1. admin@kagojerbarta.com : admin :
  2. amirsadeky88@gmail.com : amirsadeky :
  3. faysalajony@gmail.com : FAYSAL AHMED :
  4. kamrul304076@gmail.com : Kamrul :
  5. jamalpurbakshiganj@gmail.com : Kamrulbk :
  6. mdsaimkhanbd7@gmail.com : mdsaimkhan123 :
  7. motin.imran07051986@gmail.com : motin.imran07051986@gmail.com :
  8. seyam2858@gmail.com : seyam :
ঢাকা ০৭:৩৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইরান যুদ্ধে ছয় মাসে মার্কিন ভোক্তাদের অতিরিক্ত ১০০ বিলিয়ন ডলার জ্বালানি ব্যয়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
১৯

ইরান যুদ্ধের ছয় মাসে যুক্তরাষ্ট্রের ভোক্তারা পেট্রোল ও ডিজেলের পেছনে অতিরিক্ত প্রায় ১০০ বিলিয়ন ডলার খরচ করেছেন। ব্রাউন ইউনিভার্সিটির ওয়াটসন ইনস্টিটিউট ফর ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড পাবলিক অ্যাফেয়ার্সের বরাতে এ তথ্য জানা গেছে।

যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে এই অতিরিক্ত ব্যয় ভাগ করে দিলে প্রতি পরিবারের পেছনে গড়ে প্রায় ৭৬৩ ডলার অতিরিক্ত খরচ পড়েছে। দেশটিতে আনুমানিক ১৩ কোটি ১০ লাখ পরিবার রয়েছে।

ইরান যুদ্ধ যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরে তেমন সমর্থন পায়নি। অধিকাংশ মার্কিনি জ্বালানির দাম বৃদ্ধির জন্য প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে দায়ী করছেন। তবে এর আগে বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প তেলের দাম বৃদ্ধির বিষয়টি খারিজ করে বলেন, ‘যদি এটি বাড়ে, তাহলে বাড়ুক।’ একই সঙ্গে তিনি মূল্যবৃদ্ধির জন্য তেল কোম্পানিগুলোকে দায়ী করেন।

ট্রাম্পের দেওয়া হিসাব অনুযায়ী যুদ্ধটি চার থেকে পাঁচ সপ্তাহ স্থায়ী হওয়ার কথা থাকলেও তা এখন ষষ্ঠ মাসে প্রবেশ করেছে। এ পরিস্থিতিতে যুদ্ধের কূটনৈতিক সমাধানেরও তেমন কোনো সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে না। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে জ্বালানির দাম কমারও কোনো লক্ষণ নেই।

মার্কিন ভোক্তারা ডিজেলের তুলনায় পেট্রোলের মূল্যবৃদ্ধিতে বেশি চাপে রয়েছেন। কারণ দেশটিতে পেট্রোলের ব্যবহার বেশি। গত ছয় মাসে পেট্রোলের দাম ৩৯ শতাংশ বেড়েছে। প্রতি গ্যালন ২ দশমিক ৯৮ ডলার থেকে বেড়ে বর্তমানে দাঁড়িয়েছে ৪ দশমিক ১৫ ডলারে।

অন্যদিকে, ডিজেলের দাম বেড়েছে আরও বেশি—৬০ শতাংশেরও বেশি। প্রতি গ্যালন ৩ দশমিক ৬৭ ডলার থেকে ডিজেলের দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫ দশমিক ৯০ ডলারে।

অঙ্গরাজ্যভেদে জ্বালানির দামে পার্থক্য রয়েছে। বিশেষ করে জ্বালানি করের কারণে ক্যালিফোর্নিয়াসহ ওয়েস্ট কোস্ট অঞ্চলে তেলের দাম তুলনামূলক বেশি।

জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব শুধু পরিবহন খাতেই সীমাবদ্ধ নেই। তেল ও গ্যাস খাদ্য সরবরাহ ব্যবস্থার প্রায় প্রতিটি ধাপের সঙ্গে জড়িত—ট্রাক্টর চালানো থেকে শুরু করে খাদ্য পরিবহন, শীতলীকরণ ও প্লাস্টিকের প্যাকেজিং পর্যন্ত। ফলে জ্বালানির দাম বাড়ায় খাদ্যপণ্যের বাজারদরও বাড়ছে।

বিশ্বের অন্যান্য দেশেও একই ধরনের প্রভাব দেখা যাচ্ছে। পরিস্থিতি আরও অবনতির দিকে গেলে নিম্ন আয়ের দেশগুলোতে তেল ও সার আমদানির ব্যয় বেড়ে যেতে পারে। এর ফলে এসব দেশে খাদ্য উৎপাদন ব্যাহত হয়ে খাদ্য সংকটের আশঙ্কাও তৈরি হতে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ১২:৪৫:১৮ পূর্বাহ্ণ, মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৬ বার পড়া হয়েছে

ইরান যুদ্ধে ছয় মাসে মার্কিন ভোক্তাদের অতিরিক্ত ১০০ বিলিয়ন ডলার জ্বালানি ব্যয়

আপডেট সময় : ১২:৪৫:১৮ পূর্বাহ্ণ, মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
১৯

ইরান যুদ্ধের ছয় মাসে যুক্তরাষ্ট্রের ভোক্তারা পেট্রোল ও ডিজেলের পেছনে অতিরিক্ত প্রায় ১০০ বিলিয়ন ডলার খরচ করেছেন। ব্রাউন ইউনিভার্সিটির ওয়াটসন ইনস্টিটিউট ফর ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড পাবলিক অ্যাফেয়ার্সের বরাতে এ তথ্য জানা গেছে।

যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে এই অতিরিক্ত ব্যয় ভাগ করে দিলে প্রতি পরিবারের পেছনে গড়ে প্রায় ৭৬৩ ডলার অতিরিক্ত খরচ পড়েছে। দেশটিতে আনুমানিক ১৩ কোটি ১০ লাখ পরিবার রয়েছে।

ইরান যুদ্ধ যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরে তেমন সমর্থন পায়নি। অধিকাংশ মার্কিনি জ্বালানির দাম বৃদ্ধির জন্য প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে দায়ী করছেন। তবে এর আগে বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প তেলের দাম বৃদ্ধির বিষয়টি খারিজ করে বলেন, ‘যদি এটি বাড়ে, তাহলে বাড়ুক।’ একই সঙ্গে তিনি মূল্যবৃদ্ধির জন্য তেল কোম্পানিগুলোকে দায়ী করেন।

ট্রাম্পের দেওয়া হিসাব অনুযায়ী যুদ্ধটি চার থেকে পাঁচ সপ্তাহ স্থায়ী হওয়ার কথা থাকলেও তা এখন ষষ্ঠ মাসে প্রবেশ করেছে। এ পরিস্থিতিতে যুদ্ধের কূটনৈতিক সমাধানেরও তেমন কোনো সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে না। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে জ্বালানির দাম কমারও কোনো লক্ষণ নেই।

মার্কিন ভোক্তারা ডিজেলের তুলনায় পেট্রোলের মূল্যবৃদ্ধিতে বেশি চাপে রয়েছেন। কারণ দেশটিতে পেট্রোলের ব্যবহার বেশি। গত ছয় মাসে পেট্রোলের দাম ৩৯ শতাংশ বেড়েছে। প্রতি গ্যালন ২ দশমিক ৯৮ ডলার থেকে বেড়ে বর্তমানে দাঁড়িয়েছে ৪ দশমিক ১৫ ডলারে।

অন্যদিকে, ডিজেলের দাম বেড়েছে আরও বেশি—৬০ শতাংশেরও বেশি। প্রতি গ্যালন ৩ দশমিক ৬৭ ডলার থেকে ডিজেলের দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫ দশমিক ৯০ ডলারে।

অঙ্গরাজ্যভেদে জ্বালানির দামে পার্থক্য রয়েছে। বিশেষ করে জ্বালানি করের কারণে ক্যালিফোর্নিয়াসহ ওয়েস্ট কোস্ট অঞ্চলে তেলের দাম তুলনামূলক বেশি।

জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব শুধু পরিবহন খাতেই সীমাবদ্ধ নেই। তেল ও গ্যাস খাদ্য সরবরাহ ব্যবস্থার প্রায় প্রতিটি ধাপের সঙ্গে জড়িত—ট্রাক্টর চালানো থেকে শুরু করে খাদ্য পরিবহন, শীতলীকরণ ও প্লাস্টিকের প্যাকেজিং পর্যন্ত। ফলে জ্বালানির দাম বাড়ায় খাদ্যপণ্যের বাজারদরও বাড়ছে।

বিশ্বের অন্যান্য দেশেও একই ধরনের প্রভাব দেখা যাচ্ছে। পরিস্থিতি আরও অবনতির দিকে গেলে নিম্ন আয়ের দেশগুলোতে তেল ও সার আমদানির ব্যয় বেড়ে যেতে পারে। এর ফলে এসব দেশে খাদ্য উৎপাদন ব্যাহত হয়ে খাদ্য সংকটের আশঙ্কাও তৈরি হতে পারে।