1. admin@kagojerbarta.com : admin :
  2. amirsadeky88@gmail.com : amirsadeky :
  3. kamrul304076@gmail.com : Kamrul :
  4. jamalpurbakshiganj@gmail.com : Kamrulbk :
  5. motin.imran07051986@gmail.com : motin.imran07051986@gmail.com :
  6. seyam2858@gmail.com : seyam :
ঢাকা ০২:২১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬, ৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অনুমোদনহীন স্লিপার বাসে বাড়ছে দুর্ঘটনা-অগ্নিকাণ্ড, ‘চলন্ত মৃত্যুফাঁদ’ নিয়ে উদ্বেগ

নিজস্ব প্রতিবেদক
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
২৫

ঝকঝকে নকশা, আধুনিক পেইন্ট আর ভেতরে আলোর ঝলকানি—দেখতে বিলাসবহুল এসব বাস। ভেতরে ঢুকলেই মাঝখানে সরু করিডোর, দুই পাশে ওপর-নিচে ছোট ছোট খোপ। কোথাও শোয়ার আসন, কোথাও চেয়ার। ‘স্লিপার বাস’ নামে পরিচিত এসব যান এখন ঢাকা-কক্সবাজার, সিলেট, খুলনাসহ দেশের বিভিন্ন মহাসড়কে চলাচল করছে।

কম খরচে শুয়ে দূরপাল্লার ভ্রমণের সুযোগ থাকায় অল্প সময়েই জনপ্রিয়তা পেয়েছে এসব বাস। তবে সাম্প্রতিক সময়ে একের পর এক দুর্ঘটনা ও অগ্নিকাণ্ডে প্রশ্ন উঠেছে এর নিরাপত্তা নিয়ে। সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, অনুমোদন ছাড়াই সাধারণ বাসের কাঠামো পরিবর্তন করে তৈরি করা হচ্ছে অনেক স্লিপার কোচ। এতে যাত্রীদের নিরাপত্তা মারাত্মকভাবে ঝুঁকির মধ্যে পড়ছে।

সড়ক নিরাপত্তা সংশ্লিষ্টদের দাবি, একতলা বাসের চেসিসের ওপর অতিরিক্ত কাঠামো বসিয়ে দেশে প্রায় ৮২৯টি দোতলা স্লিপার কোচ চলাচল করছে। এসব বাসের কোনোটিরই ডাবল ডেকার স্লিপার কোচ হিসেবে চলাচলের অনুমোদন নেই বলে দাবি তাদের। দুর্ঘটনা বা আগুন লাগলে যাত্রীদের দ্রুত বের হয়ে আসার সুযোগও সীমিত।

এক মাসেই একাধিক দুর্ঘটনা ও অগ্নিকাণ্ড

চলতি মাসের ৭ আগস্ট সিলেটের ওসমানীনগরে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে বেঙ্গল ও ইউনিক পরিবহনের দুই বাসের সংঘর্ষে ৯ জন নিহত হন। আহত হন অন্তত ২৪ জন। ড্যাশক্যামের ফুটেজে দেখা যায়, বেঙ্গল পরিবহনের বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ইউনিক পরিবহনের বাসটিকে ধাক্কা দিলে সেটি সড়কের পাশের খাদে পড়ে যায়। নিহতদের মধ্যে এক শিশু ও বাউলশিল্পী পেহেলী ভৈরবীও ছিলেন।

এরপর ১৭ আগস্ট ভোরে কুমিল্লার দাউদকান্দির ইলিয়টগঞ্জে কক্সবাজার থেকে ঢাকাগামী রয়েল কক্সের একটি স্লিপার কোচে আগুন লাগে। সামনে থাকা একটি যানকে ধাক্কা দেওয়ার পর বাসটিতে আগুন ধরে যায় এবং দ্রুত পুরো বাসে ছড়িয়ে পড়ে। তবে সব যাত্রী নিরাপদে বের হয়ে আসায় হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

সর্বশেষ ২১ আগস্ট দিবাগত রাতে কক্সবাজার থেকে ঢাকাগামী আইকন পরিবহনের একটি এসি বাসে রামুর কলঘর বাজার এলাকায় আগুন লাগে। বাসটিতে ২৫ থেকে ৩০ জন যাত্রী ছিলেন। স্থানীয়রা জানালার কাচ ভেঙে যাত্রীদের বের করে আনেন। পরে ফায়ার সার্ভিস আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। প্রাথমিকভাবে যান্ত্রিক ত্রুটি ও ইঞ্জিন অতিরিক্ত গরমকে আগুনের সম্ভাব্য কারণ হিসেবে ধারণা করা হচ্ছে।

