জাইকা প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠক, অবকাঠামো উন্নয়নে সহযোগিতা বাড়ানোর প্রত্যয়
সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম এমপির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা (জাইকা)-এর প্রেসিডেন্ট ড. তানাকা আকিহিকো। বৃহস্পতিবার সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত বৈঠকে বাংলাদেশের যোগাযোগ অবকাঠামোর উন্নয়নে জাপানের সহযোগিতা সম্প্রসারণ এবং চলমান প্রকল্পগুলোর অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা হয়।
বৈঠকে মেট্রোরেল প্রকল্প, সড়ক ও সেতু অবকাঠামো, এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ, কারিগরি সহযোগিতা, সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং ভবিষ্যৎ উন্নয়ন প্রকল্পে জাইকার সহযোগিতা আরও বিস্তৃত করার বিষয়ে মতবিনিময় করা হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ এবং রেলপথ প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ এমপি, রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. ফাহিমুল ইসলাম, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হক, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব জাকারিয়া এবং জাইকার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
বৈঠকে শেখ রবিউল আলম বলেন, বাংলাদেশের যোগাযোগ অবকাঠামোর আধুনিকায়নে জাইকা দীর্ঘদিনের নির্ভরযোগ্য উন্নয়ন সহযোগী। বিশেষ করে মেট্রোরেল, সড়ক, সেতু এবং কৌশলগত অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পে জাপানের সহায়তা দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও টেকসই উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। ভবিষ্যতেও এই সহযোগিতা আরও সম্প্রসারিত হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
মন্ত্রী আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বর্তমান সরকার নিরাপদ, আধুনিক, টেকসই ও সমন্বিত যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে কাজ করছে। এ লক্ষ্য অর্জনে গণপরিবহন, স্মার্ট ট্রান্সপোর্ট ব্যবস্থা এবং আঞ্চলিক সংযোগ বৃদ্ধির বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়নে আন্তর্জাতিক উন্নয়ন অংশীদারদের সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
জাইকার প্রেসিডেন্ট ড. তানাকা আকিহিকো বাংলাদেশের অবকাঠামো উন্নয়নে জাপানের অব্যাহত সহযোগিতার আশ্বাস দিয়ে বলেন, বাংলাদেশের উন্নয়ন অভিযাত্রায় জাইকা ভবিষ্যতেও নির্ভরযোগ্য অংশীদার হিসেবে পাশে থাকবে। চলমান প্রকল্পগুলোর সফল বাস্তবায়নের পাশাপাশি নতুন সম্ভাবনাময় খাতেও সহযোগিতা অব্যাহত রাখা হবে।
বৈঠকে উভয় পক্ষ মেট্রোরেল প্রকল্পের সফল বাস্তবায়ন, মাতারবাড়ী অঞ্চলের সমন্বিত উন্নয়ন, সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন, প্রযুক্তি ও কারিগরি সহায়তা বৃদ্ধি এবং ভবিষ্যৎ অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পে পারস্পরিক সহযোগিতা আরও জোরদারের বিষয়ে একমত হন। পাশাপাশি বাংলাদেশ ও জাপানের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।






















