1. admin@kagojerbarta.com : admin :
  2. kamrul304076@gmail.com : Kamrul :
  3. jamalpurbakshiganj@gmail.com : Kamrulbk :
  4. seyam2858@gmail.com : seyam :
ঢাকা ০৩:৩৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬, ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শীর্ষ মাদক কারবারিদের নিরপেক্ষ তালিকা হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

শীর্ষ মাদক কারবারিদের নিরপেক্ষ তালিকা হবে, ব্যবস্থা টাস্কফোর্সের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

দেশের শীর্ষ মাদক কারবারিদের নির্মোহ ও নিরপেক্ষ তালিকা প্রস্তুত করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, মাদক চোরাকারবারি ও ব্যবসায়ীদের শনাক্ত করতে একটি টাস্কফোর্স কাজ করবে। টাস্কফোর্সের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে চিহ্নিত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) রাতে কক্সবাজার সার্কিট হাউসে জেলা মাদক প্রতিরোধ ও আইনশৃঙ্খলা উন্নয়ন-সংক্রান্ত সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মাদক চোরাচালান, মাদকের বিস্তার এবং মাদক নিয়ন্ত্রণ সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। মাদকের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। শীর্ষ মাদক কারবারিদের তালিকা তৈরির ক্ষেত্রে কোনো ধরনের পক্ষপাতিত্ব করা হবে না। তথ্য-উপাত্ত ও সংশ্লিষ্ট সংস্থার প্রতিবেদনের ভিত্তিতে নির্মোহভাবে তালিকা প্রস্তুত করা হবে।
তিনি বলেন, টাস্কফোর্স মাদক চোরাকারবারি ও ব্যবসায়ীদের শনাক্ত করে তাদের বিষয়ে প্রতিবেদন দেবে। ওই প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কক্সবাজারের সীমান্ত ও উপকূলীয় এলাকা দিয়ে মাদক পাচার ঠেকাতে নজরদারি আরও জোরদারের কথা জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, মাদক পাচারের জন্য শুধু স্থলপথ নয়, নদী ও সমুদ্রপথও ব্যবহার করা হচ্ছে। এসব রুটে মাদক প্রবেশ ঠেকাতে নৌবাহিনী ও কোস্টগার্ডের টহল বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

তিনি জানান, বিশেষ করে উপকূলীয় এলাকা ও সমুদ্রপথে চলাচলকারী নৌযানের বিষয়ে নজরদারি বাড়ানো হবে। মাদক পাচারের সঙ্গে কোনো নৌযান বা ব্যক্তি জড়িত কি না, তা শনাক্ত করতে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে আরও সক্রিয় হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

টেকনাফ ও উখিয়ার জেলে এবং নৌযান নিবন্ধনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, জেলে ও নৌযান নিবন্ধনের মাধ্যমে সমুদ্র ও উপকূলীয় এলাকায় কারা মাছ ধরতে যাচ্ছে এবং কোন নৌযান কোথায় চলাচল করছে, সে বিষয়ে একটি সুনির্দিষ্ট তথ্যভান্ডার তৈরি করা সম্ভব হবে। এতে মাদক পাচারের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি ও নৌযান শনাক্ত করা সহজ হবে।
সংশ্লিষ্টদের মতে, কক্সবাজারের টেকনাফ ও উখিয়া সীমান্ত মিয়ানমারের কাছাকাছি হওয়ায় এ অঞ্চলে মাদক পাচার প্রতিরোধে স্থল সীমান্তের পাশাপাশি সমুদ্র ও নদীপথে নজরদারি গুরুত্বপূর্ণ। এ কারণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি নৌবাহিনী ও কোস্টগার্ডের তৎপরতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

টেকনাফের পাহাড়ি এলাকায় অপহরণ রোধে দুটি ক্যাম্প স্থাপনের বিষয়েও কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি জানান, এ বিষয়ে সেনাবাহিনীর সঙ্গে আলোচনা চলছে।

টেকনাফের দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার এবং অপহরণসহ অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণে নিরাপত্তা ক্যাম্প স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। সেনাবাহিনীর সঙ্গে আলোচনা করে ক্যাম্প স্থাপনের বিষয়ে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

জেলা মাদক প্রতিরোধ ও আইনশৃঙ্খলা উন্নয়ন-সংক্রান্ত বৈঠকে মাদক নিয়ন্ত্রণে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংস্থার কার্যক্রম নিয়েও আলোচনা হয়।

সীমান্তে বিজিবি, সমুদ্র ও উপকূলীয় এলাকায় নৌবাহিনী ও কোস্টগার্ড এবং দেশের অভ্যন্তরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সমন্বিত কার্যক্রমের মাধ্যমে মাদক পাচার ও বিস্তার রোধে পদক্ষেপ নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেওয়ার কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের অবস্থান কঠোর। মাদক চোরাচালানের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার ক্ষেত্রে কোনো ধরনের পক্ষপাত করা হবে না। এ জন্য টাস্কফোর্সের প্রতিবেদনকে গুরুত্ব দেওয়া হবে।

এর আগে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে ঢাকা থেকে বিমানে কক্সবাজারে পৌঁছান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। পরে তিনি কক্সবাজার সার্কিট হাউসে জেলা মাদক প্রতিরোধ ও আইনশৃঙ্খলা উন্নয়ন-সংক্রান্ত সভায় যোগ দেন।

কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় জেলার সার্বিক মাদক পরিস্থিতি ও আইনশৃঙ্খলা নিয়ে আলোচনা হয়। এ সময় মাদক পাচারের রুট, সীমান্ত ও উপকূলীয় এলাকায় নজরদারি, মাদক চোরাকারবারিদের শনাক্তকরণ এবং অপরাধ নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর করণীয় নিয়ে আলোচনা করা হয়।

সভায় উখিয়া-টেকনাফ আসনের সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী, মহেশখালী-কুতুবদিয়া আসনের সংসদ সদস্য আলমগীর মোহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ ফরিদ, সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য শামীম আরা স্বপ্না, শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মো. মিজানুর রহমান, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক হাসান মারুফ, কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান জসিম উদ্দিন, জেলা পরিষদের প্রশাসক এটিএম নুরুল বশীর চৌধুরী, পুলিশ সুপার এএনএম সাজেদুর রহমান, বিজিবির রামু সেক্টরের কমান্ডার কর্নেল মহিউদ্দিন আহমেদ, ৩৪ বিজিবির অধিনায়ক এস এম খায়রুল আলম, র্যাব-১৫-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোস্তাফিজুর রহমান, ১৪ এপিবিএনের অধিনায়ক (এডিআইজি) সিরাজ আমিন এবং ৮ এপিবিএনের অধিনায়ক (এডিআইজি) রিয়াজ উদ্দিনসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি ও সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ০৬:৪৬:৫৮ পূর্বাহ্ণ, শুক্রবার, ৭ আগস্ট ২০২৬ ১ বার পড়া হয়েছে

শীর্ষ মাদক কারবারিদের নিরপেক্ষ তালিকা হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৬:৪৬:৫৮ পূর্বাহ্ণ, শুক্রবার, ৭ আগস্ট ২০২৬

শীর্ষ মাদক কারবারিদের নিরপেক্ষ তালিকা হবে, ব্যবস্থা টাস্কফোর্সের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

দেশের শীর্ষ মাদক কারবারিদের নির্মোহ ও নিরপেক্ষ তালিকা প্রস্তুত করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, মাদক চোরাকারবারি ও ব্যবসায়ীদের শনাক্ত করতে একটি টাস্কফোর্স কাজ করবে। টাস্কফোর্সের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে চিহ্নিত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) রাতে কক্সবাজার সার্কিট হাউসে জেলা মাদক প্রতিরোধ ও আইনশৃঙ্খলা উন্নয়ন-সংক্রান্ত সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মাদক চোরাচালান, মাদকের বিস্তার এবং মাদক নিয়ন্ত্রণ সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। মাদকের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। শীর্ষ মাদক কারবারিদের তালিকা তৈরির ক্ষেত্রে কোনো ধরনের পক্ষপাতিত্ব করা হবে না। তথ্য-উপাত্ত ও সংশ্লিষ্ট সংস্থার প্রতিবেদনের ভিত্তিতে নির্মোহভাবে তালিকা প্রস্তুত করা হবে।
তিনি বলেন, টাস্কফোর্স মাদক চোরাকারবারি ও ব্যবসায়ীদের শনাক্ত করে তাদের বিষয়ে প্রতিবেদন দেবে। ওই প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কক্সবাজারের সীমান্ত ও উপকূলীয় এলাকা দিয়ে মাদক পাচার ঠেকাতে নজরদারি আরও জোরদারের কথা জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, মাদক পাচারের জন্য শুধু স্থলপথ নয়, নদী ও সমুদ্রপথও ব্যবহার করা হচ্ছে। এসব রুটে মাদক প্রবেশ ঠেকাতে নৌবাহিনী ও কোস্টগার্ডের টহল বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

