1. admin@kagojerbarta.com : admin :
  2. amirsadeky88@gmail.com : amirsadeky :
  3. faysalajony@gmail.com : FAYSAL AHMED :
  4. kamrul304076@gmail.com : Kamrul :
  5. jamalpurbakshiganj@gmail.com : Kamrulbk :
  6. motin.imran07051986@gmail.com : motin.imran07051986@gmail.com :
  7. seyam2858@gmail.com : seyam :
ঢাকা ১১:০৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গফরগাঁওয়ে ফেসবুকে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে ক্ষমা চাইলেন দুলাল সরকার

নূর মুহাম্মদ আজাদী, ময়মনসিংহ প্রতিনিধি
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
৩২

ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে পারিবারিক বিরোধের জেরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে বিভ্রান্তিকর ও অসত্য তথ্য প্রচারের পর নিজের ভুল স্বীকার করে দেশবাসী ও এলাকাবাসীর কাছে ক্ষমা চেয়েছেন দুলাল সরকার নামে এক ব্যক্তি।
ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার দক্ষিণ গফরগাঁওয়ের ১০ নম্বর উস্থি ইউনিয়নের নোরার পাড়া গ্রামে। দুলাল সরকার ওই এলাকার নিপেন্দ্র চন্দ্র সরকারের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পারিবারিক বিরোধকে কেন্দ্র করে ক্ষোভ ও রাগের বশবর্তী হয়ে সম্প্রতি দুলাল সরকার ফেসবুক লাইভে এসে বিভিন্ন বক্তব্য দেন। ওই লাইভে তিনি এমন কিছু তথ্য উপস্থাপন করেন, যা স্থানীয়দের মধ্যে বিভ্রান্তি ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে।
বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়ভাবে খোঁজখবর নেওয়া হলে জানা যায়, ফেসবুক লাইভে দেওয়া বক্তব্যের সঙ্গে এলাকার বাস্তব পরিস্থিতির মিল নেই বলে দাবি করেন স্থানীয়রা। তাদের ভাষ্য, ঘটনাটি মূলত পারিবারিক বিরোধ ও ব্যক্তিগত ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ।
পরবর্তীতে নিজের বক্তব্যের বিষয়ে ভুল বুঝতে পেরে দুলাল সরকার বিষয়টি স্বীকার করেন। স্থানীয় সাংবাদিক ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে দেওয়া এক ভিডিও বক্তব্যে তিনি তার আগের বিভ্রান্তিকর বক্তব্যের জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে দেশবাসী ও এলাকাবাসীর কাছে নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করেন।
এ বিষয়ে স্থানীয় পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি সুধীর চন্দ্র সরকার ও সাধারণ সম্পাদক উৎপল চন্দ্র সরকার সাংবাদিকদের বলেন, দুলাল সরকারের ফেসবুক লাইভে দেওয়া বক্তব্যের সঙ্গে এলাকার বাস্তব পরিস্থিতির কোনো সম্পর্ক নেই। এটি মূলত পারিবারিক বিরোধ ও রাগের বহিঃপ্রকাশ। বিষয়টি বুঝতে পেরে তিনি ইতোমধ্যে নিজের ভুল স্বীকার করে সবার কাছে ক্ষমা চেয়েছেন।
স্থানীয়রা জানান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোনো তথ্য প্রচারের আগে তা যাচাই করা জরুরি। ব্যক্তিগত বা পারিবারিক বিরোধের কারণে যাচাই-বাছাই ছাড়া কোনো তথ্য প্রচার করা হলে সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হতে পারে। এ ধরনের ঘটনায় সবাইকে আরও দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ০২:৫৪:২৬ অপরাহ্ণ, শুক্রবার, ২৮ আগস্ট ২০২৬ ১৬ বার পড়া হয়েছে

গফরগাঁওয়ে ফেসবুকে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে ক্ষমা চাইলেন দুলাল সরকার

আপডেট সময় : ০২:৫৪:২৬ অপরাহ্ণ, শুক্রবার, ২৮ আগস্ট ২০২৬
৩২

ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে পারিবারিক বিরোধের জেরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে বিভ্রান্তিকর ও অসত্য তথ্য প্রচারের পর নিজের ভুল স্বীকার করে দেশবাসী ও এলাকাবাসীর কাছে ক্ষমা চেয়েছেন দুলাল সরকার নামে এক ব্যক্তি।
ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার দক্ষিণ গফরগাঁওয়ের ১০ নম্বর উস্থি ইউনিয়নের নোরার পাড়া গ্রামে। দুলাল সরকার ওই এলাকার নিপেন্দ্র চন্দ্র সরকারের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পারিবারিক বিরোধকে কেন্দ্র করে ক্ষোভ ও রাগের বশবর্তী হয়ে সম্প্রতি দুলাল সরকার ফেসবুক লাইভে এসে বিভিন্ন বক্তব্য দেন। ওই লাইভে তিনি এমন কিছু তথ্য উপস্থাপন করেন, যা স্থানীয়দের মধ্যে বিভ্রান্তি ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে।
বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়ভাবে খোঁজখবর নেওয়া হলে জানা যায়, ফেসবুক লাইভে দেওয়া বক্তব্যের সঙ্গে এলাকার বাস্তব পরিস্থিতির মিল নেই বলে দাবি করেন স্থানীয়রা। তাদের ভাষ্য, ঘটনাটি মূলত পারিবারিক বিরোধ ও ব্যক্তিগত ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ।
পরবর্তীতে নিজের বক্তব্যের বিষয়ে ভুল বুঝতে পেরে দুলাল সরকার বিষয়টি স্বীকার করেন। স্থানীয় সাংবাদিক ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে দেওয়া এক ভিডিও বক্তব্যে তিনি তার আগের বিভ্রান্তিকর বক্তব্যের জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে দেশবাসী ও এলাকাবাসীর কাছে নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করেন।
এ বিষয়ে স্থানীয় পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি সুধীর চন্দ্র সরকার ও সাধারণ সম্পাদক উৎপল চন্দ্র সরকার সাংবাদিকদের বলেন, দুলাল সরকারের ফেসবুক লাইভে দেওয়া বক্তব্যের সঙ্গে এলাকার বাস্তব পরিস্থিতির কোনো সম্পর্ক নেই। এটি মূলত পারিবারিক বিরোধ ও রাগের বহিঃপ্রকাশ। বিষয়টি বুঝতে পেরে তিনি ইতোমধ্যে নিজের ভুল স্বীকার করে সবার কাছে ক্ষমা চেয়েছেন।
স্থানীয়রা জানান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোনো তথ্য প্রচারের আগে তা যাচাই করা জরুরি। ব্যক্তিগত বা পারিবারিক বিরোধের কারণে যাচাই-বাছাই ছাড়া কোনো তথ্য প্রচার করা হলে সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হতে পারে। এ ধরনের ঘটনায় সবাইকে আরও দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।