1. admin@kagojerbarta.com : admin :
  2. kamrul304076@gmail.com : Kamrul :
  3. jamalpurbakshiganj@gmail.com : Kamrulbk :
  4. seyam2858@gmail.com : seyam :
ঢাকা ০৩:৩৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কৃষ্ণ সাগরে ইউক্রেনের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান রাশিয়ার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

কৃষ্ণ সাগরে যুদ্ধবিরতির জন্য ইউক্রেনের পাঠানো প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে রাশিয়া। মস্কোর দাবি, তারা ‘আংশিক’ যুদ্ধবিরতিতে বিশ্বাস করে না। একই সঙ্গে কৃষ্ণ সাগরে রুশ জাহাজে ইউক্রেনের সাম্প্রতিক হামলাকেও প্রস্তাব প্রত্যাখ্যানের অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছে রাশিয়া।

শুক্রবার এক বিবৃতিতে রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা এসব কথা জানান।

বিবৃতিতে কৃষ্ণ সাগরে ইউক্রেনের সাম্প্রতিক হামলাকে ‘নির্লজ্জ সন্ত্রাসী আক্রমণ’ হিসেবে উল্লেখ করেন জাখারোভা। তিনি বলেন, রুশ জাহাজ লক্ষ্য করে ইউক্রেনের সাম্প্রতিক হামলাগুলো পূর্বপরিকল্পিত বলে মনে করে মস্কো। এসব হামলার উদ্দেশ্য কৃষ্ণ সাগরে নৌ চলাচল অস্থিতিশীল করা, উত্তেজনা বাড়ানো এবং সংঘাত দীর্ঘায়িত করা।

জাখারোভা আরও বলেন, পরিস্থিতির উন্নতির কোনো লক্ষণও তারা দেখতে পাচ্ছেন না। তাই প্রস্তাবিত যুদ্ধবিরতির কোনো ভিত্তি নেই এবং রাশিয়া আংশিক যুদ্ধবিরতিতে বিশ্বাস করে না।

শস্য রপ্তানিতে কৃষ্ণ সাগরের গুরুত্ব

ইউক্রেন বিশ্বের অন্যতম প্রধান গম, ভুট্টা ও সূর্যমুখী তেলবীজ উৎপাদনকারী দেশ। দেশটির বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের অন্যতম প্রধান উৎস কৃষিপণ্য রপ্তানি। ইউক্রেনের এসব কৃষিপণ্যের বড় ক্রেতা ইউরোপের বিভিন্ন দেশ।

২০২২ সালে রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধ শুরুর পর জাতিসংঘ ও তুরস্কের মধ্যস্থতায় কৃষ্ণ সাগরের বন্দর ওডেসা থেকে ইউরোপে শস্য রপ্তানি চালু রেখেছিল ইউক্রেন। তবে ২০২৩ সালে রাশিয়া চুক্তিটির মেয়াদ বাড়াতে অস্বীকৃতি জানালে সেটি কার্যত অকার্যকর হয়ে পড়ে।

এরপর কৃষ্ণ সাগরে বিকল্প একটি নৌপথ ব্যবহার করে শস্য রপ্তানি করছিল ইউক্রেনীয় জাহাজগুলো। সম্প্রতি রাশিয়া সেই পথও বন্ধ করে দিয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি রেল ও দানিয়ুব নদীপথে শস্য রপ্তানির চেষ্টা করলেও এসব পথে ব্যয় তুলনামূলক বেশি।

তুরস্কের উদ্যোগ

সম্প্রতি তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান জানিয়েছেন, কৃষ্ণ সাগরে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল নিরাপদ রাখতে রাশিয়া ও ইউক্রেন—উভয় দেশের কাছে প্রস্তাব পাঠিয়েছে আঙ্কারা।

তবে শুক্রবারের বিবৃতিতে মারিয়া জাখারোভা দাবি করেন, মস্কো এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব পায়নি।

সূত্র: রয়টার্স

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ০৭:৪৫:৩৭ পূর্বাহ্ণ, শনিবার, ১৫ আগস্ট ২০২৬ ০ বার পড়া হয়েছে