তিনি জানান, বিশেষ করে উপকূলীয় এলাকা ও সমুদ্রপথে চলাচলকারী নৌযানের বিষয়ে নজরদারি বাড়ানো হবে। মাদক পাচারের সঙ্গে কোনো নৌযান বা ব্যক্তি জড়িত কি না, তা শনাক্ত করতে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে আরও সক্রিয় হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

টেকনাফ ও উখিয়ার জেলে এবং নৌযান নিবন্ধনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, জেলে ও নৌযান নিবন্ধনের মাধ্যমে সমুদ্র ও উপকূলীয় এলাকায় কারা মাছ ধরতে যাচ্ছে এবং কোন নৌযান কোথায় চলাচল করছে, সে বিষয়ে একটি সুনির্দিষ্ট তথ্যভান্ডার তৈরি করা সম্ভব হবে। এতে মাদক পাচারের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি ও নৌযান শনাক্ত করা সহজ হবে।
সংশ্লিষ্টদের মতে, কক্সবাজারের টেকনাফ ও উখিয়া সীমান্ত মিয়ানমারের কাছাকাছি হওয়ায় এ অঞ্চলে মাদক পাচার প্রতিরোধে স্থল সীমান্তের পাশাপাশি সমুদ্র ও নদীপথে নজরদারি গুরুত্বপূর্ণ। এ কারণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি নৌবাহিনী ও কোস্টগার্ডের তৎপরতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

টেকনাফের পাহাড়ি এলাকায় অপহরণ রোধে দুটি ক্যাম্প স্থাপনের বিষয়েও কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি জানান, এ বিষয়ে সেনাবাহিনীর সঙ্গে আলোচনা চলছে।

টেকনাফের দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার এবং অপহরণসহ অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণে নিরাপত্তা ক্যাম্প স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। সেনাবাহিনীর সঙ্গে আলোচনা করে ক্যাম্প স্থাপনের বিষয়ে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

জেলা মাদক প্রতিরোধ ও আইনশৃঙ্খলা উন্নয়ন-সংক্রান্ত বৈঠকে মাদক নিয়ন্ত্রণে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংস্থার কার্যক্রম নিয়েও আলোচনা হয়।

সীমান্তে বিজিবি, সমুদ্র ও উপকূলীয় এলাকায় নৌবাহিনী ও কোস্টগার্ড এবং দেশের অভ্যন্তরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সমন্বিত কার্যক্রমের মাধ্যমে মাদক পাচার ও বিস্তার রোধে পদক্ষেপ নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেওয়ার কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের অবস্থান কঠোর। মাদক চোরাচালানের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার ক্ষেত্রে কোনো ধরনের পক্ষপাত করা হবে না। এ জন্য টাস্কফোর্সের প্রতিবেদনকে গুরুত্ব দেওয়া হবে।

এর আগে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে ঢাকা থেকে বিমানে কক্সবাজারে পৌঁছান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। পরে তিনি কক্সবাজার সার্কিট হাউসে জেলা মাদক প্রতিরোধ ও আইনশৃঙ্খলা উন্নয়ন-সংক্রান্ত সভায় যোগ দেন।

কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় জেলার সার্বিক মাদক পরিস্থিতি ও আইনশৃঙ্খলা নিয়ে আলোচনা হয়। এ সময় মাদক পাচারের রুট, সীমান্ত ও উপকূলীয় এলাকায় নজরদারি, মাদক চোরাকারবারিদের শনাক্তকরণ এবং অপরাধ নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর করণীয় নিয়ে আলোচনা করা হয়।

সভায় উখিয়া-টেকনাফ আসনের সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী, মহেশখালী-কুতুবদিয়া আসনের সংসদ সদস্য আলমগীর মোহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ ফরিদ, সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য শামীম আরা স্বপ্না, শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মো. মিজানুর রহমান, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক হাসান মারুফ, কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান জসিম উদ্দিন, জেলা পরিষদের প্রশাসক এটিএম নুরুল বশীর চৌধুরী, পুলিশ সুপার এএনএম সাজেদুর রহমান, বিজিবির রামু সেক্টরের কমান্ডার কর্নেল মহিউদ্দিন আহমেদ, ৩৪ বিজিবির অধিনায়ক এস এম খায়রুল আলম, র্যাব-১৫-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোস্তাফিজুর রহমান, ১৪ এপিবিএনের অধিনায়ক (এডিআইজি) সিরাজ আমিন এবং ৮ এপিবিএনের অধিনায়ক (এডিআইজি) রিয়াজ উদ্দিনসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি ও সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।