1. admin@kagojerbarta.com : admin :
ঢাকা ০১:১০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নিরাপত্তাহীন ঈশ্বরগঞ্জ! ব্রিজের নিচে অজ্ঞাত যুবকের রক্তাক্ত লাশ

মিয়া সুলেমান, ঈশ্বরগঞ্জ (ময়মনসিংহ):
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার উচাখিলা ইউনিয়নের উচাখিলা বাজারসংলগ্ন কাঁচামাটিয়া নদীর ওপর নির্মিত সেতুর নিচের ঝোপ থেকে অজ্ঞাতপরিচয় এক যুবকের (প্রায় ২৫) মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, বুধবার দিবাগত রাত ১২টা থেকে বৃহস্পতিবার ভোর ৬টার মধ্যে যেকোনো সময় দুর্বৃত্তরা ওই যুবককে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে মরদেহটি সেতুর নিচের ঝোপে ফেলে রেখে যায়।

স্থানীয় সূত্র জানায়, সকালে এলাকাবাসী সেতুর পাশে ঝোপের মধ্যে মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে ঈশ্বরগঞ্জ থানায় খবর দেয়। খবর পেয়ে এসআই মুকুল ইসলাম সঙ্গীয় ফোর্সসহ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করেন এবং সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করেন। পরে মরদেহটি থানায় নেওয়া হয়।

পুলিশ ও স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, নিহত যুবকের মাথার বাম পাশে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন এবং ঘাড়ে প্রায় ৬ ইঞ্চি গভীর কোপের দাগ পাওয়া গেছে। এসব আলামত হত্যাকাণ্ডের ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এলাকাবাসী জানান, কয়েক দিন ধরে ওই যুবককে উচাখিলা বাজার ও আশপাশের এলাকায় ঘোরাফেরা করতে দেখা গেছে। কখনো নদীতে মাছ ধরতেন, আবার কখনো নদী থেকে শাক তুলে বাজারে বিক্রি করতেন।

স্থানীয়দের ধারণা, তিনি মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলেন। তবে তাদের প্রশ্ন, যদি তিনি সত্যিই মানসিক ভারসাম্যহীন হয়ে থাকেন, তাহলে কে বা কারা এত নির্মমভাবে তাকে হত্যা করল?

খবর পেয়ে ঈশ্বরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রবিউল আজম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তিনি জানান, নিহত ব্যক্তির পরিচয় শনাক্তে পুলিশ কাজ করছে। এ লক্ষ্যে ময়মনসিংহ থেকে পিবিআইয়ের একটি দল ঘটনাস্থলে এসে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ ও পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চালায়। তবে তাৎক্ষণিকভাবে নিহতের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

পরে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
ওসি রবিউল আজম বলেন, নিহতের পরিচয় শনাক্ত এবং হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটনে পুলিশ গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে। কী কারণে এবং কারা এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে, তা তদন্ত শেষে নিশ্চিত হওয়া যাবে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ০১:০৮:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬ ২৫ বার পড়া হয়েছে

নিরাপত্তাহীন ঈশ্বরগঞ্জ! ব্রিজের নিচে অজ্ঞাত যুবকের রক্তাক্ত লাশ

আপডেট সময় : ০১:০৮:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬

ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার উচাখিলা ইউনিয়নের উচাখিলা বাজারসংলগ্ন কাঁচামাটিয়া নদীর ওপর নির্মিত সেতুর নিচের ঝোপ থেকে অজ্ঞাতপরিচয় এক যুবকের (প্রায় ২৫) মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, বুধবার দিবাগত রাত ১২টা থেকে বৃহস্পতিবার ভোর ৬টার মধ্যে যেকোনো সময় দুর্বৃত্তরা ওই যুবককে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে মরদেহটি সেতুর নিচের ঝোপে ফেলে রেখে যায়।

স্থানীয় সূত্র জানায়, সকালে এলাকাবাসী সেতুর পাশে ঝোপের মধ্যে মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে ঈশ্বরগঞ্জ থানায় খবর দেয়। খবর পেয়ে এসআই মুকুল ইসলাম সঙ্গীয় ফোর্সসহ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করেন এবং সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করেন। পরে মরদেহটি থানায় নেওয়া হয়।

পুলিশ ও স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, নিহত যুবকের মাথার বাম পাশে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন এবং ঘাড়ে প্রায় ৬ ইঞ্চি গভীর কোপের দাগ পাওয়া গেছে। এসব আলামত হত্যাকাণ্ডের ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এলাকাবাসী জানান, কয়েক দিন ধরে ওই যুবককে উচাখিলা বাজার ও আশপাশের এলাকায় ঘোরাফেরা করতে দেখা গেছে। কখনো নদীতে মাছ ধরতেন, আবার কখনো নদী থেকে শাক তুলে বাজারে বিক্রি করতেন।

স্থানীয়দের ধারণা, তিনি মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলেন। তবে তাদের প্রশ্ন, যদি তিনি সত্যিই মানসিক ভারসাম্যহীন হয়ে থাকেন, তাহলে কে বা কারা এত নির্মমভাবে তাকে হত্যা করল?

খবর পেয়ে ঈশ্বরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রবিউল আজম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তিনি জানান, নিহত ব্যক্তির পরিচয় শনাক্তে পুলিশ কাজ করছে। এ লক্ষ্যে ময়মনসিংহ থেকে পিবিআইয়ের একটি দল ঘটনাস্থলে এসে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ ও পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চালায়। তবে তাৎক্ষণিকভাবে নিহতের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

পরে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
ওসি রবিউল আজম বলেন, নিহতের পরিচয় শনাক্ত এবং হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটনে পুলিশ গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে। কী কারণে এবং কারা এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে, তা তদন্ত শেষে নিশ্চিত হওয়া যাবে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।