1. admin@kagojerbarta.com : admin :
  2. amirsadeky88@gmail.com : amirsadeky :
  3. kamrul304076@gmail.com : Kamrul :
  4. jamalpurbakshiganj@gmail.com : Kamrulbk :
  5. motin.imran07051986@gmail.com : motin.imran07051986@gmail.com :
  6. seyam2858@gmail.com : seyam :
ঢাকা ০৩:২৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬, ৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাজনীতি থেকে বিদায় নিলেন জবি ছাত্রশক্তি নেতা সজিব মৃধা

জবি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ব্যক্তিগত ও পারিবারিক কারণ দেখিয়ে জাতীয় ছাত্রশক্তি ও ছাত্ররাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের শিক্ষার্থী মোঃ সজিব মৃধা। তিনি জাতীয় ছাত্রশক্তির জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সংগঠক হিসেবে গত এক বছর দায়িত্ব পালন করেছেন।

শুক্রবার (২১ আগস্ট) নিজের ফেসবুক পোস্টে রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্তের কথা জানান সজিব মৃধা।

সজিব মৃধা জানান, অতীতে ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন-সংগ্রামে তিনি সক্রিয় ছিলেন। সর্বশেষ ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানেও তিনি সামনে থেকে মাঠে ছিলেন। ওই সময় তিনি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বরিশাল জেলার যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

নিজের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বলেন, একটি দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য শুধু দীর্ঘ সময় পরপর শোষকের বিরুদ্ধে বিপ্লব করলেই হবে না; বরং বিপ্লবের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যেতে হয়। তবে বাঙালিরা বিপ্লবী হলেও বিপ্লব-পরবর্তী সময়ে অনেকটা উদাসীন হয়ে পড়ে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, ১৯৬৯ সালের গণ-অভ্যুত্থান, ১৯৯০ সালের স্বৈরাচারবিরোধী গণ-অভ্যুত্থান এবং ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষা থেকেই সংঘটিত হয়েছিল। কিন্তু এসব গণ-অভ্যুত্থানের পরও সাধারণ মানুষের ভাগ্যে প্রত্যাশিত পরিবর্তন আসেনি। বরং প্রতিবারের গণ-অভ্যুত্থানের পর রাজনৈতিক দলগুলোই জনগণের তুলনায় বেশি লাভবান হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

বাংলাদেশের রাজনীতি সম্পর্কে নিজের উপলব্ধি তুলে ধরে সজিব মৃধা বলেন, “বাংলাদেশের রাজনীতিতে ভালো-মন্দের খুব বেশি পার্থক্য নেই; বরং এখানে বিভিন্ন স্তরে কেবল খারাপেরই বিভিন্ন রূপ বিরাজমান নিম্ন, মধ্য ও উচ্চ।”

ক্ষমতা আহরণের নিকৃষ্ট প্রতিযোগিতার অবসান ঘটবে বলেও প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি। একই সঙ্গে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান থেকে গড়ে ওঠা ছাত্রসংগঠন জাতীয় ছাত্রশক্তি শিক্ষার্থীদের কল্যাণ ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গঠনে কাজ করে যাচ্ছে উল্লেখ করে সংগঠনটির প্রতি শুভকামনা জানান।

রাজনীতি ছাড়ার সিদ্ধান্তের বিষয়ে তিনি বলেন, “ব্যক্তিগত ও পারিবারিক কারণে, সম্পূর্ণ সচেতন সিদ্ধান্তে জাতীয় ছাত্রশক্তি এবং ছাত্ররাজনীতি থেকে নিজেকে বিদায় জানাচ্ছি।”

এখন থেকে তাকে কোনো রাজনৈতিক পরিচয়ে নয়, “মোঃ সজিব মৃধা, একজন সচেতন শিক্ষার্থী” হিসেবে জানার জন্য সবার প্রতি অনুরোধ জানান তিনি। এছাড়াও নিজের সিদ্ধান্তকে সম্মানের সঙ্গে গ্রহণ করার জন্য সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি সকলের কাছে দোয়া প্রত্যাশা করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ০৪:৫৫:২৬ অপরাহ্ণ, শুক্রবার, ২১ আগস্ট ২০২৬ ৬ বার পড়া হয়েছে

রাজনীতি থেকে বিদায় নিলেন জবি ছাত্রশক্তি নেতা সজিব মৃধা

আপডেট সময় : ০৪:৫৫:২৬ অপরাহ্ণ, শুক্রবার, ২১ আগস্ট ২০২৬

ব্যক্তিগত ও পারিবারিক কারণ দেখিয়ে জাতীয় ছাত্রশক্তি ও ছাত্ররাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের শিক্ষার্থী মোঃ সজিব মৃধা। তিনি জাতীয় ছাত্রশক্তির জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সংগঠক হিসেবে গত এক বছর দায়িত্ব পালন করেছেন।

শুক্রবার (২১ আগস্ট) নিজের ফেসবুক পোস্টে রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্তের কথা জানান সজিব মৃধা।

সজিব মৃধা জানান, অতীতে ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন-সংগ্রামে তিনি সক্রিয় ছিলেন। সর্বশেষ ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানেও তিনি সামনে থেকে মাঠে ছিলেন। ওই সময় তিনি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বরিশাল জেলার যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

নিজের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বলেন, একটি দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য শুধু দীর্ঘ সময় পরপর শোষকের বিরুদ্ধে বিপ্লব করলেই হবে না; বরং বিপ্লবের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যেতে হয়। তবে বাঙালিরা বিপ্লবী হলেও বিপ্লব-পরবর্তী সময়ে অনেকটা উদাসীন হয়ে পড়ে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, ১৯৬৯ সালের গণ-অভ্যুত্থান, ১৯৯০ সালের স্বৈরাচারবিরোধী গণ-অভ্যুত্থান এবং ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষা থেকেই সংঘটিত হয়েছিল। কিন্তু এসব গণ-অভ্যুত্থানের পরও সাধারণ মানুষের ভাগ্যে প্রত্যাশিত পরিবর্তন আসেনি। বরং প্রতিবারের গণ-অভ্যুত্থানের পর রাজনৈতিক দলগুলোই জনগণের তুলনায় বেশি লাভবান হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

বাংলাদেশের রাজনীতি সম্পর্কে নিজের উপলব্ধি তুলে ধরে সজিব মৃধা বলেন, “বাংলাদেশের রাজনীতিতে ভালো-মন্দের খুব বেশি পার্থক্য নেই; বরং এখানে বিভিন্ন স্তরে কেবল খারাপেরই বিভিন্ন রূপ বিরাজমান নিম্ন, মধ্য ও উচ্চ।”

ক্ষমতা আহরণের নিকৃষ্ট প্রতিযোগিতার অবসান ঘটবে বলেও প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি। একই সঙ্গে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান থেকে গড়ে ওঠা ছাত্রসংগঠন জাতীয় ছাত্রশক্তি শিক্ষার্থীদের কল্যাণ ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গঠনে কাজ করে যাচ্ছে উল্লেখ করে সংগঠনটির প্রতি শুভকামনা জানান।

রাজনীতি ছাড়ার সিদ্ধান্তের বিষয়ে তিনি বলেন, “ব্যক্তিগত ও পারিবারিক কারণে, সম্পূর্ণ সচেতন সিদ্ধান্তে জাতীয় ছাত্রশক্তি এবং ছাত্ররাজনীতি থেকে নিজেকে বিদায় জানাচ্ছি।”

এখন থেকে তাকে কোনো রাজনৈতিক পরিচয়ে নয়, “মোঃ সজিব মৃধা, একজন সচেতন শিক্ষার্থী” হিসেবে জানার জন্য সবার প্রতি অনুরোধ জানান তিনি। এছাড়াও নিজের সিদ্ধান্তকে সম্মানের সঙ্গে গ্রহণ করার জন্য সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি সকলের কাছে দোয়া প্রত্যাশা করেন।