ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি : একাডেমিক মাইগ্রেশনের পক্ষে ৮৬.৪ শতাংশ ভোট
ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির অধীনস্থ রাজধানীর সাত সরকারি কলেজের শিক্ষার্থীদের একাডেমিক মাইগ্রেশন বিষয়ে অনুষ্ঠিত ভোটাভুটিতে ৮৬.৪ শতাংশ শিক্ষার্থী ইতিবাচক রায় দিয়েছেন।
গত ১৭ আগস্ট ২০২৬ সকাল ১০টা থেকে শুরু হয়ে ২০ আগস্ট বিকেল ৪টা পর্যন্ত নির্ধারিত অনলাইন ভোটিং উইন্ডোতে এই মতামত গ্রহণ কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির সংকলিত অফিসিয়াল সামারি রিপোর্ট থেকে জানা যায়, মোট ভোটারদের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ এই প্রক্রিয়ায় অংশ নিয়ে একাডেমিক মাইগ্রেশনের পক্ষে নিজেদের সমর্থন স্পষ্ট করেছেন।
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, সাতটি কলেজের ৫৪,৩৯৬ জন যোগ্য শিক্ষার্থীর মধ্যে সর্বমোট ১৯,৬৮২ জন তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন, যার ফলে মোট উপস্থিতির হার দাঁড়িয়েছে ৩৬.১৮ শতাংশে। মোট সংগৃহীত ভোটের মধ্যে ১৭,০১২ জন শিক্ষার্থী মাইগ্রেশনের পক্ষে অর্থাৎ ‘হ্যাঁ’ সূচক ভোট প্রদান করেন।
অন্যদিকে ২,৫৩২ জন শিক্ষার্থী (১২.৯%) মাইগ্রেশনের বিপক্ষে ‘না’ ভোট দিয়েছেন এবং ১৩৮ জন শিক্ষার্থী (০.৭%) কোনো মন্তব্য করেননি। ভোটদানে ডিভাইস ব্যবহারের ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের মধ্যে মোবাইলের আধিপত্য দেখা গেছে; মোট সংগৃহীত ভোটের ৯৪.৪ শতাংশই (১৮,৩৯৪টি) মোবাইল ফোনের মাধ্যমে দেওয়া হয়েছে।
কলেজ ভিত্তিক রায়ে দেখা যায়, কবি নজরুল সরকারি কলেজের শিক্ষার্থীদের মধ্যে ইতিবাচক ভোটের হার ছিল সবচেয়ে বেশি, যেখানে ৯৬.৭ শতাংশ (২,৩১৭ জন) মাইগ্রেশনের পক্ষে মত দিয়েছেন।
এছাড়া সরকারি বাংলা কলেজের ৯৫.৯ শতাংশ, সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজের ৯৫.৮ শতাংশ, ঢাকা কলেজের ৯৩.৫ শতাংশ, বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজের ৮৪.৯ শতাংশ এবং ইডেন মহিলা কলেজের ৮১.৮ শতাংশ শিক্ষার্থী ‘হ্যাঁ’ সূচক ভোট প্রদান করেন।
অন্যদিকে সরকারি তিতুমীর কলেজে ৩,৩১০ জন (৬৭.৯%) শিক্ষার্থী পক্ষে এবং ১,৫২৫ জন (৩১.৩%) শিক্ষার্থী বিপক্ষে মত দেন। তবে একক কলেজ হিসেবে ভোটার উপস্থিতির দিক থেকে ৫১.৮ শতাংশ অংশগ্রহণ নিয়ে শীর্ষে ছিল ঢাকা কলেজ।
শিক্ষাবর্ষ অনুযায়ী ২০২৩-২০২৪ সেশনের শিক্ষার্থীদের মধ্যে ইতিবাচক মত প্রকাশের হার ছিল সর্বাধিক, যার পরিমাণ ৯৪.২ শতাংশ (৬,৩৪৪ জন)। পাশাপাশি ২০২২-২০২৩ সেশনের ৮৭.৯ শতাংশ এবং ২০২১-২০২২ সেশনের ৭৭.৫ শতাংশ শিক্ষার্থী মাইগ্রেশনের সপক্ষে ভোট দেন।
ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির রেজিস্ট্রারের কার্যালয়, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণ শাখা ও ট্রেজারার কার্যালয়ের সংকলন শেষে প্রো-ভাইস চ্যান্সেলরের অনুমোদনে এই চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। শিক্ষার্থীদের এই সুস্পষ্ট মতামতের আলোকেই পরবর্তী একাডেমিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে বলে জানা গেছে।
