এর আগে ২২ মার্চ ফেনীর রামপুরে দাঁড়িয়ে থাকা কয়েকটি যানবাহনে দোয়েল পরিবহনের একটি স্লিপার বাস ধাক্কা দিলে তিনজন নিহত ও পাঁচজন আহত হন। ওই ঘটনায় চারটি বাস ও দুটি মোটরসাইকেল জব্দ করেছিল পুলিশ।

সাধারণ বাস থেকে ‘স্লিপার কোচ’

অনুসন্ধানে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সাধারণ এসি বাসে যেখানে প্রায় ৩২টি আসন থাকে, সেখানে কাঠামো পরিবর্তন করে কোনো কোনো স্লিপার বাসে ৪৫টি পর্যন্ত আসন তৈরি করা হচ্ছে। একই চেসিসের ওপর অতিরিক্ত কাঠামো বসানোর ফলে বাসের ওজন বাড়ছে। যাত্রী ও মালামালের সম্মিলিত অতিরিক্ত ওজন চেসিসের ওপরও বাড়তি চাপ সৃষ্টি করতে পারে।

সড়ক নিরাপত্তা সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, আমদানিকারক, মালিক, বডি বিল্ডার্স এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরের অসাধু কর্মকর্তা ও তদারকি সংস্থার গাফিলতির কারণে অনুমোদনহীন এসব যান মহাসড়কে চলাচলের সুযোগ পাচ্ছে।

অভিযানে জরিমানা, সিলগালা

সাম্প্রতিক দুর্ঘটনা ও অগ্নিকাণ্ডের পর স্লিপার বাসের বিরুদ্ধে অভিযান জোরদার করেছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

সর্বশেষ ১৯ আগস্ট রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে অভিযান চালিয়ে অনুমোদনহীন স্লিপার কোচের কাঠামো তৈরি, বাসের কাঠামো পরিবর্তন ও অবৈধ গ্যারেজ পরিচালনার অভিযোগে পাঁচটি প্রতিষ্ঠানকে মোট আড়াই লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

এর আগের দিন গাবতলী, আমিনবাজার ও মানিকনগরের বিভিন্ন বডি বিল্ডিং গ্যারেজে অভিযান চালিয়ে চারটি গ্যারেজকে ২ লাখ ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। মেরামতের সময় আটটি গাড়ি ডাম্পিংয়ে পাঠানো এবং চলাচলের অনুপযোগী দুটি স্লিপার বাস জব্দ করা হয়। এ সময় ‘নিউ ডিসেন্ট ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কস’ নামে একটি বডি গ্যারেজ সিলগালা করা হয়।

এ ছাড়া ১৯ আগস্ট কক্সবাজারে জেলা প্রশাসন, বিআরটিএ ও জেলা পুলিশের যৌথ অভিযানে অনুমোদনহীন আসনবিন্যাস ও কাঠামোগত পরিবর্তন এবং ফিটনেস সনদ না থাকার অভিযোগে লন্ডন এক্সপ্রেস, দোয়েল এক্সপ্রেস, সেন্টমার্টিন পরিবহন ও ইম্পেরিয়াল এক্সপ্রেসসহ পাঁচটি দূরপাল্লার বাসের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। একই সঙ্গে ঘটনাস্থলেই ১ লাখ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।

তবে সংশ্লিষ্টদের প্রশ্ন, অভিযান ও জরিমানা দিয়ে সাময়িকভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা গেলেও অনুমোদনহীন কাঠামো পরিবর্তন বন্ধে কার্যকর ও স্থায়ী ব্যবস্থা না নিলে মহাসড়কে স্লিপার বাসের নিরাপত্তাঝুঁকি থেকেই যাবে। যাত্রীদের স্বপ্নের আরামদায়ক ভ্রমণ যাতে ভয়াবহ দুর্ঘটনার কারণ না হয়, সে জন্য অনুমোদন, কাঠামো, ফিটনেস ও নিরাপত্তাব্যবস্থা কঠোরভাবে নিশ্চিত করার দাবি উঠেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ০৮:১৯:২৬ অপরাহ্ণ, শনিবার, ২২ আগস্ট ২০২৬ ২ বার পড়া হয়েছে

