1. admin@kagojerbarta.com : admin :
  2. kamrul304076@gmail.com : Kamrul :
  3. jamalpurbakshiganj@gmail.com : Kamrulbk :
  4. seyam2858@gmail.com : seyam :
ঢাকা ০২:৪৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আরো ৩২ ডিসিকে বাধ্যতামূলক অবসর

অনলাইন ডেস্ক
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করা তৎকালীন ৩২ জেলা প্রশাসককে (ডিসি) বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠিয়েছে সরকার।

সোমবার (২৭ জুলাই) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের চাকরির মেয়াদ ২৫ বছর পূর্ণ হয়েছে। সরকার জনস্বার্থে তাঁদের সরকারি চাকরি থেকে অবসর প্রদান করা প্রয়োজন বলে বিবেচনা করায় সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮-এর ৪৫ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে তাঁদের সরকারি চাকরি থেকে অবসর দেওয়া হয়েছে। বিধি অনুযায়ী, এসব কর্মকর্তা অবসরজনিত সুবিধাদি পাবেন।

বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো কর্মকর্তারা যুগ্ম সচিব পদমর্যাদার এবং জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা কর্মকর্তারা ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় দেশের বিভিন্ন জেলার জেলা প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ওই নির্বাচনে তাঁরা নিজ নিজ জেলার রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্বও পালন করেন।

বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো কর্মকর্তারা হলেন—পটুয়াখালীর মো. মতিউল ইসলাম চৌধুরী, ভোলার মোহাম্মদ মাসুদ আলম ছিদ্দিক, বরিশালের এস এম অজিয়র রহমান, ফেনীর ওয়াহেদুজ্জামান, খাগড়াছড়ির মো. শহীদুল ইসলাম, ঝিনাইদহের সরোজ কুমার নাথ, পাবনার মো. জসিম উদ্দিন, সুনামগঞ্জের মোহাম্মদ আব্দুল আহাদ, কক্সবাজারের মো. কামাল হোসেন, রাঙামাটির এ কে এম মামুনুর রশিদ, লক্ষ্মীপুরের অঞ্জন চন্দ্র পাল, চট্টগ্রামের মোহাম্মদ ইলিয়াস হোসেন, ময়মনসিংহের মো. মিজানুর রহমান, চাঁপাইনবাবগঞ্জের এ জেড এম নুরুল হক, শরীয়তপুরের কাজী আবু তাহের, নাটোরের মো. শাহরিয়ার, বান্দরবানের মোহাম্মদ দাউদুল ইসলাম, নেত্রকোনার মঈনউল ইসলাম, কুষ্টিয়ার মো. আসলাম হোসেন, কুমিল্লার আবুল ফজল মীর, চাঁদপুরের মো. মাজেদুর রহমান খান, মানিকগঞ্জের এস এম ফেরদৌস, চুয়াডাঙ্গার গোপাল চন্দ্র দাশ, নীলফামারীর নাজিয়া শিরিন, কুড়িগ্রামের মোছা. সুলতানা পারভীন, শেরপুরের আনারকলি মাহবুব, খুলনার মো. হেলাল হোসেন, নরসিংদীর সৈয়দা ফারহানা কাউনাইন, কিশোরগঞ্জের মো. সারওয়ার মোর্শেদ চৌধুরী, হবিগঞ্জের মাহমুদুল কবির মুরাদ, মো. আলী আকবর এবং রাজশাহীর এস এম আব্দুল কাদের।

২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক বিতর্ক ও সমালোচনা রয়েছে। ওই নির্বাচনে দেশের ৩০০ সংসদীয় আসনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনী দায়িত্ব পালনের অংশ হিসেবে জেলা প্রশাসকেরা নিজ নিজ এলাকায় রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করেন।

সরকারি চাকরি আইন অনুযায়ী, চাকরির মেয়াদ ২৫ বছর পূর্ণ হওয়ার পর জনস্বার্থে কোনো কর্মকর্তাকে অবসরে পাঠানোর ক্ষমতা সরকারের রয়েছে। সেই আইনি ক্ষমতাবলেই এসব কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর দেওয়া হয়েছে বলে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ০৭:০০:৪০ অপরাহ্ণ, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬ ১ বার পড়া হয়েছে

