1. admin@kagojerbarta.com : admin :
  2. kamrul304076@gmail.com : Kamrul :
  3. jamalpurbakshiganj@gmail.com : Kamrulbk :
  4. seyam2858@gmail.com : seyam :
ঢাকা ০৫:১০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মুকসুদপুরে ৭ বছরের মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগ, শিক্ষক পুলিশ হেফাজতে

ছাইম খান গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি:
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলায় সাত বছর বয়সী এক মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগে এক শিক্ষককে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। আহত শিশুটি বর্তমানে মুকসুদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

আহত শিক্ষার্থীর নাম আহম্মদ শেখ (৭)। তিনি উপজেলার ঢালিকান্দী গ্রামের শাওন শেখের ছেলে এবং কদমপুর হাফেজিয়া মাদ্রাসার কায়দা বিভাগের শিক্ষার্থী। অভিযুক্ত শিক্ষক এনামুল মোল্লা উপজেলার গোবিন্দপুর ইউনিয়নের কদমপুর গ্রামের বাসিন্দা।

পরিবার ও স্থানীয় সূত্রের দাবি, গত বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) রাতে মাদ্রাসার একটি ক্যালকুলেটর হারিয়ে যাওয়ার ঘটনায় শিশুটির বিরুদ্ধে চুরির অভিযোগ আনা হয়। এরপর শিক্ষক এনামুল মোল্লা তাকে মারধর করেন বলে অভিযোগ ওঠে। অসুস্থ অবস্থায় পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।

শিশুটির বাবা শাওন শেখ বলেন, তাঁর ছেলে প্রায় এক বছর ধরে ওই মাদ্রাসায় পড়াশোনা করছে এবং এর আগে তার বিরুদ্ধে কোনো ধরনের অভিযোগ ওঠেনি। তিনি দাবি করেন, ভিত্তিহীন অভিযোগে তাঁর সন্তানকে নির্যাতন করা হয়েছে এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দায়ীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

অন্যদিকে, মাদ্রাসা পরিচালকের ভাই আমিনুল হক অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, শিশুটিকে মারধর করা হয়নি। তাঁর দাবি, সে পড়ে গিয়ে আঘাত পেয়েছে।

এ বিষয়ে মুকসুদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল্লাহ আল মামুন জানান, অভিযুক্ত শিক্ষককে প্রাথমিকভাবে পুলিশ হেফাজতে রাখা হয়েছে। ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ০৯:৫২:১৭ পূর্বাহ্ণ, শনিবার, ১ আগস্ট ২০২৬ ৬ বার পড়া হয়েছে

মুকসুদপুরে ৭ বছরের মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগ, শিক্ষক পুলিশ হেফাজতে

আপডেট সময় : ০৯:৫২:১৭ পূর্বাহ্ণ, শনিবার, ১ আগস্ট ২০২৬

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলায় সাত বছর বয়সী এক মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগে এক শিক্ষককে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। আহত শিশুটি বর্তমানে মুকসুদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

আহত শিক্ষার্থীর নাম আহম্মদ শেখ (৭)। তিনি উপজেলার ঢালিকান্দী গ্রামের শাওন শেখের ছেলে এবং কদমপুর হাফেজিয়া মাদ্রাসার কায়দা বিভাগের শিক্ষার্থী। অভিযুক্ত শিক্ষক এনামুল মোল্লা উপজেলার গোবিন্দপুর ইউনিয়নের কদমপুর গ্রামের বাসিন্দা।

পরিবার ও স্থানীয় সূত্রের দাবি, গত বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) রাতে মাদ্রাসার একটি ক্যালকুলেটর হারিয়ে যাওয়ার ঘটনায় শিশুটির বিরুদ্ধে চুরির অভিযোগ আনা হয়। এরপর শিক্ষক এনামুল মোল্লা তাকে মারধর করেন বলে অভিযোগ ওঠে। অসুস্থ অবস্থায় পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।

শিশুটির বাবা শাওন শেখ বলেন, তাঁর ছেলে প্রায় এক বছর ধরে ওই মাদ্রাসায় পড়াশোনা করছে এবং এর আগে তার বিরুদ্ধে কোনো ধরনের অভিযোগ ওঠেনি। তিনি দাবি করেন, ভিত্তিহীন অভিযোগে তাঁর সন্তানকে নির্যাতন করা হয়েছে এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দায়ীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

অন্যদিকে, মাদ্রাসা পরিচালকের ভাই আমিনুল হক অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, শিশুটিকে মারধর করা হয়নি। তাঁর দাবি, সে পড়ে গিয়ে আঘাত পেয়েছে।

এ বিষয়ে মুকসুদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল্লাহ আল মামুন জানান, অভিযুক্ত শিক্ষককে প্রাথমিকভাবে পুলিশ হেফাজতে রাখা হয়েছে। ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।