1. admin@kagojerbarta.com : admin :
  2. amirsadeky88@gmail.com : amirsadeky :
  3. faysalajony@gmail.com : FAYSAL AHMED :
  4. kamrul304076@gmail.com : Kamrul :
  5. jamalpurbakshiganj@gmail.com : Kamrulbk :
  6. motin.imran07051986@gmail.com : motin.imran07051986@gmail.com :
  7. seyam2858@gmail.com : seyam :
ঢাকা ০৫:৩১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গুমের শিকার প্রত্যেক ভিকটিম যেন বিচার পান, সে আইন করতে চাই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

গুমের শিকার প্রত্যেক ব্যক্তি যেন বিচার পান এবং অপরাধীরা শাস্তির আওতায় আসে, এমন একটি শক্তিশালী আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

শনিবার (২৯ আগস্ট) রাজধানীর শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরে ‘মায়ের ডাক’ আয়োজিত প্রদর্শনী ও আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “এ দেশের মানুষ দীর্ঘ ফ্যাসিজম থেকে বাংলাদেশকে মুক্ত করেছেন। আমরা গুমের জন্য এমন আইন আনতে চাই, যাতে প্রতিটি ভিকটিম বিচার পান এবং যারা অপরাধী তারা সাজা পান।”

তিনি বলেন, গুম কমিশনের কার্যক্রমে সব বিষয় অন্তর্ভুক্ত ছিল না। তাই গুমের শিকার ব্যক্তিরা যেন সরাসরি আদালতের শরণাপন্ন হতে পারেন, সে ব্যবস্থা রেখে আইন সংসদে উপস্থাপন করা হয়েছে।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, কোন ধরনের গুমের জন্য কী শাস্তি হবে, তদন্ত কারা করবেন এবং তদন্ত কীভাবে পরিচালিত হবে—এসব বিষয় আইনে নির্ধারণ করা হয়েছে। কোনো গুমের শিকার ব্যক্তিকে খুঁজে পাওয়া না গেলে তাঁর ওয়ারিশরা যেন সম্পদের অধিকার পান, সেই বিধানও রাখা হয়েছে।

এ ছাড়া গুমের ঘটনায় ক্ষতিপূরণ দেওয়ার ক্ষেত্রে অভিযুক্ত ব্যক্তি সক্ষম না হলে রাষ্ট্র যেন ক্ষতিপূরণ দিতে পারে, সে ব্যবস্থাও আইনে রাখা হয়েছে বলে জানান তিনি।

‘গুম প্রতিকার আইন ২০২৬’-এ কিছু ত্রুটি থাকতে পারে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, “ত্রুটি থাকলে তা সংশোধন করা যাবে। কিন্তু এই আইনটি প্রয়োজন ছিল, তাই আমরা আইনটি করেছি।”

নিজের গুম হওয়ার প্রসঙ্গ তুলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “আমি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। আমি নিজেও গুমের শিকার। আমি কি চাইব না যে গুম নিয়ে একটি শক্তিশালী আইন হোক? এখানে কি আর কোনো স্বার্থ থাকতে পারে?”

তিনি আরও বলেন, “আমরা আজ সরকারে আছি, আগামীতে নাও থাকতে পারি। কিন্তু এই আইনটা থাকবে। ফলে গুমের শিকার যিনিই হন, তিনি বিচার পাবেন।”

গুমের শিকার ব্যক্তিদের গত দুই বছর অবজ্ঞা ও তুচ্ছতাচ্ছিল্য করা হয়েছে দাবি করে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, তাদের নিয়ে অপসংস্কৃতি চর্চা করা হয়েছে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক।

তিনি বলেন, “আমরা যারা গুম হয়েছিলাম, তাদের মধ্যে আমি বেঁচে আছি, হুম্মাম কাদেরও বেঁচে আছেন। আমরা কি জানতাম আমরা বেঁচে থাকব? আমাদের বেঁচে থাকা নিয়ে হাস্যরস করা ভবিষ্যতের গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে হতাশাগ্রস্ত করবে।”

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ১০:৫৫:৫২ অপরাহ্ণ, শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬ ০ বার পড়া হয়েছে

গুমের শিকার প্রত্যেক ভিকটিম যেন বিচার পান, সে আইন করতে চাই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আপডেট সময় : ১০:৫৫:৫২ অপরাহ্ণ, শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬

গুমের শিকার প্রত্যেক ব্যক্তি যেন বিচার পান এবং অপরাধীরা শাস্তির আওতায় আসে, এমন একটি শক্তিশালী আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

শনিবার (২৯ আগস্ট) রাজধানীর শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরে ‘মায়ের ডাক’ আয়োজিত প্রদর্শনী ও আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “এ দেশের মানুষ দীর্ঘ ফ্যাসিজম থেকে বাংলাদেশকে মুক্ত করেছেন। আমরা গুমের জন্য এমন আইন আনতে চাই, যাতে প্রতিটি ভিকটিম বিচার পান এবং যারা অপরাধী তারা সাজা পান।”

তিনি বলেন, গুম কমিশনের কার্যক্রমে সব বিষয় অন্তর্ভুক্ত ছিল না। তাই গুমের শিকার ব্যক্তিরা যেন সরাসরি আদালতের শরণাপন্ন হতে পারেন, সে ব্যবস্থা রেখে আইন সংসদে উপস্থাপন করা হয়েছে।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, কোন ধরনের গুমের জন্য কী শাস্তি হবে, তদন্ত কারা করবেন এবং তদন্ত কীভাবে পরিচালিত হবে—এসব বিষয় আইনে নির্ধারণ করা হয়েছে। কোনো গুমের শিকার ব্যক্তিকে খুঁজে পাওয়া না গেলে তাঁর ওয়ারিশরা যেন সম্পদের অধিকার পান, সেই বিধানও রাখা হয়েছে।

এ ছাড়া গুমের ঘটনায় ক্ষতিপূরণ দেওয়ার ক্ষেত্রে অভিযুক্ত ব্যক্তি সক্ষম না হলে রাষ্ট্র যেন ক্ষতিপূরণ দিতে পারে, সে ব্যবস্থাও আইনে রাখা হয়েছে বলে জানান তিনি।

‘গুম প্রতিকার আইন ২০২৬’-এ কিছু ত্রুটি থাকতে পারে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, “ত্রুটি থাকলে তা সংশোধন করা যাবে। কিন্তু এই আইনটি প্রয়োজন ছিল, তাই আমরা আইনটি করেছি।”

নিজের গুম হওয়ার প্রসঙ্গ তুলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “আমি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। আমি নিজেও গুমের শিকার। আমি কি চাইব না যে গুম নিয়ে একটি শক্তিশালী আইন হোক? এখানে কি আর কোনো স্বার্থ থাকতে পারে?”

তিনি আরও বলেন, “আমরা আজ সরকারে আছি, আগামীতে নাও থাকতে পারি। কিন্তু এই আইনটা থাকবে। ফলে গুমের শিকার যিনিই হন, তিনি বিচার পাবেন।”

গুমের শিকার ব্যক্তিদের গত দুই বছর অবজ্ঞা ও তুচ্ছতাচ্ছিল্য করা হয়েছে দাবি করে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, তাদের নিয়ে অপসংস্কৃতি চর্চা করা হয়েছে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক।

তিনি বলেন, “আমরা যারা গুম হয়েছিলাম, তাদের মধ্যে আমি বেঁচে আছি, হুম্মাম কাদেরও বেঁচে আছেন। আমরা কি জানতাম আমরা বেঁচে থাকব? আমাদের বেঁচে থাকা নিয়ে হাস্যরস করা ভবিষ্যতের গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে হতাশাগ্রস্ত করবে।”