1. admin@kagojerbarta.com : admin :
ঢাকা ০৪:২৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়নরা পাবে ৬১৬ কোটি, বাকিরা কে কত?

অনলাইন ডেস্ক
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়নের জন্য রেকর্ড ৫ কোটি ডলার, প্রাইজমানিতে নতুন ইতিহাস গড়ছে ফিফা

ফুটবল বিশ্বকাপের ৯৬ বছরের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় আসর হিসেবে আয়োজিত ২০২৬ বিশ্বকাপে রেকর্ড পরিমাণ প্রাইজমানি ঘোষণা করেছে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা। এবারের টুর্নামেন্টে অংশ নেওয়া ৪৮টি দলের জন্য মোট ৬৫ কোটি ৫০ লাখ মার্কিন ডলার প্রাইজ ফান্ড রাখা হয়েছে, যা ২০২২ কাতার বিশ্বকাপের তুলনায় প্রায় ৫০ শতাংশ বেশি।

ক্রীড়া বিষয়ক সংবাদমাধ্যম দ্য অ্যাথলেটিক-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগামী রোববারের ফাইনালে বিজয়ী দল ৫ কোটি মার্কিন ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৬১৬ কোটি টাকা) পুরস্কার পাবে। রানার্স-আপ দল পাবে ৩ কোটি ৩০ লাখ ডলার (প্রায় ৪০৬ কোটি টাকা)।

এবারের বিশ্বকাপের ফাইনালে মুখোমুখি হচ্ছে স্পেন ও আর্জেন্টিনা। অন্যদিকে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে ফ্রান্স ও ইংল্যান্ড লড়বে। তৃতীয় স্থান অর্জনকারী দল পাবে ২ কোটি ৯০ লাখ ডলার, আর চতুর্থ স্থান পাওয়া দল পাবে ২ কোটি ৭০ লাখ ডলার।

কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে বিদায় নেওয়া মরক্কো, বেলজিয়াম, নরওয়ে ও সুইজারল্যান্ড প্রত্যেকে পাবে ১ কোটি ৯০ লাখ ডলার। শেষ ষোলো থেকে বিদায় নেওয়া আটটি দল পাবে ১ কোটি ৫০ লাখ ডলার করে এবং শেষ ৩২ থেকে বিদায় নেওয়া ১৬টি দল পাবে ১ কোটি ১০ লাখ ডলার করে।

এবারের বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া প্রতিটি দলের জন্যই ন্যূনতম ১ কোটি ৫ লাখ ডলার নিশ্চিত করা হয়েছে। এর মধ্যে গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নেওয়া দলগুলো পাবে ৯০ লাখ ডলার, পাশাপাশি প্রস্তুতি ব্যয় হিসেবে অতিরিক্ত ১৫ লাখ ডলার দেওয়া হবে।

ফিফা এই অর্থ সরাসরি সংশ্লিষ্ট দেশের ফুটবল ফেডারেশনের কাছে হস্তান্তর করে। পরে ফেডারেশনগুলো খেলোয়াড়, কোচিং স্টাফ এবং ফুটবলের তৃণমূল উন্নয়ন ও অবকাঠামো খাতে এই অর্থ ব্যয়ের সিদ্ধান্ত নেয়।

বিশ্বকাপের পরিধি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ফিফার আয়ও রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে। সংস্থাটি এবার ১০ বিলিয়ন ডলারের বেশি রাজস্ব আয়ের প্রত্যাশা করছে। চার বছরের বর্তমান চক্রে (২০২৩-২০২৬) ফিফার মোট আয় ১৩ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাতে পারে, যা আগের চক্রের ৭.৬ বিলিয়ন ডলার আয়ের তুলনায় অনেক বেশি।

প্রাইজমানির এই বৃদ্ধিতে সবচেয়ে বড় পরিবর্তন এসেছে চ্যাম্পিয়ন দলের পুরস্কারে। ২০২২ কাতার বিশ্বকাপ জিতে আর্জেন্টিনা পেয়েছিল ৪ কোটি ২০ লাখ ডলার। এবার বিশ্বচ্যাম্পিয়ন দল পাবে তার চেয়ে ৮০ লাখ ডলার বেশি, অর্থাৎ ৫ কোটি ডলার।

এদিকে, ফাইনাল শেষে বিজয়ী দলের খেলোয়াড় ও কোচিং স্টাফদের গলায় পরানো হবে স্বর্ণপদক, রানার্স-আপরা পাবেন রৌপ্যপদক এবং তৃতীয় স্থান অর্জনকারী দল পাবে ব্রোঞ্জপদক।

দলগত সাফল্যের পাশাপাশি ফাইনালের পর ঘোষণা করা হবে ব্যক্তিগত পুরস্কারও। সেরা খেলোয়াড় পাবেন গোল্ডেন বল, সেরা গোলরক্ষক গোল্ডেন গ্লাভস এবং সর্বোচ্চ গোলদাতা গোল্ডেন বুট। তবে এসব ব্যক্তিগত পুরস্কারের সঙ্গে কোনো অতিরিক্ত অর্থ প্রদান করা হয় না।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ১২:২০:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬ ৭ বার পড়া হয়েছে

বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়নরা পাবে ৬১৬ কোটি, বাকিরা কে কত?

আপডেট সময় : ১২:২০:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬

বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়নের জন্য রেকর্ড ৫ কোটি ডলার, প্রাইজমানিতে নতুন ইতিহাস গড়ছে ফিফা

ফুটবল বিশ্বকাপের ৯৬ বছরের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় আসর হিসেবে আয়োজিত ২০২৬ বিশ্বকাপে রেকর্ড পরিমাণ প্রাইজমানি ঘোষণা করেছে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা। এবারের টুর্নামেন্টে অংশ নেওয়া ৪৮টি দলের জন্য মোট ৬৫ কোটি ৫০ লাখ মার্কিন ডলার প্রাইজ ফান্ড রাখা হয়েছে, যা ২০২২ কাতার বিশ্বকাপের তুলনায় প্রায় ৫০ শতাংশ বেশি।

ক্রীড়া বিষয়ক সংবাদমাধ্যম দ্য অ্যাথলেটিক-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগামী রোববারের ফাইনালে বিজয়ী দল ৫ কোটি মার্কিন ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৬১৬ কোটি টাকা) পুরস্কার পাবে। রানার্স-আপ দল পাবে ৩ কোটি ৩০ লাখ ডলার (প্রায় ৪০৬ কোটি টাকা)।

এবারের বিশ্বকাপের ফাইনালে মুখোমুখি হচ্ছে স্পেন ও আর্জেন্টিনা। অন্যদিকে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে ফ্রান্স ও ইংল্যান্ড লড়বে। তৃতীয় স্থান অর্জনকারী দল পাবে ২ কোটি ৯০ লাখ ডলার, আর চতুর্থ স্থান পাওয়া দল পাবে ২ কোটি ৭০ লাখ ডলার।

কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে বিদায় নেওয়া মরক্কো, বেলজিয়াম, নরওয়ে ও সুইজারল্যান্ড প্রত্যেকে পাবে ১ কোটি ৯০ লাখ ডলার। শেষ ষোলো থেকে বিদায় নেওয়া আটটি দল পাবে ১ কোটি ৫০ লাখ ডলার করে এবং শেষ ৩২ থেকে বিদায় নেওয়া ১৬টি দল পাবে ১ কোটি ১০ লাখ ডলার করে।

এবারের বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া প্রতিটি দলের জন্যই ন্যূনতম ১ কোটি ৫ লাখ ডলার নিশ্চিত করা হয়েছে। এর মধ্যে গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নেওয়া দলগুলো পাবে ৯০ লাখ ডলার, পাশাপাশি প্রস্তুতি ব্যয় হিসেবে অতিরিক্ত ১৫ লাখ ডলার দেওয়া হবে।

ফিফা এই অর্থ সরাসরি সংশ্লিষ্ট দেশের ফুটবল ফেডারেশনের কাছে হস্তান্তর করে। পরে ফেডারেশনগুলো খেলোয়াড়, কোচিং স্টাফ এবং ফুটবলের তৃণমূল উন্নয়ন ও অবকাঠামো খাতে এই অর্থ ব্যয়ের সিদ্ধান্ত নেয়।

বিশ্বকাপের পরিধি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ফিফার আয়ও রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে। সংস্থাটি এবার ১০ বিলিয়ন ডলারের বেশি রাজস্ব আয়ের প্রত্যাশা করছে। চার বছরের বর্তমান চক্রে (২০২৩-২০২৬) ফিফার মোট আয় ১৩ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাতে পারে, যা আগের চক্রের ৭.৬ বিলিয়ন ডলার আয়ের তুলনায় অনেক বেশি।

প্রাইজমানির এই বৃদ্ধিতে সবচেয়ে বড় পরিবর্তন এসেছে চ্যাম্পিয়ন দলের পুরস্কারে। ২০২২ কাতার বিশ্বকাপ জিতে আর্জেন্টিনা পেয়েছিল ৪ কোটি ২০ লাখ ডলার। এবার বিশ্বচ্যাম্পিয়ন দল পাবে তার চেয়ে ৮০ লাখ ডলার বেশি, অর্থাৎ ৫ কোটি ডলার।

এদিকে, ফাইনাল শেষে বিজয়ী দলের খেলোয়াড় ও কোচিং স্টাফদের গলায় পরানো হবে স্বর্ণপদক, রানার্স-আপরা পাবেন রৌপ্যপদক এবং তৃতীয় স্থান অর্জনকারী দল পাবে ব্রোঞ্জপদক।

দলগত সাফল্যের পাশাপাশি ফাইনালের পর ঘোষণা করা হবে ব্যক্তিগত পুরস্কারও। সেরা খেলোয়াড় পাবেন গোল্ডেন বল, সেরা গোলরক্ষক গোল্ডেন গ্লাভস এবং সর্বোচ্চ গোলদাতা গোল্ডেন বুট। তবে এসব ব্যক্তিগত পুরস্কারের সঙ্গে কোনো অতিরিক্ত অর্থ প্রদান করা হয় না।