1. admin@kagojerbarta.com : admin :
ঢাকা ১১:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কোটালীপাড়ায় কালিমাখচিত পতাকা নিয়ে মোটরসাইকেল র‍্যালি

ছাইম খান গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি:
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলায় ধর্মীয় পরিচয় ও মূল্যবোধের বার্তা তুলে ধরতে কালিমাখচিত পতাকা বহন করে একটি মোটরসাইকেল র‍্যালি ও সচেতনতামূলক কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বিকেলে উপজেলার পৌর মার্কেট এলাকা থেকে শুরু হওয়া এ আয়োজনে বিপুলসংখ্যক মোটরসাইকেল আরোহী অংশ নেন।
আয়োজকদের ভাষ্য অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, বিশেষ করে ফুটবল বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে বিদেশি দেশের পতাকা ব্যবহারের প্রবণতা বৃদ্ধি পাওয়ায় মুসলিম পরিচয় ও আদর্শের বিষয়টি স্মরণ করিয়ে দিতে এ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, র‍্যালিটি পৌর মার্কেট থেকে যাত্রা শুরু করে উপজেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে। অংশগ্রহণকারীরা মোটরসাইকেলে কালিমা সংবলিত পতাকা বহন করেন। পরে শিল্পকলা একাডেমি প্রাঙ্গণে সমাপনী আয়োজনের মাধ্যমে কর্মসূচির সমাপ্তি ঘটে।
র‍্যালি চলাকালে সড়কের বিভিন্ন স্থানে সাধারণ মানুষকে দাঁড়িয়ে কর্মসূচি পর্যবেক্ষণ করতে দেখা যায়। আয়োজকদের একজন, রাজিয়া খাতুন কওমি মহিলা মাদ্রাসার মুহতামিম ক্বারী বশির বিন সামসুদ্দিন বলেন, আন্তর্জাতিক খেলাধুলাকে কেন্দ্র করে অনেক তরুণ-তরুণী বিভিন্ন দেশের পতাকা নিয়ে উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি করে। তাঁর মতে, এ পরিস্থিতিতে মুসলিমদের ধর্মীয় পরিচয় ও আদর্শের বিষয়টি নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরার প্রয়োজন রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এই কর্মসূচির সঙ্গে কোনো রাজনৈতিক উদ্দেশ্য জড়িত নয়; বরং মুসলিম সমাজে ঐক্য, ভ্রাতৃত্ববোধ এবং ধর্মীয় শিক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরাই ছিল মূল লক্ষ্য।
কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া স্থানীয় বাসিন্দা মো. রফিকুল ইসলাম জানান, এ ধরনের আয়োজন মানুষকে নিজস্ব ধর্মীয় মূল্যবোধ সম্পর্কে সচেতন করতে সহায়ক হতে পারে। তবে তিনি সব ধরনের জনসমাগম ও কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালনার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
অন্যদিকে, কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা মত প্রকাশ করে বলেন, খেলাধুলা মানুষের বিনোদনের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। তাই ধর্মীয় চেতনা লালনের পাশাপাশি সমাজে সহনশীলতা, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও সম্প্রীতির পরিবেশ বজায় রাখাও সমানভাবে প্রয়োজন।
উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত মুসল্লি, মাদ্রাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং স্থানীয় বিশিষ্টজনেরা কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ০৬:০৭:২১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬ ৪ বার পড়া হয়েছে

কোটালীপাড়ায় কালিমাখচিত পতাকা নিয়ে মোটরসাইকেল র‍্যালি

আপডেট সময় : ০৬:০৭:২১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলায় ধর্মীয় পরিচয় ও মূল্যবোধের বার্তা তুলে ধরতে কালিমাখচিত পতাকা বহন করে একটি মোটরসাইকেল র‍্যালি ও সচেতনতামূলক কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বিকেলে উপজেলার পৌর মার্কেট এলাকা থেকে শুরু হওয়া এ আয়োজনে বিপুলসংখ্যক মোটরসাইকেল আরোহী অংশ নেন।
আয়োজকদের ভাষ্য অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, বিশেষ করে ফুটবল বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে বিদেশি দেশের পতাকা ব্যবহারের প্রবণতা বৃদ্ধি পাওয়ায় মুসলিম পরিচয় ও আদর্শের বিষয়টি স্মরণ করিয়ে দিতে এ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, র‍্যালিটি পৌর মার্কেট থেকে যাত্রা শুরু করে উপজেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে। অংশগ্রহণকারীরা মোটরসাইকেলে কালিমা সংবলিত পতাকা বহন করেন। পরে শিল্পকলা একাডেমি প্রাঙ্গণে সমাপনী আয়োজনের মাধ্যমে কর্মসূচির সমাপ্তি ঘটে।
র‍্যালি চলাকালে সড়কের বিভিন্ন স্থানে সাধারণ মানুষকে দাঁড়িয়ে কর্মসূচি পর্যবেক্ষণ করতে দেখা যায়। আয়োজকদের একজন, রাজিয়া খাতুন কওমি মহিলা মাদ্রাসার মুহতামিম ক্বারী বশির বিন সামসুদ্দিন বলেন, আন্তর্জাতিক খেলাধুলাকে কেন্দ্র করে অনেক তরুণ-তরুণী বিভিন্ন দেশের পতাকা নিয়ে উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি করে। তাঁর মতে, এ পরিস্থিতিতে মুসলিমদের ধর্মীয় পরিচয় ও আদর্শের বিষয়টি নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরার প্রয়োজন রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এই কর্মসূচির সঙ্গে কোনো রাজনৈতিক উদ্দেশ্য জড়িত নয়; বরং মুসলিম সমাজে ঐক্য, ভ্রাতৃত্ববোধ এবং ধর্মীয় শিক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরাই ছিল মূল লক্ষ্য।
কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া স্থানীয় বাসিন্দা মো. রফিকুল ইসলাম জানান, এ ধরনের আয়োজন মানুষকে নিজস্ব ধর্মীয় মূল্যবোধ সম্পর্কে সচেতন করতে সহায়ক হতে পারে। তবে তিনি সব ধরনের জনসমাগম ও কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালনার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
অন্যদিকে, কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা মত প্রকাশ করে বলেন, খেলাধুলা মানুষের বিনোদনের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। তাই ধর্মীয় চেতনা লালনের পাশাপাশি সমাজে সহনশীলতা, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও সম্প্রীতির পরিবেশ বজায় রাখাও সমানভাবে প্রয়োজন।
উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত মুসল্লি, মাদ্রাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং স্থানীয় বিশিষ্টজনেরা কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন।