1. admin@kagojerbarta.com : admin :
  2. amirsadeky88@gmail.com : amirsadeky :
  3. faysalajony@gmail.com : FAYSAL AHMED :
  4. kamrul304076@gmail.com : Kamrul :
  5. jamalpurbakshiganj@gmail.com : Kamrulbk :
  6. mdsaimkhanbd7@gmail.com : mdsaimkhan123 :
  7. motin.imran07051986@gmail.com : motin.imran07051986@gmail.com :
  8. seyam2858@gmail.com : seyam :
ঢাকা ১০:০৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শেরপুরে একযোগে পরিচ্ছন্নতা অভিযান, অংশ নিলেন ৩ হাজার ২৫ জন

আল আমিন, ঝিনাইগাতী (শেরপুর):
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
৭

ডেঙ্গু ও অন্যান্য মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং মশার প্রজননস্থল ধ্বংসের লক্ষ্যে শেরপুর জেলাজুড়ে একযোগে পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।

শনিবার (২৪ অক্টোবর) সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী জেলার পাঁচটি উপজেলায় এ কর্মসূচি পালন করা হয়। অভিযানের আওতায় স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান, সরকারি দপ্তর, বাজার, শপিংপ্লেস, হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, জেলার পাঁচটি উপজেলায় মোট ২৬৬টি স্থানে পরিচালিত এ অভিযানে ৩ হাজার ২৫ জন অংশগ্রহণ করেন।

এর মধ্যে নকলা উপজেলায় ৭৪টি স্থানে ১ হাজার ৪৭৫ জন, শ্রীবরদী উপজেলায় ৫৯টি স্থানে ৯৯৫ জন, শেরপুর সদর উপজেলায় ৬১টি স্থানে ২২২ জন, ঝিনাইগাতী উপজেলায় ৩৫টি স্থানে ১৬৭ জন এবং নালিতাবাড়ী উপজেলায় ৩৭টি স্থানে ১৬৬ জন পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে অংশ নেন।

শেরপুর জেলা শহরে পরিচালিত অভিযানে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক (উপসচিব) আরিফা সিদ্দিকা, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. শাকিল আহমেদ এবং শেরপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আসমা বিনতে রফিকসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তারা।

এ ছাড়া জেলার অন্যান্য উপজেলায় সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের নেতৃত্বে সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ও স্থানীয় বাসিন্দারা এ কর্মসূচিতে অংশ নেন।

অভিযান চলাকালে আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার রাখা, জমে থাকা পানি অপসারণ, মশার প্রজননস্থল ধ্বংস এবং ডেঙ্গুসহ অন্যান্য মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে জনসচেতনতামূলক প্রচারণা চালানো হয়।

সংশ্লিষ্টরা জানান, ডেঙ্গু ও অন্যান্য মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এবং কোথাও পানি জমতে না দেওয়ার বিকল্প নেই। এ ক্ষেত্রে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সচেতনতা ও সম্মিলিত অংশগ্রহণ জরুরি।

নিজ নিজ বাড়ি, আঙিনা, কর্মস্থল ও আশপাশের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার মাধ্যমে মশার বংশবিস্তার রোধ করা সম্ভব। সম্মিলিত উদ্যোগ ও জনসচেতনতার মধ্য দিয়ে একটি সুস্থ, নিরাপদ ও পরিচ্ছন্ন শেরপুর গড়ে তোলার প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ০৩:০২:৩৭ পূর্বাহ্ণ, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬ ৪ বার পড়া হয়েছে

শেরপুরে একযোগে পরিচ্ছন্নতা অভিযান, অংশ নিলেন ৩ হাজার ২৫ জন

আপডেট সময় : ০৩:০২:৩৭ পূর্বাহ্ণ, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬
৭

ডেঙ্গু ও অন্যান্য মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং মশার প্রজননস্থল ধ্বংসের লক্ষ্যে শেরপুর জেলাজুড়ে একযোগে পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।

শনিবার (২৪ অক্টোবর) সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী জেলার পাঁচটি উপজেলায় এ কর্মসূচি পালন করা হয়। অভিযানের আওতায় স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান, সরকারি দপ্তর, বাজার, শপিংপ্লেস, হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, জেলার পাঁচটি উপজেলায় মোট ২৬৬টি স্থানে পরিচালিত এ অভিযানে ৩ হাজার ২৫ জন অংশগ্রহণ করেন।

এর মধ্যে নকলা উপজেলায় ৭৪টি স্থানে ১ হাজার ৪৭৫ জন, শ্রীবরদী উপজেলায় ৫৯টি স্থানে ৯৯৫ জন, শেরপুর সদর উপজেলায় ৬১টি স্থানে ২২২ জন, ঝিনাইগাতী উপজেলায় ৩৫টি স্থানে ১৬৭ জন এবং নালিতাবাড়ী উপজেলায় ৩৭টি স্থানে ১৬৬ জন পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে অংশ নেন।

শেরপুর জেলা শহরে পরিচালিত অভিযানে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক (উপসচিব) আরিফা সিদ্দিকা, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. শাকিল আহমেদ এবং শেরপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আসমা বিনতে রফিকসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তারা।

এ ছাড়া জেলার অন্যান্য উপজেলায় সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের নেতৃত্বে সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ও স্থানীয় বাসিন্দারা এ কর্মসূচিতে অংশ নেন।

অভিযান চলাকালে আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার রাখা, জমে থাকা পানি অপসারণ, মশার প্রজননস্থল ধ্বংস এবং ডেঙ্গুসহ অন্যান্য মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে জনসচেতনতামূলক প্রচারণা চালানো হয়।

সংশ্লিষ্টরা জানান, ডেঙ্গু ও অন্যান্য মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এবং কোথাও পানি জমতে না দেওয়ার বিকল্প নেই। এ ক্ষেত্রে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সচেতনতা ও সম্মিলিত অংশগ্রহণ জরুরি।

নিজ নিজ বাড়ি, আঙিনা, কর্মস্থল ও আশপাশের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার মাধ্যমে মশার বংশবিস্তার রোধ করা সম্ভব। সম্মিলিত উদ্যোগ ও জনসচেতনতার মধ্য দিয়ে একটি সুস্থ, নিরাপদ ও পরিচ্ছন্ন শেরপুর গড়ে তোলার প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের।