1. admin@kagojerbarta.com : admin :
  2. amirsadeky88@gmail.com : amirsadeky :
  3. faysalajony@gmail.com : FAYSAL AHMED :
  4. kamrul304076@gmail.com : Kamrul :
  5. jamalpurbakshiganj@gmail.com : Kamrulbk :
  6. mdsaimkhanbd7@gmail.com : mdsaimkhan123 :
  7. motin.imran07051986@gmail.com : motin.imran07051986@gmail.com :
  8. seyam2858@gmail.com : seyam :
ঢাকা ১০:০৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বোদায় জমি নিয়ে মিথ্যা অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্র/বিভ্রান্তি ছড়ানোর প্রতিবাদে ভুক্তভোগী পরিবারের সংবাদ সম্মেলন

আব্দুল্লাহ্ আল মামুন, বোদা (পঞ্চগড়) প্রতিনিধি:
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
৩১

পঞ্চগড়ের বোদা পৌর শহরের ঝিনুকনগর এলাকায় আদালতের বিচারাধীন একটি জমি নিয়ে বোদা সরকারি পাইলট মডেল স্কুল এন্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে হয়রানি ও মিথ্যা প্রচার চালানোর অভিযোগ উঠেছে।

আজ ৬ নভেম্বর(শুক্রবার) দুপুরে ওই এলাকায় সংবাদ সম্মেলন করে এসব অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ভুক্তভোগী মনজুরুল হক।

সংবাদ সম্মেলনে তারা দাবি করেন, ১৯৬১ সালে ২৪৯ শতক জমি ক্রয় করে বসবাস করে আসছেন পৌরসভার ঝিনুকনগর এলাকার প্রয়াত আবু নুর মোহাম্মদ আব্দুল গফুরের পরিবারবর্গ। বাড়ির পাশেই অবস্থিত বোদা সরকারি পাইলট মডেল স্কুল এন্ড কলেজ।

২০২৫ সালে বিদ্যালয়ের নোটিশের মাধ্যমে তারা জানতে পারে ষড়যন্ত্র করে এসএ রেকর্ডের নকশায় তাদের ক্রয়কৃত জমির ৩৫ শতক কোন কাগজপত্র ছাড়াই বিদ্যালয়ের অন্তর্ভুক্ত দেখানো হয়েছে। পরে তারা আদালতে নকশা সংশোধনের মামলা করেন। মামলা চলা অবস্থাতে বিদ্যালয়ে ওই জমিতে নিষেধাজ্ঞার আবেদন করেন।

আদালত এ বিষয়ে কোন আদেশ না দিলেও ওই প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ মো. রুবেল নিষেধাজ্ঞার ভুয়া তথ্য দিয়ে পুলিশ দ্বারা তাদের হয়রানি করেন বলে অভিযোগ করেন তারা। গত ৩ নভেম্বর কোমলমতি শিক্ষার্থীদের ব্যবহার করে মানববন্ধন করা হয়। সেখানে মনগড়া বানোয়াট তথ্য উপস্থাপন করা হয় বলেও দাবি করেন তারা। সংবাদ সম্মেলনে তারা হয়রানি বন্ধ করাসহ ন্যায়বিচার কামনা করেন।

মনজুরুল ইসলাম বলেন, আমরা ৬৬ বছর ধরে আমার বাবার কেনা জমিতে বসবাস করে আসছি। জমি কেনার পর থেকেই বিদ্যালয় তার পজিশনে আর আমরা আমাদের পজিশনে ঘরবাড়ি করে আসছি।

২০২৫ সালে আমরা জানতে পারি কোন কাগজপত্র ছাড়াই এসএ রেকর্ডের নকশায় বিদ্যালয়ের অনুকূলে আমাদের ৩৫ শতক জমি দেখানো হয়েছে। জানা মাত্রই আমরা তা সংশোধনের আবেদন করি। এরই মধ্যে আদালত কর্তৃক এডভোকেট কমিশন তদন্ত করে প্রতিবেদন জমা দিয়েছে।
বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন।

তার মধ্যেই ওই স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ কোমলমতি শিক্ষার্থীদের ব্যবহার করে অপপ্রচার চালাচ্ছেন এবং বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছেন। এমনকি আদালত ইনজাংকশনের আদেশ না দিলেও তিনি ভুল তথ্য দিয়ে পুলিশ দ্বারা হয়রানি করেছেন। আমরা তাদের অপপ্রচার বন্ধ রেখে আদালতের উপর আস্থা রাখার জন্য অনুরোধ করছি।

সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী ১০ টি পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ১১:৪০:২৭ পূর্বাহ্ণ, শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬ ১৮ বার পড়া হয়েছে

বোদায় জমি নিয়ে মিথ্যা অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্র/বিভ্রান্তি ছড়ানোর প্রতিবাদে ভুক্তভোগী পরিবারের সংবাদ সম্মেলন

আপডেট সময় : ১১:৪০:২৭ পূর্বাহ্ণ, শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬
৩১

পঞ্চগড়ের বোদা পৌর শহরের ঝিনুকনগর এলাকায় আদালতের বিচারাধীন একটি জমি নিয়ে বোদা সরকারি পাইলট মডেল স্কুল এন্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে হয়রানি ও মিথ্যা প্রচার চালানোর অভিযোগ উঠেছে।

আজ ৬ নভেম্বর(শুক্রবার) দুপুরে ওই এলাকায় সংবাদ সম্মেলন করে এসব অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ভুক্তভোগী মনজুরুল হক।

সংবাদ সম্মেলনে তারা দাবি করেন, ১৯৬১ সালে ২৪৯ শতক জমি ক্রয় করে বসবাস করে আসছেন পৌরসভার ঝিনুকনগর এলাকার প্রয়াত আবু নুর মোহাম্মদ আব্দুল গফুরের পরিবারবর্গ। বাড়ির পাশেই অবস্থিত বোদা সরকারি পাইলট মডেল স্কুল এন্ড কলেজ।

২০২৫ সালে বিদ্যালয়ের নোটিশের মাধ্যমে তারা জানতে পারে ষড়যন্ত্র করে এসএ রেকর্ডের নকশায় তাদের ক্রয়কৃত জমির ৩৫ শতক কোন কাগজপত্র ছাড়াই বিদ্যালয়ের অন্তর্ভুক্ত দেখানো হয়েছে। পরে তারা আদালতে নকশা সংশোধনের মামলা করেন। মামলা চলা অবস্থাতে বিদ্যালয়ে ওই জমিতে নিষেধাজ্ঞার আবেদন করেন।

আদালত এ বিষয়ে কোন আদেশ না দিলেও ওই প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ মো. রুবেল নিষেধাজ্ঞার ভুয়া তথ্য দিয়ে পুলিশ দ্বারা তাদের হয়রানি করেন বলে অভিযোগ করেন তারা। গত ৩ নভেম্বর কোমলমতি শিক্ষার্থীদের ব্যবহার করে মানববন্ধন করা হয়। সেখানে মনগড়া বানোয়াট তথ্য উপস্থাপন করা হয় বলেও দাবি করেন তারা। সংবাদ সম্মেলনে তারা হয়রানি বন্ধ করাসহ ন্যায়বিচার কামনা করেন।

মনজুরুল ইসলাম বলেন, আমরা ৬৬ বছর ধরে আমার বাবার কেনা জমিতে বসবাস করে আসছি। জমি কেনার পর থেকেই বিদ্যালয় তার পজিশনে আর আমরা আমাদের পজিশনে ঘরবাড়ি করে আসছি।

২০২৫ সালে আমরা জানতে পারি কোন কাগজপত্র ছাড়াই এসএ রেকর্ডের নকশায় বিদ্যালয়ের অনুকূলে আমাদের ৩৫ শতক জমি দেখানো হয়েছে। জানা মাত্রই আমরা তা সংশোধনের আবেদন করি। এরই মধ্যে আদালত কর্তৃক এডভোকেট কমিশন তদন্ত করে প্রতিবেদন জমা দিয়েছে।
বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন।

তার মধ্যেই ওই স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ কোমলমতি শিক্ষার্থীদের ব্যবহার করে অপপ্রচার চালাচ্ছেন এবং বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছেন। এমনকি আদালত ইনজাংকশনের আদেশ না দিলেও তিনি ভুল তথ্য দিয়ে পুলিশ দ্বারা হয়রানি করেছেন। আমরা তাদের অপপ্রচার বন্ধ রেখে আদালতের উপর আস্থা রাখার জন্য অনুরোধ করছি।

সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী ১০ টি পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।