1. admin@kagojerbarta.com : admin :
  2. kamrul304076@gmail.com : Kamrul :
  3. jamalpurbakshiganj@gmail.com : Kamrulbk :
  4. seyam2858@gmail.com : seyam :
ঢাকা ০৩:১০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কক্সবাজার আইকনিক রেলস্টেশন পরিচালনায় বেসরকারি ব্যবস্থাপনার উদ্যোগ

স্টাফ রিপোর্টারঃ
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

কক্সবাজারের ঝিনুক আকৃতির আইকনিক রেলওয়ে স্টেশনকে আন্তর্জাতিক মানের পর্যটনবান্ধব রেল হাব হিসেবে গড়ে তুলতে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে পরিচালনার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন রেলপথ প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ।

শনিবার (১ আগস্ট) সকালে কক্সবাজার আইকনিক রেলস্টেশন পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ তথ্য জানান।

প্রতিমন্ত্রী বলেন,“কক্সবাজার আইকনিক রেলস্টেশনকে শুধু একটি রেলস্টেশন হিসেবে নয়, আন্তর্জাতিক মানের পর্যটনবান্ধব রেল হাব হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। এ লক্ষ্যেই স্টেশনটির পূর্ণাঙ্গ পরিচালনা নিশ্চিত করতে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ব্যবস্থাপনার সম্ভাব্যতা যাচাই করা হচ্ছে।”**

তিনি জানান, স্টেশনের অবকাঠামো, নিরাপত্তা, যাত্রীসেবা ও পরিবেশগত বিষয়গুলোও পর্যালোচনা করা হচ্ছে। পরিদর্শনের সময় তিনি স্টেশনের বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। দ্রুত পূর্ণাঙ্গভাবে স্টেশন চালু করে আন্তর্জাতিক মানের সেবা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় নির্দেশনাও দেন।

পরে চকরিয়া রেলস্টেশন পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রী বলেন, কক্সবাজার আইকনিক রেলস্টেশন বেসরকারি খাতে পরিচালনার সিদ্ধান্ত কতটা কার্যকর ও জনবান্ধব হবে, তা যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। একই সঙ্গে কক্সবাজারমুখী রেলপথের বিভিন্ন স্টেশনের পরিচালনব্যবস্থা ও যাত্রীসেবার মানও পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

পরিবেশ সুরক্ষার প্রসঙ্গে হাবিবুর রশিদ বলেন, চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রেললাইন নির্মাণের সময় প্রায় ২ লাখ ৪০ হাজার গাছ কাটা হয়েছিল। ক্ষতিপূরণ হিসেবে যেসব গাছ লাগানো হয়েছিল, সেগুলোর বর্তমান অবস্থা মূল্যায়ন করা হচ্ছে। কোথাও ঘাটতি থাকলে সামাজিক বনায়নের মাধ্যমে তা পূরণ করা হবে।

তিনি আরও বলেন, রেলওয়ে, স্থানীয় সংসদ সদস্য, বন বিভাগ এবং সামাজিক সংগঠনগুলোর সমন্বয়ে নতুন করে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে। পাশাপাশি রেললাইন নির্মাণে পরিবেশের যে ক্ষতি হয়েছে, তা মূল্যায়ন করে প্রয়োজনীয় পুনর্বাসনমূলক ব্যবস্থাও নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।

রেলের বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, “কোনো অভিযোগ পাওয়া গেলে তা তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বর্তমান ব্যবস্থায় দরপত্রে দলীয়করণ বা প্রভাব খাটানোর সুযোগ নেই। তারপরও কোথাও অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেলে তদন্তসাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ০৩:০২:৪৬ পূর্বাহ্ণ, রবিবার, ২ আগস্ট ২০২৬ ২ বার পড়া হয়েছে

কক্সবাজার আইকনিক রেলস্টেশন পরিচালনায় বেসরকারি ব্যবস্থাপনার উদ্যোগ

আপডেট সময় : ০৩:০২:৪৬ পূর্বাহ্ণ, রবিবার, ২ আগস্ট ২০২৬

কক্সবাজারের ঝিনুক আকৃতির আইকনিক রেলওয়ে স্টেশনকে আন্তর্জাতিক মানের পর্যটনবান্ধব রেল হাব হিসেবে গড়ে তুলতে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে পরিচালনার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন রেলপথ প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ।

শনিবার (১ আগস্ট) সকালে কক্সবাজার আইকনিক রেলস্টেশন পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ তথ্য জানান।

প্রতিমন্ত্রী বলেন,“কক্সবাজার আইকনিক রেলস্টেশনকে শুধু একটি রেলস্টেশন হিসেবে নয়, আন্তর্জাতিক মানের পর্যটনবান্ধব রেল হাব হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। এ লক্ষ্যেই স্টেশনটির পূর্ণাঙ্গ পরিচালনা নিশ্চিত করতে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ব্যবস্থাপনার সম্ভাব্যতা যাচাই করা হচ্ছে।”**

তিনি জানান, স্টেশনের অবকাঠামো, নিরাপত্তা, যাত্রীসেবা ও পরিবেশগত বিষয়গুলোও পর্যালোচনা করা হচ্ছে। পরিদর্শনের সময় তিনি স্টেশনের বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। দ্রুত পূর্ণাঙ্গভাবে স্টেশন চালু করে আন্তর্জাতিক মানের সেবা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় নির্দেশনাও দেন।

পরে চকরিয়া রেলস্টেশন পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রী বলেন, কক্সবাজার আইকনিক রেলস্টেশন বেসরকারি খাতে পরিচালনার সিদ্ধান্ত কতটা কার্যকর ও জনবান্ধব হবে, তা যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। একই সঙ্গে কক্সবাজারমুখী রেলপথের বিভিন্ন স্টেশনের পরিচালনব্যবস্থা ও যাত্রীসেবার মানও পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

পরিবেশ সুরক্ষার প্রসঙ্গে হাবিবুর রশিদ বলেন, চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রেললাইন নির্মাণের সময় প্রায় ২ লাখ ৪০ হাজার গাছ কাটা হয়েছিল। ক্ষতিপূরণ হিসেবে যেসব গাছ লাগানো হয়েছিল, সেগুলোর বর্তমান অবস্থা মূল্যায়ন করা হচ্ছে। কোথাও ঘাটতি থাকলে সামাজিক বনায়নের মাধ্যমে তা পূরণ করা হবে।

তিনি আরও বলেন, রেলওয়ে, স্থানীয় সংসদ সদস্য, বন বিভাগ এবং সামাজিক সংগঠনগুলোর সমন্বয়ে নতুন করে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে। পাশাপাশি রেললাইন নির্মাণে পরিবেশের যে ক্ষতি হয়েছে, তা মূল্যায়ন করে প্রয়োজনীয় পুনর্বাসনমূলক ব্যবস্থাও নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।

রেলের বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, “কোনো অভিযোগ পাওয়া গেলে তা তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বর্তমান ব্যবস্থায় দরপত্রে দলীয়করণ বা প্রভাব খাটানোর সুযোগ নেই। তারপরও কোথাও অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেলে তদন্তসাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”