গঙ্গাচড়ায় প্রশ্ন তৈরির নামে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ, প্রশ্ন প্রণয়ন কমিটির বিরুদ্ধে
রংপুরের গঙ্গাচড়ায় ১৭৯টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পরীক্ষার প্রশ্নপত্র তৈরির নামে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। গতকাল সোমবার থেকে ২য় প্রান্তিক মূল্যয়ন শুরু হয়েছে।
জানা যায়, ১ম ও ২য় শ্রেণিতে বাংলা, ইংরেজি ও গণিত তিন বিষয়ে লিখিত পরীক্ষা হবে আর ৩য় থেকে ৫ম শ্রেণিতে ৫টি বিষয়ে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাগণ নিজেরা প্রশ্ন তৈরি করে ১ম ও ২য় শ্রেণির ৩ বিষয়ের ১ সেট প্রশ্ন ৮ টাকা করে ও ৩য় থেকে ৫ম শ্রেণির ১ সেট প্রশ্ন ১০ টাকা করে প্রধান শিক্ষকগণের নিকট থেকে আদায় করছেন। গঙ্গাচড়া উপজেলায় ১ম ও ২য় শ্রেণিতে মোট ৮৭৮৩ জন শিক্ষার্থী বাবদ ৮টাকা করে মোট ৭০,২৬৪ টাকা, ৩য়-৫ম শ্রেণিতে মোট ১২৮৬২ জন শিক্ষার্থী প্রতি ১০ টাকা হিসেবে ১,২৮,৬২০ টাকাসহ মোট আদায় করা হয়েছে ১,৯৮,৮৪৪ টাকা। অথচ প্রেস সূত্রে জানা যায় ১ম ও ২য় শ্রেণিতে ১সেট প্রশ্নপত্র তৈরিতে খরচ হয় ২টাকা আর ৩য়-৫ম শ্রেণিতে ১সেট প্রশ্নপত্র তৈরিতে খরচ হয় ৩.৬০ টাকা। প্রিন্ট খরচের তুলনায় তিনগুণ বেশি দামে প্রশ্নপত্র বিক্রি করছেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস। অথচ সরকারি সিদ্ধান্ত মোতাবেক বিদ্যালয়ভিত্তিক অথবা গুচ্ছভিত্তিক প্রশ্ন তৈরির নির্দেশনা থাকলেও গঙ্গাচড়া উপজেলায় তা মানা হচ্ছে না। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যেখানে অর্থের অপচয় রোধে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিচ্ছেন আর গঙ্গাচড়ায় সরকারি অর্থ অপচয়ের মহোৎসব চলছে। বিগত বছরগুলোর বিভিন্ন প্রান্তিক পরীক্ষার প্রশ্নপত্র বিক্রির বিপুল অর্থ হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের বিরুদ্ধে।
প্রশ্নপত্র তৈরির প্রণয়ন কমিটির সভাপতি ও উপজেলা শিক্ষা অফিসার শায়লা জেসমিন সাঈদ বলেন, অতিরিক্ত টাকা শিক্ষকদের যাতায়াত, প্রশ্নপত্র তৈরিতে যাতায়াতের খরচ এবং একটি করে প্রশ্ন রাখার জন্য একটি করে ব্যাগ প্রদান করা হবে।






















