বিশ্বকাপের সব ব্যক্তিগত পুরস্কার স্পেনের দখলে, গোল্ডেন বুট এমবাপ্পের
২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয়েছে স্পেন। নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে নির্ধারিত ৯০ মিনিটে গোলশূন্য সমতা থাকলেও অতিরিক্ত সময়ের ১০৬তম মিনিটে ফেরান তোরেসের একমাত্র গোলে শিরোপা নিশ্চিত করে লুইস দে লা ফুয়েন্তের দল। ২০১০ সালের পর ১৬ বছর পর আবারও বিশ্বসেরার মুকুট পরল স্পেন।
ফাইনাল শেষে আর্জেন্টিনার অধিনায়ক লিওনেল মেসির হতাশ মুখ ছিল পুরো আসরের অন্যতম আলোচিত দৃশ্য। অন্যদিকে, স্পেনের অধিনায়ক রদ্রির হাতে বিশ্বকাপ ট্রফি তুলে দেওয়া হয় আনুষ্ঠানিক পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে।
শিরোপার পাশাপাশি টুর্নামেন্টের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ ব্যক্তিগত পুরস্কার গোল্ডেন বল জিতেছেন স্পেনের মিডফিল্ডার রদ্রি। পুরো আসরে তিনি ৮ ম্যাচে ৭২৬ মিনিট খেলেছেন, ৬৯২টি সফল পাস দিয়েছেন এবং তার পাসিং সফলতার হার ছিল ৯৪ শতাংশ। এছাড়া তিনি ১৩টি সফল ট্যাকল করে মিডফিল্ডে অসাধারণ আধিপত্য দেখান।
ফাইনালের একমাত্র গোল করে ম্যাচসেরা নির্বাচিত হয়েছেন স্পেনের ফরোয়ার্ড ফেরান তোরেস। অতিরিক্ত সময়ের ১০৬তম মিনিটে তার গোলই স্পেনকে বিশ্বকাপের শিরোপা এনে দেয়।
টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ গোলদাতার স্বীকৃতি গোল্ডেন বুট জিতেছেন ফ্রান্সের অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপ্পে। পুরো বিশ্বকাপে তিনি ১০ গোল করে সবার ওপরে ছিলেন।
গোল্ডেন গ্লাভ জিতেছেন স্পেনের গোলরক্ষক উনাই সিমন। পুরো আসরে তিনি মাত্র একটি গোল হজম করেন, ৭টি ক্লিনশিট রাখেন এবং টানা প্রায় ৫৫০ মিনিট গোল না খাওয়ার কীর্তি গড়েন।
সেরা উদীয়মান খেলোয়াড়ের পুরস্কার জিতেছেন স্পেনের ১৯ বছর বয়সী ডিফেন্ডার পাউ কুবারসি। পুরো টুর্নামেন্টে তার রক্ষণভাগের বিপক্ষে প্রতিপক্ষ মাত্র একটি গোল করতে সক্ষম হয়। এছাড়া তিনি মোট ৩৩টি ক্লিয়ারেন্স করে দলের রক্ষণকে শক্তিশালী ভিত্তি দেন।
অন্যদিকে, সবচেয়ে শৃঙ্খলাপূর্ণ ফুটবল উপহার দেওয়ার স্বীকৃতি হিসেবে ফেয়ার প্লে অ্যাওয়ার্ড জিতেছে নেদারল্যান্ডস। যদিও দলটি শেষ ষোলো থেকেই বিদায় নেয়, তবুও মাঠে তাদের শৃঙ্খলাবোধ ও খেলোয়াড়সুলভ আচরণের জন্য এই সম্মান অর্জন করে।
২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের পুরস্কারজয়ীরা
ফাইনালের সেরা খেলোয়াড়: ফেরান তোরেস (স্পেন)
গোল্ডেন বল (টুর্নামেন্টসেরা): রদ্রি (স্পেন)
গোল্ডেন বুট (সর্বোচ্চ গোলদাতা): কিলিয়ান এমবাপ্পে (ফ্রান্স) – ১০ গোল
গোল্ডেন গ্লাভ (সেরা গোলরক্ষক): উনাই সিমন (স্পেন) – ৭টি ক্লিনশিট
সেরা উদীয়মান খেলোয়াড়: পাউ কুবারসি (স্পেন)
ফেয়ার প্লে অ্যাওয়ার্ড: নেদারল্যান্ডস
























