জলাবদ্ধতা নিরসনে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন মোঃ হাদিস মিয়া
দীর্ঘদিন ধরে জলাবদ্ধতার কারণে চরম দুর্ভোগে থাকা এলাকার মানুষের মুখে এখন স্বস্তির হাসি। আর এই পরিবর্তনের নেপথ্যে রয়েছেন এলাকার তরুণ সমাজসেবক ও জনবান্ধব ব্যক্তি মোঃ হাদিস মিয়া। তাঁর আন্তরিক উদ্যোগ, দূরদর্শী পরিকল্পনা এবং নিরলস প্রচেষ্টায় এলাকার দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা সমস্যার কার্যকর সমাধান সম্ভব হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বছরের পর বছর ধরে খাল, ড্রেন ও পানি নিষ্কাশন পথগুলো ময়লা-আবর্জনা, পলিথিন ও কচুরিপানায় ভরে যাওয়ায় সামান্য বৃষ্টিতেই রাস্তাঘাট ও বসতবাড়িতে পানি জমে থাকত। এতে শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী, চাকরিজীবীসহ সাধারণ মানুষকে নানাবিধ দুর্ভোগ পোহাতে হতো। বিষয়টি অনুধাবন করে মোঃ হাদিস মিয়া নিজ উদ্যোগে এলাকাবাসীকে সঙ্গে নিয়ে ব্যাপক পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করেন।
তিনি খাল ও ড্রেন পরিষ্কার, অবৈধ প্রতিবন্ধকতা অপসারণ, পানি চলাচলের পথ উন্মুক্তকরণ এবং ক্ষতিগ্রস্ত ড্রেন সংস্কারের কাজ তদারকি করেন। পাশাপাশি যেখানে প্রয়োজন সেখানে নতুন পানি নিষ্কাশন নালা তৈরির উদ্যোগ গ্রহণ করেন। ফলে বৃষ্টির পানি দ্রুত নিষ্কাশিত হয়ে জলাবদ্ধতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে এসেছে।
শুধু অবকাঠামোগত উন্নয়নেই সীমাবদ্ধ না থেকে তিনি পরিবেশ সংরক্ষণ ও পরিচ্ছন্নতা বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। নিয়মিত সভা, উঠান বৈঠক ও সচেতনতামূলক প্রচারণার মাধ্যমে তিনি মানুষকে ড্রেন ও খালে ময়লা না ফেলার আহ্বান জানান। তাঁর উদ্যোগে স্থানীয় যুবসমাজ, ব্যবসায়ী, শিক্ষক ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা একযোগে কাজ করে একটি সামাজিক আন্দোলনের রূপ দিয়েছেন।
এলাকাবাসীর ভাষ্যমতে, মোঃ হাদিস মিয়ার নেতৃত্বে পরিচালিত এই কার্যক্রম শুধু জলাবদ্ধতা দূর করেনি, বরং পরিবেশের সৌন্দর্য বৃদ্ধি, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং সামাজিক সম্প্রীতি জোরদার করতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। বর্তমানে এলাকার রাস্তাঘাট আগের তুলনায় অনেক বেশি চলাচল উপযোগী এবং মানুষ স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় ফিরতে শুরু করেছে।
স্থানীয়রা মনে করেন, জনস্বার্থে মোঃ হাদিস মিয়ার এমন সময়োপযোগী, সাহসী ও মানবিক উদ্যোগ অন্যদের জন্যও অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। উন্নয়ন ও জনকল্যাণে তাঁর ধারাবাহিক কর্মকাণ্ড ভবিষ্যতেও এলাকার সার্বিক অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন তারা।

























