1. admin@kagojerbarta.com : admin :
  2. kamrul304076@gmail.com : Kamrul :
  3. jamalpurbakshiganj@gmail.com : Kamrulbk :
  4. seyam2858@gmail.com : seyam :
ঢাকা ১০:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভারতের অগ্নিবীর প্রকল্পে অন্তর্ভুক্তির দাবিতে নেপালে আন্দোলন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভারতীয় সেনাবাহিনীর ‘অগ্নিবীর’ প্রকল্পে নেপালি তরুণ-তরুণীদের অন্তর্ভুক্তির দাবিতে আন্দোলন শুরু হয়েছে নেপালে। শুক্রবার (১৪ আগস্ট) দেশটির পশ্চিমাঞ্চলীয় পর্যটন শহর পোখারায় এ আন্দোলন শুরু করেন নেপালি তরুণরা।

আন্দোলনকারীদের সংগঠকদের মধ্যে রয়েছেন ভারতীয় প্রতিরক্ষা বাহিনীর নেপালি গোর্খা রেজিমেন্টের সাবেক সেনা কর্মকর্তারা। আগামী ১৬ আগস্ট ভারতীয় সেনাবাহিনীর চিফ অব আর্মি স্টাফ ধিরাজ সেথ সরকারি সফরে পোখারা আসার কথা রয়েছে। তাঁর সফরকে সামনে রেখে নির্দিষ্ট দাবিতে এ আন্দোলন শুরু হয়েছে।

নেপালি তরুণদের প্রধান দাবি, অগ্নিবীর প্রকল্পে নেপালের নাগরিকদের অন্তর্ভুক্ত করতে হবে এবং দ্রুত নেপালে এ প্রকল্পের নিয়োগ কার্যক্রম শুরু করতে হবে।

নেপালের নাগরিকদের জন্য ভারত ও ব্রিটিশ সেনাবাহিনীতে পৃথক গোর্খা রেজিমেন্ট রয়েছে। ব্রিটিশ শাসনামলে ব্রিটিশ ইন্ডিয়ান আর্মিতে এই রেজিমেন্টের যাত্রা শুরু হয়। ১৯৪৭ সালে ভারত স্বাধীন হওয়ার পরও যুক্তরাজ্য ও ভারত নিজ নিজ সেনাবাহিনীতে গোর্খা রেজিমেন্ট চালু রাখার সিদ্ধান্ত নেয়। একই বছর এ বিষয়ে ব্রিটেন, ভারত ও নেপালের মধ্যে একটি ত্রিপক্ষীয় চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

বর্তমানে ভারতীয় সেনাবাহিনীতে সাতটি গোর্খা রেজিমেন্টের ৩৯টি ব্যাটালিয়ন রয়েছে। অন্যদিকে ব্রিটিশ গোর্খা রেজিমেন্টেও বিপুলসংখ্যক নেপালি সেনা কর্মরত আছেন।

তবে ২০২০ সালে করোনাভাইরাস মহামারির সময় ভারতীয় সেনাবাহিনীর গোর্খা রেজিমেন্টে নেপালি নাগরিকদের নিয়োগ স্থগিত করা হয়। সেই স্থগিতাবস্থা এখনও বহাল রয়েছে।

প্রতিরক্ষা ব্যয় কমানো এবং সেনাবাহিনীতে স্বল্পমেয়াদি নিয়োগের উদ্দেশ্যে ভারত ২০২২ সালে ‘অগ্নিবীর’ প্রকল্প চালু করে। এটি ‘অগ্নিপথ’ প্রকল্পের অংশ। এ ব্যবস্থায় প্রশিক্ষণসহ চার বছরের জন্য তরুণ-তরুণীদের সশস্ত্র বাহিনীতে নিয়োগ দেওয়া হয়। চার বছর শেষে সর্বোচ্চ ২৫ শতাংশকে স্থায়ীভাবে সেনাবাহিনীতে রাখার সুযোগ থাকে। বাকিদের ‘সেবা নিধি’ প্যাকেজের আওতায় এককালীন অর্থ দিয়ে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

নেপালি তরুণদের দাবি, এই নিয়োগব্যবস্থায় নেপালকেও অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।

তবে নেপাল সরকার এ দাবির সঙ্গে একমত নয়। কাঠমান্ডুর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, অগ্নিবীর প্রকল্পে নিয়োগের ব্যবস্থা ১৯৪৭ সালে নেপাল, ভারত ও ব্রিটেনের মধ্যে স্বাক্ষরিত ত্রিপক্ষীয় চুক্তির সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