আরো ৩২ ডিসিকে বাধ্যতামূলক অবসর

আপডেট সময় : ০৭:০০:৪০ অপরাহ্ণ, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬

আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করা তৎকালীন ৩২ জেলা প্রশাসককে (ডিসি) বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠিয়েছে সরকার।

সোমবার (২৭ জুলাই) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের চাকরির মেয়াদ ২৫ বছর পূর্ণ হয়েছে। সরকার জনস্বার্থে তাঁদের সরকারি চাকরি থেকে অবসর প্রদান করা প্রয়োজন বলে বিবেচনা করায় সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮-এর ৪৫ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে তাঁদের সরকারি চাকরি থেকে অবসর দেওয়া হয়েছে। বিধি অনুযায়ী, এসব কর্মকর্তা অবসরজনিত সুবিধাদি পাবেন।

বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো কর্মকর্তারা যুগ্ম সচিব পদমর্যাদার এবং জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা কর্মকর্তারা ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় দেশের বিভিন্ন জেলার জেলা প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ওই নির্বাচনে তাঁরা নিজ নিজ জেলার রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্বও পালন করেন।

বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো কর্মকর্তারা হলেন—পটুয়াখালীর মো. মতিউল ইসলাম চৌধুরী, ভোলার মোহাম্মদ মাসুদ আলম ছিদ্দিক, বরিশালের এস এম অজিয়র রহমান, ফেনীর ওয়াহেদুজ্জামান, খাগড়াছড়ির মো. শহীদুল ইসলাম, ঝিনাইদহের সরোজ কুমার নাথ, পাবনার মো. জসিম উদ্দিন, সুনামগঞ্জের মোহাম্মদ আব্দুল আহাদ, কক্সবাজারের মো. কামাল হোসেন, রাঙামাটির এ কে এম মামুনুর রশিদ, লক্ষ্মীপুরের অঞ্জন চন্দ্র পাল, চট্টগ্রামের মোহাম্মদ ইলিয়াস হোসেন, ময়মনসিংহের মো. মিজানুর রহমান, চাঁপাইনবাবগঞ্জের এ জেড এম নুরুল হক, শরীয়তপুরের কাজী আবু তাহের, নাটোরের মো. শাহরিয়ার, বান্দরবানের মোহাম্মদ দাউদুল ইসলাম, নেত্রকোনার মঈনউল ইসলাম, কুষ্টিয়ার মো. আসলাম হোসেন, কুমিল্লার আবুল ফজল মীর, চাঁদপুরের মো. মাজেদুর রহমান খান, মানিকগঞ্জের এস এম ফেরদৌস, চুয়াডাঙ্গার গোপাল চন্দ্র দাশ, নীলফামারীর নাজিয়া শিরিন, কুড়িগ্রামের মোছা. সুলতানা পারভীন, শেরপুরের আনারকলি মাহবুব, খুলনার মো. হেলাল হোসেন, নরসিংদীর সৈয়দা ফারহানা কাউনাইন, কিশোরগঞ্জের মো. সারওয়ার মোর্শেদ চৌধুরী, হবিগঞ্জের মাহমুদুল কবির মুরাদ, মো. আলী আকবর এবং রাজশাহীর এস এম আব্দুল কাদের।

২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক বিতর্ক ও সমালোচনা রয়েছে। ওই নির্বাচনে দেশের ৩০০ সংসদীয় আসনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনী দায়িত্ব পালনের অংশ হিসেবে জেলা প্রশাসকেরা নিজ নিজ এলাকায় রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করেন।

সরকারি চাকরি আইন অনুযায়ী, চাকরির মেয়াদ ২৫ বছর পূর্ণ হওয়ার পর জনস্বার্থে কোনো কর্মকর্তাকে অবসরে পাঠানোর ক্ষমতা সরকারের রয়েছে। সেই আইনি ক্ষমতাবলেই এসব কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর দেওয়া হয়েছে বলে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।