1. admin@kagojerbarta.com : admin :
  2. kamrul304076@gmail.com : Kamrul :
  3. jamalpurbakshiganj@gmail.com : Kamrulbk :
  4. seyam2858@gmail.com : seyam :
ঢাকা ০২:৪৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দক্ষিণ কোরিয়ায় ১৭ এলাকায় সর্বোচ্চ তাপপ্রবাহ সতর্কতা, জাপানে বন্যা-ভূমিধসের শঙ্কা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

তীব্র তাপপ্রবাহে বিপর্যস্ত দক্ষিণ কোরিয়ার দক্ষিণাঞ্চলের ১৭টি এলাকায় সর্বোচ্চ পর্যায়ের তাপপ্রবাহ সতর্কতা জারি করেছে দেশটির আবহাওয়া কর্তৃপক্ষ। একই সময়ে জাপানের পশ্চিম ও মধ্যাঞ্চলে চরম গরম অব্যাহত থাকলেও দেশটির বিভিন্ন এলাকায় ভারী বৃষ্টি, আকস্মিক বন্যা, ভূমিধস ও বজ্রপাতের আশঙ্কায় সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

দক্ষিণ কোরিয়ার আবহাওয়া প্রশাসন (কেএমএ) সোমবার (২৭ জুলাই) সকাল ১১টায় দেগু, দক্ষিণ গিয়ংসাং প্রদেশের গিমহে, মিরিয়াং, ইয়াংসান, উইরিয়ং, জিনজু ও চ্যাংওয়ানসহ নয়টি এলাকা, উত্তর গিয়ংসাং প্রদেশের গিয়ংসান, পোহাং ও গিয়ংজুসহ ছয়টি এলাকা এবং দক্ষিণ জেওল্লা প্রদেশের গওয়াংইয়াংয়ে সর্বোচ্চ তাপপ্রবাহ সতর্কতা জারি করে।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অনুভূত তাপমাত্রা ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা দৈনিক সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছালে এই সর্বোচ্চ পর্যায়ের সতর্কতা জারি করা হয়। এমন তাপমাত্রাকে মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

সোমবার দুপুরের মধ্যে দক্ষিণ কোরিয়ার ইয়াংসানে অনুভূত তাপমাত্রা ৩৭ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং গওয়াংইয়াংয়ে ৩৭ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছায়।

এদিকে দক্ষিণ গিয়ংসাং প্রদেশে শনিবার আরও ছয়জন তাপজনিত অসুস্থতায় আক্রান্ত হয়েছেন। এতে গত ১৫ মে থেকে এ পর্যন্ত প্রদেশটিতে তাপজনিত রোগে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১১২ জনে। অতিরিক্ত গরমে একই সময়ে প্রদেশটিতে ১০ হাজার ৫৯৯টি গবাদিপশু ও পোলট্রি প্রাণীর মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।

তীব্র গরমের মধ্যে জনগণকে অপ্রয়োজনে বাইরে বের না হওয়া, রোদে দীর্ঘ সময় অবস্থান ও কঠোর শারীরিক পরিশ্রম এড়িয়ে চলার পাশাপাশি পর্যাপ্ত পানি পান করার পরামর্শ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

অন্যদিকে, জাপানের পশ্চিম ও মধ্যাঞ্চলে তীব্র তাপপ্রবাহ অব্যাহত থাকলেও দেশটির অন্য অংশে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। দেশটির ৪৭টি প্রিফেকচারের মধ্যে ২৩টিতে হিটস্ট্রোক সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

পাশাপাশি ভারী বৃষ্টি ও আকস্মিক বন্যার পাশাপাশি নদীর পানি বৃদ্ধি, ভূমিধস, বজ্রপাত, দমকা হাওয়া এবং টর্নেডোর ঝুঁকি নিয়েও সতর্ক করেছে জাপানের কর্তৃপক্ষ।

চরম আবহাওয়ার এমন পরিস্থিতিতে দুই দেশেই বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার এবং স্থানীয় প্রশাসনের দেওয়া নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়েছে।

সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ০৫:২৬:১৮ পূর্বাহ্ণ, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬ ৩ বার পড়া হয়েছে

দক্ষিণ কোরিয়ায় ১৭ এলাকায় সর্বোচ্চ তাপপ্রবাহ সতর্কতা, জাপানে বন্যা-ভূমিধসের শঙ্কা

আপডেট সময় : ০৫:২৬:১৮ পূর্বাহ্ণ, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬

তীব্র তাপপ্রবাহে বিপর্যস্ত দক্ষিণ কোরিয়ার দক্ষিণাঞ্চলের ১৭টি এলাকায় সর্বোচ্চ পর্যায়ের তাপপ্রবাহ সতর্কতা জারি করেছে দেশটির আবহাওয়া কর্তৃপক্ষ। একই সময়ে জাপানের পশ্চিম ও মধ্যাঞ্চলে চরম গরম অব্যাহত থাকলেও দেশটির বিভিন্ন এলাকায় ভারী বৃষ্টি, আকস্মিক বন্যা, ভূমিধস ও বজ্রপাতের আশঙ্কায় সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

দক্ষিণ কোরিয়ার আবহাওয়া প্রশাসন (কেএমএ) সোমবার (২৭ জুলাই) সকাল ১১টায় দেগু, দক্ষিণ গিয়ংসাং প্রদেশের গিমহে, মিরিয়াং, ইয়াংসান, উইরিয়ং, জিনজু ও চ্যাংওয়ানসহ নয়টি এলাকা, উত্তর গিয়ংসাং প্রদেশের গিয়ংসান, পোহাং ও গিয়ংজুসহ ছয়টি এলাকা এবং দক্ষিণ জেওল্লা প্রদেশের গওয়াংইয়াংয়ে সর্বোচ্চ তাপপ্রবাহ সতর্কতা জারি করে।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অনুভূত তাপমাত্রা ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা দৈনিক সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছালে এই সর্বোচ্চ পর্যায়ের সতর্কতা জারি করা হয়। এমন তাপমাত্রাকে মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

সোমবার দুপুরের মধ্যে দক্ষিণ কোরিয়ার ইয়াংসানে অনুভূত তাপমাত্রা ৩৭ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং গওয়াংইয়াংয়ে ৩৭ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছায়।

এদিকে দক্ষিণ গিয়ংসাং প্রদেশে শনিবার আরও ছয়জন তাপজনিত অসুস্থতায় আক্রান্ত হয়েছেন। এতে গত ১৫ মে থেকে এ পর্যন্ত প্রদেশটিতে তাপজনিত রোগে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১১২ জনে। অতিরিক্ত গরমে একই সময়ে প্রদেশটিতে ১০ হাজার ৫৯৯টি গবাদিপশু ও পোলট্রি প্রাণীর মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।

তীব্র গরমের মধ্যে জনগণকে অপ্রয়োজনে বাইরে বের না হওয়া, রোদে দীর্ঘ সময় অবস্থান ও কঠোর শারীরিক পরিশ্রম এড়িয়ে চলার পাশাপাশি পর্যাপ্ত পানি পান করার পরামর্শ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

অন্যদিকে, জাপানের পশ্চিম ও মধ্যাঞ্চলে তীব্র তাপপ্রবাহ অব্যাহত থাকলেও দেশটির অন্য অংশে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। দেশটির ৪৭টি প্রিফেকচারের মধ্যে ২৩টিতে হিটস্ট্রোক সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

পাশাপাশি ভারী বৃষ্টি ও আকস্মিক বন্যার পাশাপাশি নদীর পানি বৃদ্ধি, ভূমিধস, বজ্রপাত, দমকা হাওয়া এবং টর্নেডোর ঝুঁকি নিয়েও সতর্ক করেছে জাপানের কর্তৃপক্ষ।

চরম আবহাওয়ার এমন পরিস্থিতিতে দুই দেশেই বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার এবং স্থানীয় প্রশাসনের দেওয়া নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়েছে।

সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি