শার্শায় শিশু ধর্ষণের অভিযোগে ‘মেঝ আব্বু’ আটক, আদালতে প্রেরণ
যশোরের শার্শায় ১১ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা দায়েরের এক ঘণ্টার মধ্যে মকছেদ আলী (৫৫) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। পরে বুধবার (১৯ আগস্ট) তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
আটক মকছেদ আলী শার্শা থানার মহিষা (মোল্লাপাড়া) গ্রামের মৃত কোরবান আলী মোড়লের ছেলে। তিনি ভুক্তভোগী শিশুটির প্রতিবেশী এবং শিশুটি তাকে ‘মেঝ আব্বু’ বলে ডাকত।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী শিশু মহিষা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী। গত ১২ আগস্ট বিকেলে খেলতে বের হলে মকছেদ আলী তাকে টাকার প্রলোভন দেখিয়ে মহিষা গ্রামের আনারুলের ঘেরের পাড়ে নিয়ে যান। সেখানে শিশুটির সঙ্গে জোরপূর্বক যৌন নিপীড়ন করা হয়েছে বলে এজাহারে অভিযোগ করা হয়।
ঘটনার পর শিশুটি ভয়ে বিষয়টি কাউকে জানায়নি। পরে শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়লে প্রতিবেশী এক নারীর কাছে বিষয়টি জানায়। এরপর পরিবারের সদস্যরা ঘটনাটি জানতে পারেন।
বুধবার শিশুটির বাবা মাওলা বকস (৫১) শার্শা থানায় লিখিত অভিযোগ দিলে ধর্ষণের মামলা করা হয়।
পুলিশ জানায়, মামলা রুজুর পর যশোরের পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মো. মোস্তাক আহামেদ তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান পরিচালনা করেন। রাত ৩টা ৫ মিনিটের দিকে নিজ এলাকা থেকে মকছেদ আলীকে আটক করা হয়। পুলিশ বলছে, মামলা দায়েরের মাত্র এক ঘণ্টার মধ্যেই তাকে আটক করা হয়েছে।
শার্শা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামিনুল হক বলেন, শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে বুধবার সকালে মামলা হয়েছে। মামলার আসামিকে দ্রুত আটক করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ঘটনার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। একই সঙ্গে ভুক্তভোগী শিশুর প্রয়োজনীয় আইনগত ও চিকিৎসাসংক্রান্ত সহায়তার বিষয়টিও প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।


