সূত্র: এনডিটিভি

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ০৮:২৭:৩৭ পূর্বাহ্ণ, শুক্রবার, ১৪ আগস্ট ২০২৬ ১ বার পড়া হয়েছে

ভারতের অগ্নিবীর প্রকল্পে অন্তর্ভুক্তির দাবিতে নেপালে আন্দোলন

আপডেট সময় : ০৮:২৭:৩৭ পূর্বাহ্ণ, শুক্রবার, ১৪ আগস্ট ২০২৬

ভারতীয় সেনাবাহিনীর ‘অগ্নিবীর’ প্রকল্পে নেপালি তরুণ-তরুণীদের অন্তর্ভুক্তির দাবিতে আন্দোলন শুরু হয়েছে নেপালে। শুক্রবার (১৪ আগস্ট) দেশটির পশ্চিমাঞ্চলীয় পর্যটন শহর পোখারায় এ আন্দোলন শুরু করেন নেপালি তরুণরা।

আন্দোলনকারীদের সংগঠকদের মধ্যে রয়েছেন ভারতীয় প্রতিরক্ষা বাহিনীর নেপালি গোর্খা রেজিমেন্টের সাবেক সেনা কর্মকর্তারা। আগামী ১৬ আগস্ট ভারতীয় সেনাবাহিনীর চিফ অব আর্মি স্টাফ ধিরাজ সেথ সরকারি সফরে পোখারা আসার কথা রয়েছে। তাঁর সফরকে সামনে রেখে নির্দিষ্ট দাবিতে এ আন্দোলন শুরু হয়েছে।

নেপালি তরুণদের প্রধান দাবি, অগ্নিবীর প্রকল্পে নেপালের নাগরিকদের অন্তর্ভুক্ত করতে হবে এবং দ্রুত নেপালে এ প্রকল্পের নিয়োগ কার্যক্রম শুরু করতে হবে।

নেপালের নাগরিকদের জন্য ভারত ও ব্রিটিশ সেনাবাহিনীতে পৃথক গোর্খা রেজিমেন্ট রয়েছে। ব্রিটিশ শাসনামলে ব্রিটিশ ইন্ডিয়ান আর্মিতে এই রেজিমেন্টের যাত্রা শুরু হয়। ১৯৪৭ সালে ভারত স্বাধীন হওয়ার পরও যুক্তরাজ্য ও ভারত নিজ নিজ সেনাবাহিনীতে গোর্খা রেজিমেন্ট চালু রাখার সিদ্ধান্ত নেয়। একই বছর এ বিষয়ে ব্রিটেন, ভারত ও নেপালের মধ্যে একটি ত্রিপক্ষীয় চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

বর্তমানে ভারতীয় সেনাবাহিনীতে সাতটি গোর্খা রেজিমেন্টের ৩৯টি ব্যাটালিয়ন রয়েছে। অন্যদিকে ব্রিটিশ গোর্খা রেজিমেন্টেও বিপুলসংখ্যক নেপালি সেনা কর্মরত আছেন।

তবে ২০২০ সালে করোনাভাইরাস মহামারির সময় ভারতীয় সেনাবাহিনীর গোর্খা রেজিমেন্টে নেপালি নাগরিকদের নিয়োগ স্থগিত করা হয়। সেই স্থগিতাবস্থা এখনও বহাল রয়েছে।

প্রতিরক্ষা ব্যয় কমানো এবং সেনাবাহিনীতে স্বল্পমেয়াদি নিয়োগের উদ্দেশ্যে ভারত ২০২২ সালে ‘অগ্নিবীর’ প্রকল্প চালু করে। এটি ‘অগ্নিপথ’ প্রকল্পের অংশ। এ ব্যবস্থায় প্রশিক্ষণসহ চার বছরের জন্য তরুণ-তরুণীদের সশস্ত্র বাহিনীতে নিয়োগ দেওয়া হয়। চার বছর শেষে সর্বোচ্চ ২৫ শতাংশকে স্থায়ীভাবে সেনাবাহিনীতে রাখার সুযোগ থাকে। বাকিদের ‘সেবা নিধি’ প্যাকেজের আওতায় এককালীন অর্থ দিয়ে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

নেপালি তরুণদের দাবি, এই নিয়োগব্যবস্থায় নেপালকেও অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।

তবে নেপাল সরকার এ দাবির সঙ্গে একমত নয়। কাঠমান্ডুর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, অগ্নিবীর প্রকল্পে নিয়োগের ব্যবস্থা ১৯৪৭ সালে নেপাল, ভারত ও ব্রিটেনের মধ্যে স্বাক্ষরিত ত্রিপক্ষীয় চুক্তির সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

সূত্র: এনডিটিভি