গোপালগঞ্জে নকল ব্যান্ডরোলের বিড়ি জব্দ, জরিমানা ৫০ হাজার টাকা
গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে নকল ব্যান্ডরোল ব্যবহার করে বিড়ি উৎপাদন ও বাজারজাতের অভিযোগে একটি গোডাউনে অভিযান চালিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। অভিযানে বিপুল পরিমাণ নকল বিড়ি ও বিড়ি তৈরির উপকরণ উদ্ধার করা হয়। পরে জব্দ করা সামগ্রী ঘটনাস্থলেই আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) সকালে উপজেলার রাতইল ইউনিয়নের শংকরপাশা এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করেন কাশিয়ানী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মিজ পাপিয়া সুলতানা লিজা।
অভিযান সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, শংকরপাশা এলাকায় একটি গোডাউনকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে নকল ব্যান্ডরোলযুক্ত সজীব ও সোনালী বিড়ি প্রস্তুত করা হচ্ছিল। পরে এসব বিড়ি স্থানীয় বিভিন্ন বাজারে সরবরাহের অভিযোগ ওঠে। এভাবে উৎপাদন ও বিক্রির মাধ্যমে সরকার নির্ধারিত শুল্ক-কর ফাঁকি দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছিল বলে অভিযোগ রয়েছে।
গোপন তথ্যের ভিত্তিতে বিষয়টি জানতে পেরে বৃহস্পতিবার সকালে ওই গোডাউনে অভিযান চালায় ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ সময় সেখানে থাকা দুই লক্ষাধিক টাকা মূল্যের নকল বিড়ি এবং বিড়ি উৎপাদনের বিভিন্ন কাঁচামাল জব্দ করা হয়।
অভিযানে নকল বিড়ি তৈরির পাশাপাশি ভুয়া ঠিকানা ব্যবহারের অভিযোগও পাওয়া যায়। এসব অভিযোগে কারখানার মালিক আবু সাইদের স্ত্রী শাকিরা বেগমকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে এ ধরনের কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার জন্য তাকে সতর্ক করা হয়েছে।
পরে জব্দ করা নকল বিড়ি ও উৎপাদনসামগ্রী ঘটনাস্থলে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে নষ্ট করা হয়।
কাশিয়ানী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মিজ পাপিয়া সুলতানা লিজা বলেন, গোপন সংবাদের মাধ্যমে নকল ব্যান্ডরোল ব্যবহার করে বিড়ি উৎপাদন ও বাজারজাতের তথ্য পাওয়া যায়। এর পরিপ্রেক্ষিতে অভিযান চালিয়ে নকল বিড়ি ও সংশ্লিষ্ট কাঁচামাল জব্দ করা হয়েছে।
তিনি বলেন, অভিযানে সংশ্লিষ্ট একজনকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। নকল বিড়ি উৎপাদন ও বাজারজাতের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রশাসনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
























