1. admin@kagojerbarta.com : admin :
  2. kamrul304076@gmail.com : Kamrul :
  3. jamalpurbakshiganj@gmail.com : Kamrulbk :
  4. seyam2858@gmail.com : seyam :
ঢাকা ১২:৪৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চরভদ্রাসন উপজেলায় চায়না দুয়ারির দাপট, প্রশাসন ‘বাজেট সংকটে’

চরভদ্রাসন (ফরিদপুর) প্রতিনিধি
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
২৫

ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলার পদ্মা নদী ও বিভিন্ন খাল-বিলে নিষিদ্ধ ‘চায়না দুয়ারি’ জালের ব্যবহার আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে। স্থানীয় জেলে, সচেতন নাগরিক ও মৎস্যজীবীদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে প্রকাশ্যে এসব জাল ব্যবহার হলেও কার্যকর অভিযান ও নিয়মিত নজরদারির অভাবে দেশীয় মাছের প্রজনন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। 

স্থানীয়দের দাবি, মাঝে মধ্যে অভিযান পরিচালিত হলেও তা পর্যাপ্ত নয়। তাদের ভাষ্য, সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের পক্ষ থেকে জনবল ও বাজেট সংকটের কথা উল্লেখ করা হয়, যার ফলে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা সম্ভব হচ্ছে না। এ কারণে নিষিদ্ধ জালের ব্যবহারকারীরা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে বলে অভিযোগ করেন তারা।

মৎস্যজীবীরা জানান, চায়না দুয়ারি জালের সূক্ষ্ম ফাঁসে ছোট পোনা থেকে শুরু করে মা মাছ পর্যন্ত আটকা পড়ে। এতে নদীর প্রাকৃতিক মৎস্যসম্পদ দ্রুত হ্রাস পাচ্ছে। বৈধ জাল ব্যবহারকারী জেলেরা আগের তুলনায় অনেক কম মাছ পাচ্ছেন, ফলে তাদের জীবিকা হুমকির মুখে পড়েছে। 

সচেতন মহলের মতে, শুধু বিচ্ছিন্ন অভিযান নয়, বরং নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা, অবৈধ জাল জব্দ এবং বিক্রেতা ও ব্যবহারকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে এই সংকট আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করবে।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের বক্তব্য জানতে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে স্থানীয়রা আশা করছেন, দ্রুত প্রয়োজনীয় বাজেট ও জনবল নিশ্চিত করে নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি জালের বিরুদ্ধে জোরালো অভিযান পরিচালনা করা হবে, যাতে পদ্মার দেশীয় মৎস্যসম্পদ রক্ষা পায়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ০৪:২৬:৫৪ অপরাহ্ণ, সোমবার, ১০ আগস্ট ২০২৬ ২২ বার পড়া হয়েছে

চরভদ্রাসন উপজেলায় চায়না দুয়ারির দাপট, প্রশাসন ‘বাজেট সংকটে’

আপডেট সময় : ০৪:২৬:৫৪ অপরাহ্ণ, সোমবার, ১০ আগস্ট ২০২৬
২৫

ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলার পদ্মা নদী ও বিভিন্ন খাল-বিলে নিষিদ্ধ ‘চায়না দুয়ারি’ জালের ব্যবহার আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে। স্থানীয় জেলে, সচেতন নাগরিক ও মৎস্যজীবীদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে প্রকাশ্যে এসব জাল ব্যবহার হলেও কার্যকর অভিযান ও নিয়মিত নজরদারির অভাবে দেশীয় মাছের প্রজনন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। 

স্থানীয়দের দাবি, মাঝে মধ্যে অভিযান পরিচালিত হলেও তা পর্যাপ্ত নয়। তাদের ভাষ্য, সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের পক্ষ থেকে জনবল ও বাজেট সংকটের কথা উল্লেখ করা হয়, যার ফলে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা সম্ভব হচ্ছে না। এ কারণে নিষিদ্ধ জালের ব্যবহারকারীরা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে বলে অভিযোগ করেন তারা।

মৎস্যজীবীরা জানান, চায়না দুয়ারি জালের সূক্ষ্ম ফাঁসে ছোট পোনা থেকে শুরু করে মা মাছ পর্যন্ত আটকা পড়ে। এতে নদীর প্রাকৃতিক মৎস্যসম্পদ দ্রুত হ্রাস পাচ্ছে। বৈধ জাল ব্যবহারকারী জেলেরা আগের তুলনায় অনেক কম মাছ পাচ্ছেন, ফলে তাদের জীবিকা হুমকির মুখে পড়েছে। 

সচেতন মহলের মতে, শুধু বিচ্ছিন্ন অভিযান নয়, বরং নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা, অবৈধ জাল জব্দ এবং বিক্রেতা ও ব্যবহারকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে এই সংকট আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করবে।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের বক্তব্য জানতে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে স্থানীয়রা আশা করছেন, দ্রুত প্রয়োজনীয় বাজেট ও জনবল নিশ্চিত করে নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি জালের বিরুদ্ধে জোরালো অভিযান পরিচালনা করা হবে, যাতে পদ্মার দেশীয় মৎস্যসম্পদ রক্ষা পায়।