অনুমোদনহীন স্লিপার বাসে বাড়ছে দুর্ঘটনা-অগ্নিকাণ্ড, ‘চলন্ত মৃত্যুফাঁদ’ নিয়ে উদ্বেগ

আপডেট সময় : ০৮:১৯:২৬ অপরাহ্ণ, শনিবার, ২২ আগস্ট ২০২৬
২৫

ঝকঝকে নকশা, আধুনিক পেইন্ট আর ভেতরে আলোর ঝলকানি—দেখতে বিলাসবহুল এসব বাস। ভেতরে ঢুকলেই মাঝখানে সরু করিডোর, দুই পাশে ওপর-নিচে ছোট ছোট খোপ। কোথাও শোয়ার আসন, কোথাও চেয়ার। ‘স্লিপার বাস’ নামে পরিচিত এসব যান এখন ঢাকা-কক্সবাজার, সিলেট, খুলনাসহ দেশের বিভিন্ন মহাসড়কে চলাচল করছে।

কম খরচে শুয়ে দূরপাল্লার ভ্রমণের সুযোগ থাকায় অল্প সময়েই জনপ্রিয়তা পেয়েছে এসব বাস। তবে সাম্প্রতিক সময়ে একের পর এক দুর্ঘটনা ও অগ্নিকাণ্ডে প্রশ্ন উঠেছে এর নিরাপত্তা নিয়ে। সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, অনুমোদন ছাড়াই সাধারণ বাসের কাঠামো পরিবর্তন করে তৈরি করা হচ্ছে অনেক স্লিপার কোচ। এতে যাত্রীদের নিরাপত্তা মারাত্মকভাবে ঝুঁকির মধ্যে পড়ছে।

সড়ক নিরাপত্তা সংশ্লিষ্টদের দাবি, একতলা বাসের চেসিসের ওপর অতিরিক্ত কাঠামো বসিয়ে দেশে প্রায় ৮২৯টি দোতলা স্লিপার কোচ চলাচল করছে। এসব বাসের কোনোটিরই ডাবল ডেকার স্লিপার কোচ হিসেবে চলাচলের অনুমোদন নেই বলে দাবি তাদের। দুর্ঘটনা বা আগুন লাগলে যাত্রীদের দ্রুত বের হয়ে আসার সুযোগও সীমিত।

এক মাসেই একাধিক দুর্ঘটনা ও অগ্নিকাণ্ড

চলতি মাসের ৭ আগস্ট সিলেটের ওসমানীনগরে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে বেঙ্গল ও ইউনিক পরিবহনের দুই বাসের সংঘর্ষে ৯ জন নিহত হন। আহত হন অন্তত ২৪ জন। ড্যাশক্যামের ফুটেজে দেখা যায়, বেঙ্গল পরিবহনের বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ইউনিক পরিবহনের বাসটিকে ধাক্কা দিলে সেটি সড়কের পাশের খাদে পড়ে যায়। নিহতদের মধ্যে এক শিশু ও বাউলশিল্পী পেহেলী ভৈরবীও ছিলেন।

এরপর ১৭ আগস্ট ভোরে কুমিল্লার দাউদকান্দির ইলিয়টগঞ্জে কক্সবাজার থেকে ঢাকাগামী রয়েল কক্সের একটি স্লিপার কোচে আগুন লাগে। সামনে থাকা একটি যানকে ধাক্কা দেওয়ার পর বাসটিতে আগুন ধরে যায় এবং দ্রুত পুরো বাসে ছড়িয়ে পড়ে। তবে সব যাত্রী নিরাপদে বের হয়ে আসায় হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

সর্বশেষ ২১ আগস্ট দিবাগত রাতে কক্সবাজার থেকে ঢাকাগামী আইকন পরিবহনের একটি এসি বাসে রামুর কলঘর বাজার এলাকায় আগুন লাগে। বাসটিতে ২৫ থেকে ৩০ জন যাত্রী ছিলেন। স্থানীয়রা জানালার কাচ ভেঙে যাত্রীদের বের করে আনেন। পরে ফায়ার সার্ভিস আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। প্রাথমিকভাবে যান্ত্রিক ত্রুটি ও ইঞ্জিন অতিরিক্ত গরমকে আগুনের সম্ভাব্য কারণ হিসেবে ধারণা করা হচ্ছে।

এর আগে ২২ মার্চ ফেনীর রামপুরে দাঁড়িয়ে থাকা কয়েকটি যানবাহনে দোয়েল পরিবহনের একটি স্লিপার বাস ধাক্কা দিলে তিনজন নিহত ও পাঁচজন আহত হন। ওই ঘটনায় চারটি বাস ও দুটি মোটরসাইকেল জব্দ করেছিল পুলিশ।

সাধারণ বাস থেকে ‘স্লিপার কোচ’

অনুসন্ধানে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সাধারণ এসি বাসে যেখানে প্রায় ৩২টি আসন থাকে, সেখানে কাঠামো পরিবর্তন করে কোনো কোনো স্লিপার বাসে ৪৫টি পর্যন্ত আসন তৈরি করা হচ্ছে। একই চেসিসের ওপর অতিরিক্ত কাঠামো বসানোর ফলে বাসের ওজন বাড়ছে। যাত্রী ও মালামালের সম্মিলিত অতিরিক্ত ওজন চেসিসের ওপরও বাড়তি চাপ সৃষ্টি করতে পারে।

সড়ক নিরাপত্তা সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, আমদানিকারক, মালিক, বডি বিল্ডার্স এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরের অসাধু কর্মকর্তা ও তদারকি সংস্থার গাফিলতির কারণে অনুমোদনহীন এসব যান মহাসড়কে চলাচলের সুযোগ পাচ্ছে।

অভিযানে জরিমানা, সিলগালা

সাম্প্রতিক দুর্ঘটনা ও অগ্নিকাণ্ডের পর স্লিপার বাসের বিরুদ্ধে অভিযান জোরদার করেছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

সর্বশেষ ১৯ আগস্ট রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে অভিযান চালিয়ে অনুমোদনহীন স্লিপার কোচের কাঠামো তৈরি, বাসের কাঠামো পরিবর্তন ও অবৈধ গ্যারেজ পরিচালনার অভিযোগে পাঁচটি প্রতিষ্ঠানকে মোট আড়াই লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

এর আগের দিন গাবতলী, আমিনবাজার ও মানিকনগরের বিভিন্ন বডি বিল্ডিং গ্যারেজে অভিযান চালিয়ে চারটি গ্যারেজকে ২ লাখ ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। মেরামতের সময় আটটি গাড়ি ডাম্পিংয়ে পাঠানো এবং চলাচলের অনুপযোগী দুটি স্লিপার বাস জব্দ করা হয়। এ সময় ‘নিউ ডিসেন্ট ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কস’ নামে একটি বডি গ্যারেজ সিলগালা করা হয়।

এ ছাড়া ১৯ আগস্ট কক্সবাজারে জেলা প্রশাসন, বিআরটিএ ও জেলা পুলিশের যৌথ অভিযানে অনুমোদনহীন আসনবিন্যাস ও কাঠামোগত পরিবর্তন এবং ফিটনেস সনদ না থাকার অভিযোগে লন্ডন এক্সপ্রেস, দোয়েল এক্সপ্রেস, সেন্টমার্টিন পরিবহন ও ইম্পেরিয়াল এক্সপ্রেসসহ পাঁচটি দূরপাল্লার বাসের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। একই সঙ্গে ঘটনাস্থলেই ১ লাখ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।

তবে সংশ্লিষ্টদের প্রশ্ন, অভিযান ও জরিমানা দিয়ে সাময়িকভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা গেলেও অনুমোদনহীন কাঠামো পরিবর্তন বন্ধে কার্যকর ও স্থায়ী ব্যবস্থা না নিলে মহাসড়কে স্লিপার বাসের নিরাপত্তাঝুঁকি থেকেই যাবে। যাত্রীদের স্বপ্নের আরামদায়ক ভ্রমণ যাতে ভয়াবহ দুর্ঘটনার কারণ না হয়, সে জন্য অনুমোদন, কাঠামো, ফিটনেস ও নিরাপত্তাব্যবস্থা কঠোরভাবে নিশ্চিত করার দাবি উঠেছে।