1. admin@kagojerbarta.com : admin :
ঢাকা ০৫:৫৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬, ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গুড়ায় বাড়ছে যমুনার পানি, তীব্র নদীভাঙনে বিলীন হচ্ছে ফসলি জমি

মোঃ আব্দুল আলীম জেলা প্রতিনিধি বগুড়া
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

উজানের পাহাড়ি ঢল ও টানা বৃষ্টির প্রভাবে বগুড়ায় যমুনা নদীর পানি ক্রমাগত বাড়ছে। পানি বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে জেলার সারিয়াকান্দি, ধুনট ও সোনাতলা উপজেলায় তীব্র নদীভাঙন দেখা দিয়েছে। এতে শত শত একর ফসলি জমি, গাছপালা ও বসতভিটা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। ফলে নদীতীরবর্তী এলাকার মানুষ চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন।
সোমবার (১৩ জুলাই) সরেজমিনে দেখা যায়, সারিয়াকান্দি উপজেলার হাটশেরপুর ইউনিয়নের চকরতিনাথ, কামারপাড়া, কাজলা ইউনিয়নের চরঘাগুয়া এবং কামালপুর ইউনিয়নের ইছামারা ও গোদাখালি এলাকায় যমুনার পানি উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এসব এলাকায় নদীভাঙনের ফলে বসতবাড়ি ও আবাদি জমি নদীগর্ভে চলে যাচ্ছে।
এ ছাড়া সোনাতলা উপজেলার বালুয়াপাড়া, সুজাতপুর, তোকানিচুকাইনগর, ভিগনেরপাড়া, আমতলী ও আচারেরপাড়া এবং ধুনট উপজেলার ভান্ডারবাড়ী ইউনিয়নের শহরাবাড়ী এলাকায়ও তীব্র নদীভাঙন দেখা দিয়েছে।
স্থানীয়দের মতে, যমুনা নদীর বুকে নতুন চর জেগে ওঠায় পানির তীব্র স্রোত তীরের দিকে ধাবিত হচ্ছে।
এতে সরাসরি আঘাত হানছে তীরবর্তী ফসলি জমি ও বসতভিটায়। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন চরাঞ্চলের কৃষকরা।
নদীপাড়ের বাসিন্দারা জানান, পানি বৃদ্ধি ও অব্যাহত নদীভাঙনে তারা চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছেন। ভাঙন রোধে দ্রুত স্থায়ী প্রতিরক্ষা বাঁধ নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন তারা।
তাদের ভাষ্য, স্থায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে প্রতিবছরই নদীভাঙনে ঘরবাড়ি ও কৃষিজমি হারাতে হবে।
এদিকে ভাঙন ঠেকাতে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে বালুভর্তি জিও-ব্যাগ ফেলছে বগুড়া পানি উন্নয়ন বোর্ড। তবে স্থানীয়দের দাবি, সাময়িক এই ব্যবস্থা নদীভাঙন রোধে যথেষ্ট নয়; প্রয়োজন দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ০৫:৪৮:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬ ১ বার পড়া হয়েছে

গুড়ায় বাড়ছে যমুনার পানি, তীব্র নদীভাঙনে বিলীন হচ্ছে ফসলি জমি

আপডেট সময় : ০৫:৪৮:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬

উজানের পাহাড়ি ঢল ও টানা বৃষ্টির প্রভাবে বগুড়ায় যমুনা নদীর পানি ক্রমাগত বাড়ছে। পানি বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে জেলার সারিয়াকান্দি, ধুনট ও সোনাতলা উপজেলায় তীব্র নদীভাঙন দেখা দিয়েছে। এতে শত শত একর ফসলি জমি, গাছপালা ও বসতভিটা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। ফলে নদীতীরবর্তী এলাকার মানুষ চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন।
সোমবার (১৩ জুলাই) সরেজমিনে দেখা যায়, সারিয়াকান্দি উপজেলার হাটশেরপুর ইউনিয়নের চকরতিনাথ, কামারপাড়া, কাজলা ইউনিয়নের চরঘাগুয়া এবং কামালপুর ইউনিয়নের ইছামারা ও গোদাখালি এলাকায় যমুনার পানি উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এসব এলাকায় নদীভাঙনের ফলে বসতবাড়ি ও আবাদি জমি নদীগর্ভে চলে যাচ্ছে।
এ ছাড়া সোনাতলা উপজেলার বালুয়াপাড়া, সুজাতপুর, তোকানিচুকাইনগর, ভিগনেরপাড়া, আমতলী ও আচারেরপাড়া এবং ধুনট উপজেলার ভান্ডারবাড়ী ইউনিয়নের শহরাবাড়ী এলাকায়ও তীব্র নদীভাঙন দেখা দিয়েছে।
স্থানীয়দের মতে, যমুনা নদীর বুকে নতুন চর জেগে ওঠায় পানির তীব্র স্রোত তীরের দিকে ধাবিত হচ্ছে।
এতে সরাসরি আঘাত হানছে তীরবর্তী ফসলি জমি ও বসতভিটায়। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন চরাঞ্চলের কৃষকরা।
নদীপাড়ের বাসিন্দারা জানান, পানি বৃদ্ধি ও অব্যাহত নদীভাঙনে তারা চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছেন। ভাঙন রোধে দ্রুত স্থায়ী প্রতিরক্ষা বাঁধ নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন তারা।
তাদের ভাষ্য, স্থায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে প্রতিবছরই নদীভাঙনে ঘরবাড়ি ও কৃষিজমি হারাতে হবে।
এদিকে ভাঙন ঠেকাতে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে বালুভর্তি জিও-ব্যাগ ফেলছে বগুড়া পানি উন্নয়ন বোর্ড। তবে স্থানীয়দের দাবি, সাময়িক এই ব্যবস্থা নদীভাঙন রোধে যথেষ্ট নয়; প্রয়োজন দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা।