1. admin@kagojerbarta.com : admin :
ঢাকা ১২:০২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

লালপুরে পদ্মা নদীতে বিশেষ অভিযান, ১৫টি নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারী জাল জব্দ ও ধ্বংস

মোঁ নাজিবুল রহমান নাসিম লালপুর (নাটোর):
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মৎস্য সম্পদ ও নদীর জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের লক্ষ্যে আজ ২ জুলাই ২০২৬ তারিখে নাটোরের লালপুর উপজেলার গৌরিপুর এলাকায় পদ্মা নদীতে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে উপজেলা প্রশাসন।

মৎস্য সুরক্ষা ও সংরক্ষণ আইন, ১৯৫০ বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে পরিচালিত এ মোবাইল কোর্টে নেতৃত্ব দেন লালপুর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি)। অভিযানে সার্বিক সহযোগিতা করেন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা, লালপুর, নাটোর।

অভিযান চলাকালে নদী থেকে নিষিদ্ধ ১৫টি চায়না দুয়ারী জাল, যার আনুমানিক দৈর্ঘ্য প্রায় ৬০০ মিটার, জব্দ করা হয়। পরবর্তীতে জব্দকৃত ক্ষতিকর ও অবৈধ জালসমূহ আইনানুগ প্রক্রিয়ায় পুড়িয়ে সম্পূর্ণরূপে বিনষ্ট করা হয়েছে।

উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, দেশের মৎস্য সম্পদ, নদীর স্বাভাবিক পরিবেশ এবং জীববৈচিত্র্য রক্ষায় ক্ষতিকর ও নিষিদ্ধ জালের ব্যবহার বন্ধে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

জনস্বার্থে উপজেলা প্রশাসনের এ কার্যক্রম নিয়মিতভাবে পরিচালিত হবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

নদী বাঁচলে মাছ বাঁচবে, মাছ বাঁচলে বাঁচবে প্রকৃতি ও আমাদের ভবিষ্যৎ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ০৩:৩৫:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬ ০ বার পড়া হয়েছে

লালপুরে পদ্মা নদীতে বিশেষ অভিযান, ১৫টি নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারী জাল জব্দ ও ধ্বংস

আপডেট সময় : ০৩:৩৫:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬

মৎস্য সম্পদ ও নদীর জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের লক্ষ্যে আজ ২ জুলাই ২০২৬ তারিখে নাটোরের লালপুর উপজেলার গৌরিপুর এলাকায় পদ্মা নদীতে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে উপজেলা প্রশাসন।

মৎস্য সুরক্ষা ও সংরক্ষণ আইন, ১৯৫০ বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে পরিচালিত এ মোবাইল কোর্টে নেতৃত্ব দেন লালপুর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি)। অভিযানে সার্বিক সহযোগিতা করেন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা, লালপুর, নাটোর।

অভিযান চলাকালে নদী থেকে নিষিদ্ধ ১৫টি চায়না দুয়ারী জাল, যার আনুমানিক দৈর্ঘ্য প্রায় ৬০০ মিটার, জব্দ করা হয়। পরবর্তীতে জব্দকৃত ক্ষতিকর ও অবৈধ জালসমূহ আইনানুগ প্রক্রিয়ায় পুড়িয়ে সম্পূর্ণরূপে বিনষ্ট করা হয়েছে।

উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, দেশের মৎস্য সম্পদ, নদীর স্বাভাবিক পরিবেশ এবং জীববৈচিত্র্য রক্ষায় ক্ষতিকর ও নিষিদ্ধ জালের ব্যবহার বন্ধে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

জনস্বার্থে উপজেলা প্রশাসনের এ কার্যক্রম নিয়মিতভাবে পরিচালিত হবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

নদী বাঁচলে মাছ বাঁচবে, মাছ বাঁচলে বাঁচবে প্রকৃতি ও আমাদের ভবিষ্যৎ।