইসলাম খন্দকার জানান, একই এলাকায় পৃথক দুটি পাহাড়ধসের ঘটনায় শিশুসহ পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

এদিকে, টানা বর্ষণে লামাসহ বান্দরবানের বিভিন্ন এলাকায় পাহাড়ধসের ঝুঁকি আরও বেড়েছে। নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হওয়ায় জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে এবং সড়ক যোগাযোগ ব্যাহত হচ্ছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে সরে যাওয়ার আহ্বান জানানো হলেও অনেকেই এখনও সেখানে যেতে অনাগ্রহী। এছাড়া ভারী বৃষ্টির কারণে জেলার বিভিন্ন উপজেলার সড়ক যোগাযোগ, বিদ্যুৎ সরবরাহ ও মোবাইল নেটওয়ার্ক বিচ্ছিন্ন হয়ে যোগাযোগ ব্যবস্থাও ব্যাহত হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ০৪:৫০:০৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬ ৩০ বার পড়া হয়েছে

বান্দরবানে পৃথক দুই পাহাড়ধসে শিশুসহ নিহত ৫, টানা বৃষ্টিতে বাড়ছে ঝুঁকি

আপডেট সময় : ০৪:৫০:০৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬

টানা ভারী বর্ষণের মধ্যে বান্দরবানের লামা উপজেলায় পৃথক দুই পাহাড়ধসের ঘটনায় শিশুসহ পাঁচজন নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) ভোরে উপজেলার আজিজনগর ইউনিয়নের মিশনপাড়া (পাগলির ঝিরি) এলাকায় এ দুটি দুর্ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোর রাত আনুমানিক ৪টার দিকে প্রথম পাহাড়ধসে একটি বসতঘরের ওপর পাহাড়ের মাটি ধসে পড়ে। এতে ঘুমন্ত অবস্থায় একই পরিবারের মো. ইউনুস (৪০), তার স্ত্রী রানু আক্তার (৩৫) এবং তাদের পাঁচ বছর বয়সী ছেলে মো. সোলেমান মাটিচাপা পড়ে ঘটনাস্থলেই নিহত হন।

এর প্রায় দেড় ঘণ্টা পর, ভোর সাড়ে ৫টার দিকে একই এলাকায় আরেকটি পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটে। এতে একতলা পাকা ঘরের দেয়াল ও মাটির নিচে চাপা পড়ে স্বামী-স্ত্রী মো. জুয়েল (৩৪) ও কুলছুমা আক্তার (২৫) নিহত হন।

দুর্ঘটনার পর স্থানীয়দের সহায়তায় ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ উদ্ধার অভিযান চালিয়ে পাঁচজনের মরদেহ উদ্ধার করে।

বান্দরবানের পুলিশ সুপার মো. ওহাবুল ইসলাম খন্দকার জানান, একই এলাকায় পৃথক দুটি পাহাড়ধসের ঘটনায় শিশুসহ পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

এদিকে, টানা বর্ষণে লামাসহ বান্দরবানের বিভিন্ন এলাকায় পাহাড়ধসের ঝুঁকি আরও বেড়েছে। নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হওয়ায় জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে এবং সড়ক যোগাযোগ ব্যাহত হচ্ছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে সরে যাওয়ার আহ্বান জানানো হলেও অনেকেই এখনও সেখানে যেতে অনাগ্রহী। এছাড়া ভারী বৃষ্টির কারণে জেলার বিভিন্ন উপজেলার সড়ক যোগাযোগ, বিদ্যুৎ সরবরাহ ও মোবাইল নেটওয়ার্ক বিচ্ছিন্ন হয়ে যোগাযোগ ব্যবস্থাও ব্যাহত হচ্ছে।