জাতীয় গ্রিডে আবারও গ্যাস সরবরাহ শুরু করেছে সামিট এলএনজি টার্মিনাল। শুক্রবার (১৪ আগস্ট) সন্ধ্যা ৬টা ১০ মিনিট থেকে টার্মিনালটি থেকে গ্যাস সরবরাহ শুরু হয়। জ্বালানি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, প্রাথমিকভাবে বর্তমানে প্রায় ১১০ মিলিয়ন ঘনফুট (এমএমসিএফডি) গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হচ্ছে। ধীরে ধীরে সরবরাহের পরিমাণ বাড়বে। শনিবার (১৫ আগস্ট) রাত ২টার মধ্যে সামিট এলএনজি টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ পূর্ণ সক্ষমতায় উন্নীত করার আশা করা হচ্ছে। প্রতিদিন সর্বোচ্চ ৫৫০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা সম্ভব হতে পারে৷ এর আগে সাগর উত্তাল থাকায় সামিটের এলএনজি টার্মিনালে থাকা কার্গো থেকে গ্যাস সরবরাহে সমস্যা দেখা দেয়। পরিস্থিতির কারণে কার্গোটি সরিয়ে নেওয়া হয় এবং সামিট টার্মিনাল থেকে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। এতে দেশে চলমান গ্যাস সংকট আরও তীব্র আকার ধারণ করে। সামিটের সরবরাহ বন্ধ থাকায় জাতীয় গ্রিডে গ্যাসের ঘাটতি বেড়ে যায়। এর প্রভাব পড়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন, শিল্পকারখানা, সিএনজি স্টেশনসহ বিভিন্ন খাতে। পাশাপাশি রাজধানীসহ বিভিন্ন এলাকায় আবাসিক গ্রাহকরাও কম গ্যাসের চাপের কারণে রান্নাবান্নায় ভোগান্তিতে পড়েন। বর্তমানে সামিট এলএনজি টার্মিনাল থেকে পুনরায় সরবরাহ শুরু হওয়ায় জাতীয় গ্রিডে গ্যাসের সরবরাহ কিছুটা বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে। ধাপে ধাপে সরবরাহ বাড়িয়ে ৫৫০ মিলিয়ন ঘনফুটে নেওয়া গেলে গ্যাস সংকট মোকাবিলায় তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করা হচ্ছে। সামিট এলএনজি টার্মিনাল থেকে ফের গ্যাস সরবরাহ শুরু

কৃষ্ণ সাগরে ইউক্রেনের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান রাশিয়ার

আপডেট সময় : ০৭:৪৫:৩৭ পূর্বাহ্ণ, শনিবার, ১৫ আগস্ট ২০২৬

কৃষ্ণ সাগরে যুদ্ধবিরতির জন্য ইউক্রেনের পাঠানো প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে রাশিয়া। মস্কোর দাবি, তারা ‘আংশিক’ যুদ্ধবিরতিতে বিশ্বাস করে না। একই সঙ্গে কৃষ্ণ সাগরে রুশ জাহাজে ইউক্রেনের সাম্প্রতিক হামলাকেও প্রস্তাব প্রত্যাখ্যানের অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছে রাশিয়া।

শুক্রবার এক বিবৃতিতে রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা এসব কথা জানান।

বিবৃতিতে কৃষ্ণ সাগরে ইউক্রেনের সাম্প্রতিক হামলাকে ‘নির্লজ্জ সন্ত্রাসী আক্রমণ’ হিসেবে উল্লেখ করেন জাখারোভা। তিনি বলেন, রুশ জাহাজ লক্ষ্য করে ইউক্রেনের সাম্প্রতিক হামলাগুলো পূর্বপরিকল্পিত বলে মনে করে মস্কো। এসব হামলার উদ্দেশ্য কৃষ্ণ সাগরে নৌ চলাচল অস্থিতিশীল করা, উত্তেজনা বাড়ানো এবং সংঘাত দীর্ঘায়িত করা।

জাখারোভা আরও বলেন, পরিস্থিতির উন্নতির কোনো লক্ষণও তারা দেখতে পাচ্ছেন না। তাই প্রস্তাবিত যুদ্ধবিরতির কোনো ভিত্তি নেই এবং রাশিয়া আংশিক যুদ্ধবিরতিতে বিশ্বাস করে না।

শস্য রপ্তানিতে কৃষ্ণ সাগরের গুরুত্ব

ইউক্রেন বিশ্বের অন্যতম প্রধান গম, ভুট্টা ও সূর্যমুখী তেলবীজ উৎপাদনকারী দেশ। দেশটির বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের অন্যতম প্রধান উৎস কৃষিপণ্য রপ্তানি। ইউক্রেনের এসব কৃষিপণ্যের বড় ক্রেতা ইউরোপের বিভিন্ন দেশ।

২০২২ সালে রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধ শুরুর পর জাতিসংঘ ও তুরস্কের মধ্যস্থতায় কৃষ্ণ সাগরের বন্দর ওডেসা থেকে ইউরোপে শস্য রপ্তানি চালু রেখেছিল ইউক্রেন। তবে ২০২৩ সালে রাশিয়া চুক্তিটির মেয়াদ বাড়াতে অস্বীকৃতি জানালে সেটি কার্যত অকার্যকর হয়ে পড়ে।

এরপর কৃষ্ণ সাগরে বিকল্প একটি নৌপথ ব্যবহার করে শস্য রপ্তানি করছিল ইউক্রেনীয় জাহাজগুলো। সম্প্রতি রাশিয়া সেই পথও বন্ধ করে দিয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি রেল ও দানিয়ুব নদীপথে শস্য রপ্তানির চেষ্টা করলেও এসব পথে ব্যয় তুলনামূলক বেশি।

তুরস্কের উদ্যোগ

সম্প্রতি তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান জানিয়েছেন, কৃষ্ণ সাগরে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল নিরাপদ রাখতে রাশিয়া ও ইউক্রেন—উভয় দেশের কাছে প্রস্তাব পাঠিয়েছে আঙ্কারা।

তবে শুক্রবারের বিবৃতিতে মারিয়া জাখারোভা দাবি করেন, মস্কো এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব পায়নি।

সূত্র: রয়টার্স