1. admin@kagojerbarta.com : admin :
  2. amirsadeky88@gmail.com : amirsadeky :
  3. faysalajony@gmail.com : FAYSAL AHMED :
  4. kamrul304076@gmail.com : Kamrul :
  5. jamalpurbakshiganj@gmail.com : Kamrulbk :
  6. mdsaimkhanbd7@gmail.com : mdsaimkhan123 :
  7. motin.imran07051986@gmail.com : motin.imran07051986@gmail.com :
  8. seyam2858@gmail.com : seyam :
ঢাকা ০৩:০৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চিলমারীতে কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ কেন্দ্র চালু হবে কবে?

চিলমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি : নুর আমিন
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
১২

কুড়িগ্রামের চিলমারীতে প্রায় ছয় কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, সংরক্ষণ ও বাজারজাতকরণ কেন্দ্র নির্মাণের চার বছর পেরিয়ে গেলেও এখনো চালু হয়নি। ফলে দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকা মূল্যবান যন্ত্রপাতি ও মেশিনপত্র অকেজো হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। কেন্দ্রটি কবে নাগাদ চালু হবে, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষও এখন পর্যন্ত সুনির্দিষ্ট সময় জানাতে পারেনি।

জানা গেছে, কুড়িগ্রাম জেলার প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর দারিদ্র্য হ্রাসকরণ প্রকল্পের আওতায় পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (আরডিএ), বগুড়া ২০১৮ সালে জেলার চারটি উপজেলায় কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, সংরক্ষণ ও বাজারজাতকরণ কেন্দ্র নির্মাণের উদ্যোগ নেয়। স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের আর্থিক সহায়তায় চিলমারীতে ২০২২-২৩ অর্থবছরে কেন্দ্রটির নির্মাণকাজ শেষ করা হয়।

কেন্দ্রটিতে ছোট উদ্যোক্তাদের জন্য বিভিন্ন ধরনের কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাত ও সংরক্ষণের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে—ধান, গম ও সরিষা ভাঙানো, মসলা গুঁড়া, চিপস ও বেকারি পণ্য তৈরি, ফলের জুস উৎপাদন, দুধ থেকে দই তৈরি, মাছ ও মাংস সংরক্ষণসহ বিভিন্ন কৃষিপণ্য সংরক্ষণ ও বাজারজাতকরণের সুবিধা। এসব কাজের জন্য প্রয়োজনীয় মেশিনপত্রও ইতোমধ্যে স্থাপন করা হয়েছে।

তবে নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার পরও কেন্দ্রটি চালু না হওয়ায় স্থানীয় কৃষক ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের মধ্যে হতাশা তৈরি হয়েছে। তাদের অভিযোগ, কেন্দ্রটি চালু হলে স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাত করে সংরক্ষণ ও বাজারজাত করার সুযোগ তৈরি হতো। এতে কৃষকরা ন্যায্যমূল্য পাওয়ার পাশাপাশি নতুন উদ্যোক্তা তৈরির সুযোগও সৃষ্টি হতে পারত।

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সমবায়ভিত্তিক সমিতি, এনজিও অথবা আগ্রহী উদ্যোক্তার কাছে কেন্দ্রটি লিজ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। লিজের মাধ্যমে কেন্দ্রটি পরিচালনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

রংপুর পল্লী উন্নয়ন একাডেমির পরিচালক (প্রশিক্ষণ) জাহেদুল হক চৌধুরী বলেন, “অল্প সময়ের মধ্যে টেন্ডারের মাধ্যমে কেন্দ্রটি লিজ দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।”

স্থানীয়দের প্রশ্ন—চার বছর ধরে পড়ে থাকা কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই কেন্দ্রটি কবে সত্যিকার অর্থে কৃষক ও উদ্যোক্তাদের কাজে আসবে? দ্রুত লিজ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে কেন্দ্রটি চালু করার দাবি জানিয়েছেন তারা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ০৭:২৯:২২ পূর্বাহ্ণ, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১০ বার পড়া হয়েছে

চিলমারীতে কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ কেন্দ্র চালু হবে কবে?

আপডেট সময় : ০৭:২৯:২২ পূর্বাহ্ণ, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
১২

কুড়িগ্রামের চিলমারীতে প্রায় ছয় কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, সংরক্ষণ ও বাজারজাতকরণ কেন্দ্র নির্মাণের চার বছর পেরিয়ে গেলেও এখনো চালু হয়নি। ফলে দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকা মূল্যবান যন্ত্রপাতি ও মেশিনপত্র অকেজো হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। কেন্দ্রটি কবে নাগাদ চালু হবে, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষও এখন পর্যন্ত সুনির্দিষ্ট সময় জানাতে পারেনি।

জানা গেছে, কুড়িগ্রাম জেলার প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর দারিদ্র্য হ্রাসকরণ প্রকল্পের আওতায় পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (আরডিএ), বগুড়া ২০১৮ সালে জেলার চারটি উপজেলায় কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, সংরক্ষণ ও বাজারজাতকরণ কেন্দ্র নির্মাণের উদ্যোগ নেয়। স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের আর্থিক সহায়তায় চিলমারীতে ২০২২-২৩ অর্থবছরে কেন্দ্রটির নির্মাণকাজ শেষ করা হয়।

কেন্দ্রটিতে ছোট উদ্যোক্তাদের জন্য বিভিন্ন ধরনের কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাত ও সংরক্ষণের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে—ধান, গম ও সরিষা ভাঙানো, মসলা গুঁড়া, চিপস ও বেকারি পণ্য তৈরি, ফলের জুস উৎপাদন, দুধ থেকে দই তৈরি, মাছ ও মাংস সংরক্ষণসহ বিভিন্ন কৃষিপণ্য সংরক্ষণ ও বাজারজাতকরণের সুবিধা। এসব কাজের জন্য প্রয়োজনীয় মেশিনপত্রও ইতোমধ্যে স্থাপন করা হয়েছে।

তবে নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার পরও কেন্দ্রটি চালু না হওয়ায় স্থানীয় কৃষক ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের মধ্যে হতাশা তৈরি হয়েছে। তাদের অভিযোগ, কেন্দ্রটি চালু হলে স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাত করে সংরক্ষণ ও বাজারজাত করার সুযোগ তৈরি হতো। এতে কৃষকরা ন্যায্যমূল্য পাওয়ার পাশাপাশি নতুন উদ্যোক্তা তৈরির সুযোগও সৃষ্টি হতে পারত।

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সমবায়ভিত্তিক সমিতি, এনজিও অথবা আগ্রহী উদ্যোক্তার কাছে কেন্দ্রটি লিজ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। লিজের মাধ্যমে কেন্দ্রটি পরিচালনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

রংপুর পল্লী উন্নয়ন একাডেমির পরিচালক (প্রশিক্ষণ) জাহেদুল হক চৌধুরী বলেন, “অল্প সময়ের মধ্যে টেন্ডারের মাধ্যমে কেন্দ্রটি লিজ দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।”

স্থানীয়দের প্রশ্ন—চার বছর ধরে পড়ে থাকা কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই কেন্দ্রটি কবে সত্যিকার অর্থে কৃষক ও উদ্যোক্তাদের কাজে আসবে? দ্রুত লিজ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে কেন্দ্রটি চালু করার দাবি জানিয়েছেন তারা।